মন্তব্য কলাম
পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালন করা কী অপরাধ? সংবিধান কী পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালনের সুযোগ দেয়নি? পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে কী বেপর্দা ও ছবির বিরুদ্ধে বলা হয়নি?
তাহলে কী রাষ্ট্রযন্ত্রের উচিত নয়- ছবি না তুলে, বেপর্দা না হয়ে দ্বীনদার মুসলমানরা যাতে সাংবিধানিক সুযোগ পায় সে অধিকার সংরক্ষিত করা। প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করা।
, ১৫ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
আমি যদি মুসলমান দাবি করি তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা দাবি করে ইবাদত-বন্দেগী করি; তবে কী তা রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ?
আমি যদি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবি করে সুন্নত মুবারক পালন করি; তবে তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি কী পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার আমল করতে পারবো না?
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আমল করতে গেলে কী রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে বাধা দিবে? আমি কী পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার আমল করতে পারবো না?
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে যা করতে নিষেধ করা হয়েছে- রাষ্ট্রযন্ত্র কী তা পালন করতে আমাকে বাধ্য করবে? রাষ্ট্রযন্ত্র কী তা পারে? রাষ্ট্রযন্ত্রের পরিচালনা নীতি হচ্ছে সংবিধান। আর সংবিধানের ৪১(১)(ক) ধারায় বর্ণিত হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিকের যে কোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে। যদি তাই হয়ে থাকে, তবে মুসলমান হিসেবে আমার পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশের এবং পালনের পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
কিন্তু আমি মুসলমান হলাম কী করে? পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে পালন করলেই তবে আমি মুসলমান।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে মহিলারা! তোমরা তোমাদের ঘরে অবস্থান করো; এবং আইয়্যামে জাহিলিয়াতের মেয়েদের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে রাস্তায় বের হয়ো না। ” নাউযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৩)
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা মুবারক করেন। তিনি বলেছেন- “দাইয়ুছ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ” নাউযুবিল্লাহ! (কানযুল উম্মাল)
এ প্রসঙ্গে আরো বর্ণিত হয়েছে, হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার নিকট বিশ্বস্ত সূত্রে পৌঁছেছে যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি লা’নত করেন, (ইচ্ছাকৃত) দৃষ্টিকারী এবং যে (ইচ্ছাকৃতভাবে) দৃষ্টিতে পতিত হয় তার প্রতি। ” নাউযুবিল্লাহ! (বায়হাক্বী শরীফ)
উপরে উল্লেখিত পবিত্র আয়াত শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে আমার প্রশ্ন হলো- আমি যদি বেপর্দা হই; তাহলে কী আমার দ্বারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালন হবে?
আমি কী পবিত্র কুরআন শরীফ উনার উপর আমল করেছি- এ কথা বলা যাবে? আমি কী পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে পালন করেছি সে কথা বলা যাবে? আর আমি যদি পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে পালন না করি, তাহলে আমাকে মুসলমান বলা যাবে কি? আর আমাকে যদি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিরোধী আমল করতে রাষ্ট্রযন্ত্র বাধ্য করে, তাহলে রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে মুসলমান থাকতে সহায়তা করেছে- একথা বলা যাবে কি?
রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালনের অধিকার দিয়েছে- একথা বলা যাবে কি? রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে আমার ধর্ম পালনের সুযোগ দিয়েছে- একথা বলা যাবে কি? রাষ্ট্রযন্ত্র আমার ধর্মীয় অধিকার দিয়েছে- সে কথা বলা যাবে কি? রাষ্ট্রযন্ত্র সংবিধানের ৪১ (১) ধারা পালন করেছে- সে কথা বলা যাবে কি? অপরদিকে শুধু বেপর্দার বিরুদ্ধেই নয়; ছবি তোলার বিরুদ্ধেও হাজার হাজার পবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছে।
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে ওই ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তি দেবেন, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে। ”
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলতে হয়- একজন নারী হিসেবে আমি শুধু যে বেপর্দা হতে পারি না, তাই নয়। পাশাপাশি আমি ছবিও তুলতে পারি না। আর ছবি তুললে আমার জন্য শুধু ছবি তোলার মতো জঘন্য গুনাহই হবে না; পাশাপাশি হাজার হাজার বেপর্দা কবীরাহ গুনাহও হবে। কারণ যতজন পুরুষ আমার ছবি দেখবে, যতক্ষণ দেখবে, ততক্ষণ তত মারাত্মক কবীরাহ গুনাহ আমার হতে থাকবে। তাতে কী আমার দ্বারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আমল পালিত হবে? অবশ্যই না। আর তাতে আমি মুসলমান থাকতে পারবো না। কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করো। ” তাহলে আমার উপায় কী? এ বিষয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র ভেবে দেখবে কী?
রাষ্ট্রযন্ত্র যদি মুসলমান হিসেবে আমার দ্বীনি অধিকার দিতে চায়, তবে রাষ্ট্রযন্ত্র যেন ছবি তোলার বাধ্যবাধকতা না রাখে।
বরং সরকার এক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যবস্থা রাখতে পারে। যে ব্যক্তি সম্মানিত শরীয়ত উনাকে পরিপূর্ণভাবে মানতে চান, তিনি ছবি না তুলে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারেন।
আমরা বহির্বিশ্বের দিকে তাকালে দেখতে পাই- বিধর্মীরা যারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে স্বীকার করে না, তাদের মত অনুযায়ী ছবি তুললে কোনো গুনাহ নেই (নাঊযুবিল্লাহ), তারপরেও তারা ছবি না তুলে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে কাজ করে। আর আমরা তো মুসলমান। আমরা কেন পারবো না- ছবি না তুলে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে কাজ করতে। সরকারের প্রতি আমরা মহিলাদের আবেদন- সরকার যেন ছবি না তুলে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সার্বিক কাজ করার সুযোগ দেন। আর এই সুযোগের সুবিধার মাধ্যমে আমার মতো হাজার লক্ষ নারী তাদের ইজ্জত আবরু হিফাযত করে রাষ্ট্রযন্ত্র তথা সংবিধান কৃর্তক দেয়া মৌলিক অধিকারসহ সার্বিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পর্দানশীন নারীরা তাদের স্বামীর নমীনী বা ওয়ারিসস্বত্বে প্রাপ্ত সম্পদের মালিক হতে পারবে। তাদের নামে সম্পত্তি রেজিষ্ট্রি হতে পারবে, নামজারি হতে পারবে। যা এখন পারছে না।
-আমাতুর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানদের উপর নিপীড়ন, নির্যাতন, উচ্ছেদ, বৈষম্য আর মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংসের উৎসব করে রাষ্ট্রয়ী সন্ত্রাস করে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তাহলে তারা ‘আসাম’ বাংলাদেশের কাছে প্রত্যার্পন করুক। আর আসামের মুসলমান তো সব মরছেই। তাহলে তারা বিদায় হজ্জের ভাষণ অনুযায়ী তাদের জান-মাল রক্ষায় জিহাদে অবতীর্ন হোক।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












