বুলি আওড়ানো দেশগুলোর খুন-খারাবি, রক্তারক্তির একটি পরিসংখ্যান
, ১৬ই রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ২৫ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
ইতিহাস বলে, কথিত মানবতার ধ্বজাধারী নাস্তিক্যবাদীরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা তখন হয়ে উঠেছে হিংস্র, নৃশংসভাবে হত্যা করেছে অজস্র মানুষকে। আসুন বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট তথা নাস্তিক্যবাদীদের হত্যাযজ্ঞের একটু হিসেব দেখে নেই-
১) চীনে সাড়ে ৬ কোটি মানুষ হত্যা।
২) সোভিয়েত রাশিয়ায় ২ কোটি মানুষ হত্যা।
৩) কম্বোডিয়ায় ২০ লক্ষ মানুষ হত্যা।
৪) উত্তর কোরিয়ায় ২০ লক্ষ মানুষ হত্যা।
৫) আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ১৭ লক্ষ মানুষ হত্যা।
৬) আফগানিস্তানে ১৫ লক্ষ মুসলিম হত্যা।
৭) পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে ১০ লক্ষ মানুষ হত্যা।
৮) ভিয়েতনামে ১০ লক্ষ মানুষ হত্যা।
৯) লেটিন আমেরিকার দেশগুলোতে দেড় লক্ষ মানুষ হত্যা।
(সূত্র: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত বই Black Book of Communism.
সোভিয়েত রাশিয়ায় লেলিন-স্টেলিনের যুগে চালানো নির্যাতন ও প্রাণহানীর চিত্রটা একটু দেখুন-
ক) ১৯১৮-১৯২২ সালের মাঝামাঝি ‘বিপ্লব’ পরবর্তী সময়ে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় লক্ষ লক্ষ শ্রমিক হত্যা।
খ) কৃষকদের উপর লেলিনের অত্যাচার ও কৃষি ব্যবস্থায় সমাজতান্ত্রিক দর্শন প্রয়োগের ফলে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে ১৯২১ সালে ৫০ লক্ষ লোকের প্রাণহানী।
গ) ১৯২০ সালে ডন কোসাকদের হত্যা ও নির্বাসন।
ঘ) কারাগারগুলোতে ১৯১৮-১৯৩০ সালের মাঝামাঝি হাজার হাজার বন্দিকে হত্যা।
ঙ) ‘৩০ দশকের শেষ দিকে সমাজতন্ত্র বিরোধী প্রায় ৬ লক্ষ ৯০ হাজার লোকের গণহত্যা। (১৯৮৮ সালে বেলারুশের রাজধানী মিনস্কের বাইরে প্রায় ৩০ হাজার লোকের একটি গণকবর আবিষ্কৃত হয়। জায়গাটিতে ১৯৩৭-১৯৪১ সালে একটি সোভিয়েত রাজনৈতিক বন্দিশিবির ছিল। )
চ) ১৯৩০-১৯৩২ সালের মাঝামাঝি ২০-৩০ লক্ষ তথাকথিত ‘কুলাকদের’ নির্বাসন।
ছ) ১৯৩২ এবং ১৯৩৩ এর দুর্ভিক্ষে ৪০ লক্ষ ইউক্রেনিয়ানসহ ৬০ লক্ষ লোকের মৃত্যু।
ঞ) ১৯৩৯-১৯৪১ এবং ১৯৪৪-১৯৪৫ সালে ২ লক্ষ ইউক্রেনিয়ান, ২ লক্ষ ১০ হাজার পোলিশ এবং বাল্টিক সাগর তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ২ লক্ষ লোকের নির্বাসন।
ট) ১৯৪৩ সালে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ক্রিমিয়ান মুসলিম তাতারদের নির্বাসন। এদের মধ্যে ১ লক্ষ ৫০ থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার তাতার নির্বাসনের প্রথম ২ বছরেই মারা যায়।
ঠ) ১৯৪৪ সালে ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার চেচেন মুসলমানদের নির্বাসন।
ড) ১৯৪৪ সালে ৯১ হাজার ইংগুশ মুসলমানদের নির্বাসন।
(সূত্র: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত বই Black Book of Communism)
উপরের জ্যাজ্জ্বল্য ইতিহাসই প্রমাণ করে কাফিররাই সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী। তাই নাস্তিক তথা কাফিরদের নামের পূর্বেই ‘সন্ত্রাসী’ বিশেষণ লাগানো দরকার।
-মুহম্মদ আব্দুর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (৫)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৬)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
কদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত হযরত ইমাম পরিবার আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে অবরোধ ও ফোরাত নদীর পানি পান করতে বাধা প্রদান
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১০)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কারবালার ঘটনার জন্য মালউন ইয়াযিদ লানতুল্লাহি আলাইহি দায়ী এবং সে কাফির (২)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব-শরাফত বজায় রাখতে হবে
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












