ভাইরাল হওয়া আর মুসলিম উম্মাহ’র স্বার্থে কাজ করা এক জিনিস না
, ১৬ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৩ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০৫ আশ্বিন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহিলাদের পাতা
বর্তমান যুগে ইসলামের খিদমতগারের অভাব নেই। অনেকেই আবার মুসলমানদের নেতা সেজে যায়। মিডিয়াতেও খুব নাম ডাক। আমরা অনেক সময় মিডিয়াতে নাম ডাক দেখলেই তাকে ইসলাম ও মুসলমানদের ত্রাণকর্তা ভেবে বসি। মনে করি, এই লোকই বোধ হয় বর্তমান মুসলিম উম্মাহের সংকট নিরসন করবে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আর মুসলিম উম্মাহের স্বার্থে কাজ করা এক জিনিস না। ভাইরাল হওয়ার জন্য প্রয়োজন ভাইরাল ইস্যুতে টাচ করা। শুধু টাচ করলেই হবে না, বড় কোন জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যায় এমন কোন কথা বলবেন না। প্রয়োজনে তারা যা পছন্দ করে সেগুলো করে দেখাবেন। যেমন, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম খেলাধূলা পছন্দ করে, তো আপনি সেই খেলাধূলাকে হারাম বলবেন না, বরং নিজেই ব্যাট-বল নিয়ে খেলে দেখাবেন আপনিও সেই খেলা পছন্দ করেন। মানে বিরাট জনগোষ্ঠীর সুবিধামত দ্বীন-ইসলামের নিয়ম-নীতি তৈরী করে দিবেন, ব্যস তাদের সাপোর্ট আপনি পেয়ে যাবেন। এভাবে যত গোষ্ঠীর সুবিধামত ইসলামী ভার্সন তৈরী করে দিতে পারবেন, তত গোষ্ঠীর সাপোর্ট পাবেন, তত বেশি ভাইরাল হবেন।
আর আপনি যখন চাইবেন মুসলিম উম্মাহের স্বার্থে কাজ করতে, তখন আপনার চিন্তাধারা থাকবে ভিন্ন। মুসলিম উম্মাহের সংকট কোন কোন স্থানে সেগুলো চিহ্নিত করে, সেসব বিষয়গুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করবেন। ইসলাম ও মুসলমানের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে যারা সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসবেন।
লক্ষ্য করুন, সাধারণ জনগণকে সাহায্য করা আর কোন মুসলমান ইসলামী কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়েছে, তাকে সাহায্য করা কিন্তু এক জিনিস না। কথিত ভাইরাল হুযূররা সাধারণ জনগণকে সাহায্য করে সেক্যুলার মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে যতটা আগ্রহী হন, মুসলিম পরিচয়ে একজন ব্যক্তি যখন বিপদে পড়ে তখন তাকে সাহায্য করতে ততটাই অনাগ্রহী হন।
আলহামদুলিল্লাহ, ২১টি স্কুলের ছাত্রীদের বোরকা খুলতে বাধ্য করার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করে “বোরকা পরা নারীদের সাংবিধানিক অধিকার” রুল বের করতে রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার পক্ষ থেকেই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এগুলো হলো বাস্তবে মুসলিম উম্মাহের স্বার্থে কাজ। এগুলো ভাইরাল হওয়ার ইস্যু নয়, বাস্তবেই মুসলিম উম্মাহের স্বার্থের ইস্যু।
রাজারবাগ দরবার শরীফ ভাইরাল হওয়াতে বিশ্বাসী নয়, বরং মুসলিম উম্মাহের সংকট নিরসনে কাজ করতে বিশ্বাসী।
-উম্মু আমিম।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কারবালার ঘটনার জন্য মালউন ইয়াযিদ লানতুল্লাহি আলাইহি দায়ী এবং সে কাট্টা কাফির (১)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ৪ শ্রেণীর লোকদের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ ওয়াজিব হবে
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহিলাদের সুন্নতী লিবাস, অলংকার ও সাজ-সজ্জা (২০)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
হাশরের ময়দানে যে ৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রত্যেককেই দিতে হবে
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা বেমেছাল ফযীলত মুবারকের অধিকারী
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রত্যেকেই মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত এবং পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রাধান্য দিতে হবে
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পিতা-মাতা উভয়েই দ্বীনদার হওয়া ব্যতীত দ্বীনদার সন্তান আশা করা সম্পূর্ণ বৃথা (২)
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












