মক্কা চুক্তি, ইরানের উত্থান ও বাংলাদেশের কৌশলগত ভবিষ্যৎ (পর্ব-১)
, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
একটি উন্নয়নশীল ও আলোকিত সমাজে আসলে এমনটাই হওয়া উচিত যে মানুষ শিক্ষিত ও সচেতন হবে, দরিদ্র থাকবে না। না খেয়ে থাকবে না। মসজিদে যেতে বাধাগ্রস্ত হবে না, কাউকে সামাজিকভাবে বর্জন বা অবহেলাও করা হবে না। এই কারণেই আমি আজ এই বক্তব্যটি দিচ্ছি। আমি আমার কিছু কথা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করবো।
আজ থেকে দেড় মাস আগে-বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডে আমি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলাম। সেখানে আমি আরও কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি এবং যেটা সব মহলে যথেষ্ঠ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
আমি যে কথাটি সঠিক মনে করেছি, সেটিই বলেছি। তবে আমি নিশ্চিত নই, আমি যে কথাগুলি বলেছি সেগুলি যথাযথভাবে পৌঁছেছে কী না। ‘মক্কা’ শব্দটির সঙ্গে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের গভীর আবেগ জড়িয়ে আছে। ‘মক্কা-মদীনা’ বললেই মানুষের মধ্যে এক ধরনের তীব্র আবেগ তৈরি হয়। এখানেই কী আলোচনা শেষ হয়ে যাবে? মানুষ কিন্তু এরপরের কথাগুলো শুনতে চায় না-এমন একটি মানসিকতাও রয়েছে।
এই জায়গাতেই ধৈর্য ধরে মানুষকে প্রশ্ন করতে হবে-এই মুহূর্তে, এই পরিস্থিতিতে, রাষ্ট্রের জন্য আমাদের করণীয় কী? আপনি যদি এখানে কোনো ভবন বা স্থাপনা দেখেন এবং একজন মানুষকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি এখানে যোগ দেবেন?’-সে বলবে, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আমাদের যোগ দেওয়া উচিত।’ এখানে কোনো দ্বিধা থাকার কথা নয়।
কেউ কেউ বিষয়টি পুরোপুরি না বুঝেই বলছেন, এটি স্থগিত রাখা উচিত। কিন্তু আমরা সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।
আমরা প্রতিবেশীকে কী দেইনি, কী দিয়েছি-এসব প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একে অপরকে কতটা বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করেছি, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আসল প্রশ্ন হলো,
কেন আমাদের এই মুক্ত পথ বা নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত? এটাই মূল বিষয়।
আমরা আরও অনেক কিছু করতে পারি, আরও অনেক কিছু শিখতে পারি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে-এমনকি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যেও-এক ধরনের মানসিকতা বা আবহ তৈরি হয়েছে। আমরা যখন যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন আলোচনা দেখি, তখন বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এর ফলে একটি অনিরাপদ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখন বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব আসছে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণকে অবশ্যই ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে হবে।
শেখ মুজিবুর রহমান-ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও ১৯৭৪ সনে ও.আই.সি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও.আই.সি সহ মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে আবেগ ও ভাতৃত্বের যে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন, সেগুলি আমাদের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। পরবর্তী সরকারের সঙ্গেও মুসলিম বিশ্বের ছিলো আত্মিক বন্ধন।
-মেজর জেনারেল (অব:) ফজলে এলাহী আকবর।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানদের ভালো কিছু দেখলে কাফিররা কখনই খুশি হয় না
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী ইহুদী-খ্রিস্টানদের নজরদারী, তথ্যচুরি, ফিৎনা সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী এবং বিমান হামলার কাজে ব্যবহৃত সন্ত্রাসী আমেরিকা ভিত্তিক মুসলিম বিদ্বেষী এক তথ্যজালিকা (৩)
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
খাদিমু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (২)
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ফাদ্বায়িলে উম্মাহাতিল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম (২)
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহিলাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ নির্দেশনা মুবারক- পর্দা পালন করা
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১০)
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিধর্মী-অমুসলিমরা কখনো মুসলমানদের ভাই/বন্ধু নয়, বরং তারা মুসলমানদের চির শত্রু (২য় পর্ব)
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
খাদিমু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (১)
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












