নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ৪০ দিন পর্যন্ত আবদ্ধ রাখে মহান আল্লাহ পাক তিনি তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন।” নাঊযুবিল্লাহ!
প্রতিনিয়ত প্রতিটি পণ্যের মূল্য বেড়েই চলছে। যা জনগণের জন্য কষ্টের কারণ। জনগণের সহানুভূতির লক্ষ্যে প্রতিটি পণ্যের মূল্য সহনশীল ও নাগালের মধ্যে রাখা সরকার ও ব্যবসায়ীদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য। কেননা, অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে দ্রব্যসামগ্রী মজুদ করে বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়ানো পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িজ। নাউযুবিল্লাহ!
তাই সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- যারা অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী মজুদ করছে এবং যারা বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়াচ্ছে তাদেরকে দ্রুত চিহ্নিত করে তাদের ব্যাপারে অতিসত্বর কঠোর ব্যবস্থা নেয়া।
, ০৩ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৬ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি যারা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় দ্রব্যসামগ্রী মজুদ করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে তাদের পরিণতি সম্পর্কে বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “খাদ্যশস্য দুর্মূল্য হলে বিক্রয় করে অধিক লাভবান হওয়ার আশায় যে ব্যক্তি ৪০ দিন যাবৎ খাদ্যশস্য আটকায়ে রাখে; তার পাপ এতো অধিক যে, সমস্ত খাদ্যশস্য গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করে দিলেও পাপের প্রায়শ্চিত্ত হবে না।” নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ৪০ দিন পর্যন্ত আবদ্ধ রাখে মহান আল্লাহ পাক তিনি তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন।” নাঊযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একবার কোনো এক মজুদকারী সম্বন্ধে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে সংবাদ দেয়া হলে তিনি বলেন, “অগ্নিসংযোগে তার গোলা (গুদাম) ভস্মীভূত করে দাও। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পাশাপাশি যারা অসৎ ব্যবসায়ী তাদের সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “অসৎ ব্যবসায়ীদের হাশর-নশর হবে ফাসিক-ফুজ্জারদের সাথে।” নাঊযুবিল্লাহ! তাই সকলের উচিত হক্ব ও হালালভাবে ব্যবসা করা। অধিক মুনাফা লাভের বা মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে দ্রব্য-সামগ্রী মজুদ করে রাখা শুধু হারামই নয়, বরং সাথে সাথে হক্কুল ইবাদ নষ্ট করারও কারণ যা প্রকৃতপক্ষে সম্পূর্ণরূপে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- যারা অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে চাল, ডাল, তেল, গুড়, চিনি, চিড়া, লেবু, ছোলা ডিম, তরি-তরকারী ইত্যাদিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী মজুদ করে বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়াচ্ছে তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের ব্যাপারে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া। তবে শুধুমাত্র আইনের বল প্রয়োগেই এ মজুদদারী প্রবণতা রোধ করা যাবে না। কারণ মানুষের তৈরি আইনের দ্বারা মানুষ সহজেই পার পেয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে অত্যাবশ্যকীয় হলো- মানুষের যিনি মহান রব তায়ালা অর্থাৎ খালিক্ব ও মালিক মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি অনুগত হওয়া ও উনার ভয় পোষণ করা এবং এ সম্পর্কিত মূল্যবোধ ও চেতনা জাগ্রত করা ও প্রয়োজনীয় ইলম হাছিল করা। আর এজন্য আবশ্যক হচ্ছে হক্কানী-রব্বানী আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের হাতে বাইয়াত গ্রহণ করে সবক নিয়ে যিকির-আযকার ও ছোহবত ইখতিয়ারের মাধ্যমে ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করে ইছলাহ বা পরিশুদ্ধতা লাভ করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পৃথিবীর সমস্ত মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- ইহুদী, মুশরিক, নাছারা তথা বিধর্মী ও নাস্তিকদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকা। সমস্ত কাফির-মুশরিকরাই মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু এবং মুসলমানদেরও শত্রু। তন্মধ্যে ইহুদী ও মুশরিকরা হচ্ছে সবচেয়ে বড় বা ঘোরতর শত্রু। নাঊযুবিল্লাহ!
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের নির্দেশ মুবারক মুতাবিক পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই পর্দা করা ফরয। বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ ইজ্জত-সম্মান সম্ভ্রম হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। শুধুমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত হুকুম শরয়ী পর্দা পালনের মাধ্যমেই এর থেকে বেঁচে থাকা যেমন সম্ভব তেমন সমস্ত ফিতনা-ফাসাদ বন্ধ করাও সম্ভব।
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নিয়ামত মুবারকসমূহের মধ্যে পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অন্যতম। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার ৫, ৭, ৯, ১১, ১২, ১৯, ২১, ২২, ২৮ এবং ২৯ তারিখ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি “ইছনাইনিল আযীম শরীফ” (সোমবার) মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করার কারণে এ মুবারক দিবসটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। তাই কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- প্রতিটি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ইছনাইনিল আযীম শরীফ উনাকে মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হিসেবে উদযাপন করা। সুবহানাল্লাহ!
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং নিজেই দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি বান্দা-বান্দীদেরকেও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ দায়িমীভাবে পালন করার নির্দেশ মুবারক প্রদান করেন। সুবহানাল্লাহ!
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৮শে রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ ভাই সাইয়্যিদুনা হযরত আখূ রসূলিল্লাহ মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। তাই প্রত্যেক মুসলমান এবং বাংলাদেশ সরকারসহ পৃথিবীর সমস্ত দেশের সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যতার সাথে অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও পবিত্র দুয়া-মুনাজাত শরীফসহ উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনার মাধ্যমে এ বরকতময় দিবসটি পালন করা। পাশাপাশি মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা।
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করো না।” প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- খেলাধুলা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় হতে বেঁচে থাকা। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ তিলাওয়াতকারী কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না, খেলা দেখতে পারে না, খেলা সমর্থন করতে পারে না এবং পবিত্র ঈমান উনার আলোকে খেলাকে বরদাশতও করতে পারে না। কারণ, সমস্ত প্রকার খেলাধুলাই বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। নাউযুবিল্লাহ!
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আমেরিকা, ইসরাইল, ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানী অর্থাৎ ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, ভারত, মায়ানমারসহ সমস্ত বিধর্মী রাষ্ট্রগুলোই প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। কেননা এরাই সারাবিশ্বের মুসলিম এবং অমুসলিম দেশগুলোতে অন্যায়ভাবে কোটি কোটি মুসলমানদেরকে শহীদ করেছে এবং করছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই সন্ত্রাসী তালিকার প্রথম কাতারেই এসব দেশের নাম রয়েছে।
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ।
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই দুআ মু’মিনের তরবারী বা অস্ত্র স্বরূপ। সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। তাই, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্তে মুসলমানদের জন্য নেক দুআ এবং ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে শক্ত বদ দুআ করা।
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশে পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে রবীউছ ছানী শরীফ ১৪৪৮ হিজরী, ১২ই খমীস ১৩৯৪ শামসী, ১১ই অক্টোবর ২০২৬ খৃঃ. ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) দিবাগত সন্ধ্যায়। প্রতি আরবী মাসের বিশেষ বিশেষ দিনসমূহ সম্পর্কে জানার জন্য বর্ষপঞ্জিকার ব্যবহার অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৩শে রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বরকতময় নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উক্ত দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার মুবারক গোলামীতে যথাযথ আঞ্জাম দেয়া।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












