মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ফযল মুবারক ও মহাসম্মানিত রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করতে হলে নিজেকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে হবে। তাই, প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন ইশার নামাযের পর ১০০ বার এবং পবিত্র ফজর নামাযের পর ১০০ বার ত্বরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র দরূদ শরীফ নিয়মিত পাঠ করা, শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে খেয়ালের দ্বারা দায়েমীভাবে পবিত্র পাছ আনফাছ যিকির এবং ত্বরীক্বা অনুযায়ী প্রতিদিন কমপক্ষে ১ ঘন্টা ক্বলবী যিকির করা।
, ১৯ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ১১ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৬ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, এখন এ হাক্বীক্বীভাবে খুশি প্রকাশ করার ক্ষেত্রে দু’টি বিষয় বাধা স্বরূপ। প্রথমত, গাফলতি। দ্বিতীয়ত, বখীলি। গাফিলদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তারা পশুর ন্যায়। বরং তার চেয়েও অধম। তারাই হচ্ছে গাফিল।’ অর্থাৎ, গাফিলরা পশুর চেয়েও অধম। আর বখীলদের সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বখীল ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু। একটা পশুই যেখানে ইবাদত-বন্দেগী করতে পারেনা, সেখানে পশুর চেয়েও অধম কিভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করবে? একইভাবে বখীল ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু। শত্রুর পক্ষে তো কখনোই হাক্বীক্বীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা সম্ভব নয়। তাই, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করার জন্য নিজেকে প্রস্তত করতে হবে। এ জন্যই পশুর চেয়েও অধমকে হাক্বীক্বী বাশার বা মানুষ হতে হলে সর্বপ্রকার গাফলতি দূর করতে হবে। পাশাপাশি মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু থেকে বন্ধুতে পরিণত হতে হলে বখীলি তরক করে হাক্বীক্বী সাখাওয়াতী গ্রহণ করতে হবে।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, গাফলতি ও বখীলি দূর করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ক্বলবী যিকির। যে বিষয়টি ইলমে তাছাউফের ভাষায় বলা হয়, কামিল শায়েখ উনার কাছে বাইয়াত হয়ে উনার পবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে উনার নির্দেশনা অনুযায়ী যিকির-ফিকির করে এবং আদেশ-নিষেধ পালনের মাধ্যমে ফয়েজে ইত্তিহাদী হাছিল করে প্রত্যেককে আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হতে হবে। যা প্রত্যেকের জন্যই ফরয।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আমাদের সিলসিলায় যারা বাইয়াত হয়েছে বা দাখিল হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের জন্য কয়েকটি বিষয় বাধ্যতামূলক। প্রথমত, প্রতিদিন ইশার নামাযের পর ১০০ বার ত্বরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে। ইশা বা’দ পবিত্র দুরুদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে অন্তরে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক পয়দা হবে। উনার মুহব্বত-মা’রিফত, তায়াল্লুক্ব ও যিয়ারত মুবারক নসীব হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিদিন পবিত্র ফজর নামাযের পর ১০০ বার ত্বরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে। ফজর বা’দ পবিত্র দুরুদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে অন্তরে হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার মুহব্বত মুবারক পয়দা হবে। উনার মুহব্বত-মা’রিফত, তায়াল্লুক্ব ও যিয়ারত মুবারক নসীব হবে। তৃতীয়ত, শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে খেয়ালের দ্বারা দায়েমীভাবে পবিত্র পাছ আনফাছ যিকির করতে হবে। শ্বাস ফেলবার সময় “লা ইলাহা” এবং শ্বাস ভিতরে টানবার সময় “ইল্লাল্লাহ্” খেয়াল করতে হবে। পবিত্র পাস-আনফাস যিকির দ্বারা অন্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মুবারক পয়দা হয়ে, দুনিয়ার মুহব্বত দূর হবে, বিপদ-আপদ ও বালা-মুছিবত দূর হবে, রিযিকে বরকত হবে, মৃত্যৃর সময় ঈমান নসীব হবে। চতুর্থত, ত্বরীক্বা অনুযায়ী ওযীফা শরীফের কিতাব হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার কাছ থেকে দাগিয়ে নিয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ ঘন্টা ক্বলবী যিকির করতে হবে।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আবশ্যকীয় এ চারটি বিষয় সালিক যখন যথাযথভাবে পালন করবে, তখনই সালিক ফয়েজে ইত্তেহাদী লাভ করতে পারবে। তখন অন্তরের গালিজ দূর হবে, মুহলিকাত দূর হবে, বখিলী দূর হবে, গাফলতি দূর, পশুর চেয়েও নিবোধ ভাব দূর হবে। সাথে সাথে মুনজিয়াত পয়দা হবে, সাখাওয়াতী পয়দা হবে, দায়িত্ব সচেতনতা তৈরী হবে, সালিক হাক্বীক্বী বাশার হিসেবে গড়ে উঠবে, সর্বপোরি তায়াল্লুক্ব-নিসবত প্রতিষ্ঠিত হবে। তখনই হাক্বীক্বীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অতিব সহজ ও সম্ভব হবে। তখনই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ১২ই শরীফ সর্বাধিক খুশি প্রকাশের মাধ্যমে মুহব্বত ও ঈমানের বহিপ্রকাশ ঘটবে। তখন সারা বছরের আয়োজন ও প্রস্তুতি সার্বিকভাবে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ পবিত্র ১২ই শরীফ উনার জন্য উজাড় করে ব্যয় করা সম্ভব হবে।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করতে হলে নিজেকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে হবে। তাই, প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন ইশার নামাযের পর ১০০ বার এবং পবিত্র ফজর নামাযের পর ১০০ বার ত্বরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র দরূদ শরীফ নিয়মিত পাঠ করা, শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে খেয়ালের দ্বারা দায়েমীভাবে পবিত্র পাছ আনফাছ যিকির এবং ত্বরীক্বা অনুযায়ী প্রতিদিন কমপক্ষে ১ ঘন্টা ক্বলবী যিকির করা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রত্যেক সালিক বা মুরীদের জন্য নিজ ত্বরীক্বার পবিত্র শাজরা শরীফ সম্পর্কে অবহিত হওয়া বা জানা আবশ্যক। যে ব্যক্তি মুরীদ হয়েও তার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার “পবিত্র শাজরা শরীফ বা সিলসিলা” সম্বন্ধে অবগত নয়, সে ব্যক্তির মুরীদ হওয়া অর্থহীন।
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
রঊফুর রহীম, হারীছুন আলাল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতবাসীর সমস্ত আরজী পূরণ করেন। তাই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে খাছভাবে রুজু হওয়া ও খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিল করা।
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যারা কিতাব উনার উপর দায়িম-ক্বায়িম থাকবে অর্থাৎ কিতাব উনার আদেশ-নিষেধ মেনে চলবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে উপর থেকে এবং পায়ের নিচ থেকে কুদরতী রিযিক দান করবেন। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করে, উনার প্রতি তাওয়াক্কুল করে, উনার শোকরগুজারী করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে হাক্বীক্বী মু’মিন-মুত্ত্বাক্বী হওয়া।
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হায়াত, মাল-সম্পদ এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হক্ব যারা আদায় করবেনা, তাদেরকে কিয়ামতের দিন অসহায় বকরীর ন্যায় উপস্থিত করা হবে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে গুনাহর কাজ করা থেকে বিরত থাকা। মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত নিয়ামতসমূহের যথাযথ হক্ব আদায় করা অর্থাৎ হায়াতকে নিয়ামত মনে করে মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকা।
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পরকালের তুলনায় দুনিয়াবী সম্পদ অতি সামান্য। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়ার পিছনে না ঘুরে পরকালের দিকে মনোনিবেশ করা। এ জন্য তাক্বওয়া বা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করা। আর এটা তখনই সম্ভব হবে যখন মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারকের ইত্তেবা বা অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ পবিত্র সুন্নত মুবারক মুতাবিক জীবন পরিচালনা করতে হবে।
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মূল্যহীন। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে হাক্বীক্বীভাবে তথা ইখলাছের সাথে নামায আদায় করা এবং উক্ত নামায দ্বারা সমস্ত গুনাহর কাজ থেকে বেঁচে থাকা।
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র সালাম শরীফ পেশ করেন ও উনার পবিত্র যিকির শরীফ বা পবিত্র আলোচনা মুবারক করেন।
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তাজবীদ অনুযায়ী তারতীলের সাথে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা ফরয। তাই তাজবীদ শিক্ষা করাও প্রত্যেকের জন্য ফরয। প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরয হচ্ছে- বিশুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত নিজে শিক্ষা করা ও বেশি বেশি তিলাওয়াত করা এবং অধিনস্তদেরকে শিক্ষা দেয়া ও বেশি বেশি তিলাওয়াত করতে ব্যবস্থা করে দেয়া।
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলিম উম্মাহ সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা পোষণ করা। কেননা উনারা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের মাক্বাম মুবারকে অনন্যা। যে বা যারা বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করে উনাদের যত বেশি তা’যীম-তাকরীম, সম্মান করবে এবং উনাদের অনুসরণ -অনুকরণ করার কোশেশ করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকেও ততখানি মর্যাদা দান করবেন অর্থাৎ সেও মর্যাদাবান হয়ে যাবে।
০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার রোযার ইফতারীর সময় যে ব্যক্তি তিনবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করবে, তার পূর্বের গুনাহখতাসমূহ ক্ষমা করা হবে এবং তার রিযিকে বরকত দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ!
০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












