মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক উনার উপর দৃঢ় থাকো, আর গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না। ”
পবিত্র কুরবানী আসলেই একটি মহল যানজট সৃষ্টি ও পরিবেশ নষ্টের মিথ্যা অজুহাত দিয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমাতে চায় ও শহরের বাইরে নিতে চায়। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- কুরবানী বিদ্বেষী মহলের সব ধরণের মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা বন্ধ করে দিয়ে কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করে শহরের প্রত্যেক এলাকায় কুরবানীর পশুর হাটের ব্যবস্থা করে দেয়া।
, ২৩ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৩ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ২২ মে, ২০২৫ খ্রি:, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানীর সময় নানা অজুহাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল। তার মধ্যে একটি হচ্ছে যানজটের ও পরিবেশ নষ্টের মিথ্যা অজুহাতে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমানো ও শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী উনার বিরোধী একটি মহল অপপ্রচার করে যে, পবিত্র কুরবানী উনার পশুর হাটের কারণে রাজধানীতে যানজট সৃষ্টি হয় ও পরিবেশ নষ্ট হয়। নাউযুবিল্লাহ! তাই তারা যানজট এড়াতে হাটগুলোকে ঢাকার বাইরে নিতে চায়। নাউযুবিল্লাহ! প্রকৃতপক্ষে ‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। কারণ সারা বছর তো গরুর হাট থাকে না, তবে কেন সারা বছর ঢাকা শহরে অসহনীয় যানজট লেগে থাকে? রাজধানীজুড়ে যানজট এটা নিত্য দিনের ঘটনা, সারা বছরই থাকে। রাজধানীতে এমন বহু সড়ক, ফুটপাত, এলাকা আছে যা চলাচলের অযোগ্য, যেখানে সারাবছরই মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। বিশেষ করে রাজধানীজুড়ে যে নির্মাণযজ্ঞ চলছে, তাতে বছরের পর বছর মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়েছে ও হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোড়াখুড়ির কারণে প্রায় সবজায়গায় পানি জমে মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগের খবর প্রতিদিনই পত্রিকান্তরে দেখা যায়।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কথা হচ্ছে- যানজট সমস্যার কারণে যদি মুসলমানদের পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট রাজধানী ঢাকা থেকে অন্যত্র সরাতে হয়, তাহলে অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, গার্মেন্টস-ফ্যাক্টরি কেন ঢাকার বাইরে নেয়া হচ্ছে না, পহেলা বৈশাখের অশ্লীল সমাগমে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় হাসপাতালগুলো (ঢামেক, বারডেম, পিজি) পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, তখন কেন পহেলা বৈশাখের অশ্লীল ও নোংরা অনুষ্ঠানটা ঢাকার বাইরে নেয়া হয় না? বরং তখন বোবা শয়তানের ভূমিকা পালন করে কর্তৃপক্ষ চুপ থাকে। হিন্দুরা যখন দিনের পর দিন রাস্তা বন্ধ করে পূজাম-প তৈরি, পূজা-রথযাত্রা করে, তখন তারা দেখেও না দেখার ভান করে কেন বোবা থাকে? তখন কেন পূজাম-পগুলো শহরের বাইরে সরিয়ে নেয়ার বা ভেঙ্গে দেয়ার উদ্যোগ নেয়না?
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অতএব এটা স্পষ্ট যে- পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট ঢাকার বাইরে নিয়ে যাওয়া উদ্দেশ্যমূলক এবং মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত- পবিত্র কুরবানী বাধাগ্রস্ত করার নামান্তর। বিগত বছর ঢাকা উত্তরের পবিত্র কুরবানীর পশুর প্রায় প্রতিটি হাটই ঢাকা সিটির সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত ছিল, যাদের অবস্থান অনেকটা দুর্গম এলাকায় এবং সেখান থেকে পশু কিনে বাসায় নিয়ে আসা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য ও খরচের ব্যাপারও বটে। অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট দূরে সরিয়ে নেয়ার কারণে কুরবানীদাতাগণ চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন। উল্লেখ্য, তারা যানজটের কারণে জনদুর্ভোগ হবে- এটা চিন্তা করলো; কিন্তু কুরবানী পশুর হাট দূরে সরিয়ে নিলে কুরবানীদাতাদের দুর্ভোগ হবে- এটা কেন চিন্তা করলো না? অথচ তাদের উচিত ছিলো- সর্বপ্রথম কুরবানীদাতাদের দুর্ভোগের বিষয়টি ফিকির করা।
অতএব, সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র কুরবানী বিদ্বেষী মহলের সব ধরণের মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা বন্ধ করে দিয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করে শহরের প্রত্যেক এলাকায় পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের ব্যবস্থা করে দেয়া।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হচ্ছে বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা; যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। তাই কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না। খেলা দেখতে পারে না। খেলার সমর্থনে কোনো আলোচনা করতে পারে না। আর পবিত্র ঈমান উনার আলোকে বরদাশতও করতে পারে না। তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে কি করে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হারাম খেলাধুলা জারি থাকতে পারে?
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহান শান মুবারক সম্পর্কে কটূক্তির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীর অপচেষ্টাকারীদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে সার্বিকভাবে বর্জন করা, আন্তর্জাতিকভাবে তাদের উপর শক্ত চাপ প্রয়োগ করা।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে সমস্ত বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আ’শার আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আওলাদে রসূল, ত্বহিরা, ত্বয়্যিবা সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াদী আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস উপলক্ষে মাহফিল করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস- সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ঘোষণা অনুযায়ী- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ খলীফা হিসেবে মনোনীত “পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার-প্রসারকারীগণ”। সুবহানাল্লাহ! আর সে লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন, তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র ফজর থেকে আগামী ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করতে হবে। তাকবীরে তাশরীক হলো- ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত রাতটিই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার সম্মানিত রাত। সুবহানাল্লাহ! আর ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর ঈদ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- পবিত্র কুরবানীর পশু ছুরি দিয়ে হাতে জবাই করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত এবং অশেষ ফযীলতের কারণ। পবিত্র কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করলে তাতে পবিত্র কুরবানী ছহীহ হবে না। কারণ কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করা শরীয়তসম্মত নয়।
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












