পবিত্র মুহররমুল হারাম মাসকে একমাত্র বিদয়াতী ধর্মব্যবসায়ীরাই নববর্ষ হিসেবে উদযাপন করতে বলে
, ২৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ২৯ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহিলাদের পাতা
হিজরী বর্ষের প্রথম মাস পবিত্র মুহররমুল হারামকে কথিত ‘হিজরী নববর্ষ’ হিসেবে উদযাপন করার জন্য কতিপয় নব্য বিদয়াতী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’ যেন কোমর বেঁধে নেমেছে। তাদের কথা হলো, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ হওয়া সত্ত্বেও কেনো এদেশে হিজরী নববর্ষকে বরণ করতে উলামায়ে কিরাম ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন না।
তারা পত্রিকায় “স্বাগতম হিজরী নববর্ষ” শিরোনামে লিখা পত্রস্থ করে বলে যে, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আলিম উলামা, পীর-মাশায়িখ ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের বুদ্ধিজীবিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে হিজরী নববর্ষ পালনের আয়োজন করতে হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
অথচ ইসলামী শরীয়তে কোনো ধরনেরই নববর্ষ পালন করা, সেটাকে সমর্থন করা, নববর্ষের জন্য সাহায্য সহযোগিতা করা সম্পূর্ণরূপে হারাম। তাই কোনোকালেই মুসলমানদের মধ্যে হিজরী নববর্ষ পালনের কোনো রেওয়াজ চালু হয়নি। হিজরী বর্ষের প্রথম মাস পবিত্র মুহররম মাসের যে গুরুত্ব-তাৎপর্য তা মূলত পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার সুস্পষ্ট নির্দেশনার আলোকেই। কারণ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যে চারটি মাসকে হারাম বা পবিত্র বলে ঘোষণা করেছেন তার মধ্যে পবিত্র মুহররমুল হারাম অন্যতম।
উল্লেখ্য, এই পবিত্র মুহররম মাসের ১০ তারিখ এমন একটি ঐতিহ্যম-িত বরকতময় দিন যার সাথে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা জড়িত। যার কারণে ১০ তারিখ অর্থাৎ পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উদযাপনের রীতি আদি যুগ থেকেই হয়ে আসছে। অপরদিকে বিভিন্ন জাতির মধ্যে নববর্ষ উদযাপনের যে বেশরা রীতি চালু আছে তার উদ্ভব ঘটেছে মজুসী-মুশরিকদের দ্বারা। সেটাকেই এখন মুসলমানগণ নিজেদের মাঝে হিজরী নববর্ষ উৎসব নামে চালু করার আধুনিক বিদয়াতে লিপ্ত হয়েছে। আর এর যার প্রবর্তক হচ্ছে, ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’ গং। মুসলমানদেরকে এই নব্য ফিতনা বর্জন করে পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ পালন করার জন্য জোর প্রস্তুতি গ্রহণের ঈমানী আহবান জানাচ্ছি।
- মেহরোমা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হীলাহ্ বিবাহ এবং তার শরয়ী ফায়সালা (৪)
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করা কাট্টা কুফরী
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের- সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভের জন্য সন্তান প্রতিপালন করা সুন্নত (৪)
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“যিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তিনি মূলত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলেন”
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশতে প্রবেশ করবে না
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মেহমানদারী করার মাধ্যমে সম্মানিত শাফায়াত মুবারক লাভ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












