ফিলিস্তিনে পবিত্র রোযা, খুশি প্রকাশের বদলে টিকে থাকার সংগ্রাম
, ২রা রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২২ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) বিদেশের খবর
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যে শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান শরীফ, কিন্তু গাজার ফিলিস্তিনিরা এখন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। দীর্ঘ যুদ্ধ, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে রমজান শরীফ মাসের পবিত্র আমলসমূহের স্বাভাবিক আনন্দ প্রতিটা ফিলিস্তিনির কাছেই হারিয়ে গেছে।
রমজান শরীফে ইবাদত, আত্মসমালোচনা, দান-সদকা, একসঙ্গে ইফতার করা, একসাথে তারাবীহ আদায় ইত্যাদি পৃথিবীর সমস্ত মুসলিম-অমুসলিম দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে উদযাপিত হলেও গাজার পরিস্থিতি ভিন্ন; বহু মানুষ প্রিয়জন হারিয়েছেন এবং প্রতিদিনের জীবনযাপনই হয়ে উঠেছে চ্যালেঞ্জিং।
২০২৩ সালের অক্টোবরের হামলার পর হামাস ও সন্ত্রাসী ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ গাজাকে ব্যাপক ধ্বংসস্তূপের নগরীতে পরিণত করেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ যুদ্ধে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং ৯৯% মানুষই বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
বাজারে গেলে দেখা যায়, মানুষের হাতে টাকা নেই এবং কাজের সুযোগও সীমিত। ফলে রমজান শরীফের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে রমজান শরীফ আসলে রাস্তা আলোকসজ্জায় সজ্জিত হতো, শিশুদের মুখে আনন্দ থাকতো, কিন্তু এবার সেই পরিবেশ হারিয়ে গেছে।
গত বছর সন্ত্রাসী ড্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যক্রম শুরু হলেও, গাজায় এখনো প্রতিদিনই গোলাগুলি ও হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে নতুন করে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।
তবু কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও কিছু ফিলিস্তিনি রমজান শরীফকে স্বাগত জানাতে ব্যবস্থা নিয়েছেন। খান ইউনিসে ধ্বংসস্তূপের মাঝে শিল্পী হানি দাহমান দেয়ালে আরবিতে লিখেছেন ‘রমাদ্বানুল মুবারক’।
শিশুদের জন্য ছোট ছোট আলোকসজ্জাও ঝুলানো হয়েছে, যেন সংকটময় পরিবেশের মাঝেও কিছুটা আশা ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা যায়। এই প্রচেষ্টা দেখায়, যুদ্ধের ছায়া থাকা সত্ত্বেও মানুষ আত্মিক শক্তি ও ঐক্য ধরে রাখতে চায়।
রমজান শরীফের প্রথম তারাবীহতে দেখা গিয়েছে, ফিলিস্তিনিরা নানাভাবে দোয়া, দান ও একে অপরের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও মানসিক শান্তি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। যুদ্ধ, ধ্বংস ও দারিদ্রের ছায়া থাকলেও, এই মাসটি ভবিষ্যতে তাদের জন্য অভিশপ্ত ইসরায়েলের কড়ালগ্রাস থেকে মুক্তি দিবে এটাই প্রত্যাশা ফিলিস্তিনবাসীর।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইসরাইলের অর্থনীতিতে চরম বিপর্যয়
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হামাসের বীরত্ব:
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এবার সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
উত্তেজনা কমাতে সৌদি আরবের সঙ্গে সংলাপে বসতে চায় ইরান
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের পাইলট-ক্রুদের ওপর সন্ত্রাসী ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা, কার্যকর করলো এয়ার ফ্রান্স
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পানামায় ফের ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসরাইলী সন্ত্রাসী সেনাদের মানসিক সমস্যা, আত্মহত্যা, পালানোর প্রবণতা বৃদ্ধি
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হামাসের বীরত্ব:
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হামাসের বীরত্ব:
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইসরায়েল যুদ্ধক্ষেত্রে কখনোই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না’
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যুদ্ধ চলতে থাকলে সবকিছু হারাবে সৌদি আরব : ইরানের বিশ্লেষক
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












