ফতওয়া
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৩৯)
, ২২ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ফতওয়া বিভাগ
(২৮০)
اَلْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا.
অর্থ: আজ (পবিত্র বিদায় হজ্জে আরাফার দিন) আমি তোমাদের জন্য তোমাদের পবিত্র দ্বীন উনাকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার পবিত্র নিয়ামত সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং সম্মানিত ইসলাম উনাকে তোমাদের পবিত্র দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) হিসেবে মনোনীত করে সন্তুষ্ট হলাম। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩)
(২৮১)
يَهْدِي بِهِ اللهُ مَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَهٗ سُبُلَ السَّلَامِ وَيُخْرِجُهُمْ مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِهٖ وَيَهْدِيهِمْ إِلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
অর্থ: উনার (সাইয়্যিদুল্ মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি এবং উনার আনিত পবিত্র দ্বীন ইসলাম) দ্বারা মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি উনার সন্তুষ্টি তালাশকারীদেরকে শান্তির পথ প্রদর্শন করেন এবং স্বীয় নির্দেশে উনাদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে আসেন এবং সরল-সঠিক পথে পরিচালনা করেন। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
(২৮২)
وَمَنْ لَمّْ يَحْكُمْ بِمَا أنْزَلَ اللهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ
অর্থ: মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি যা (সম্মানিত শরীয়ত) নাযিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা বিচার-ফায়ছালা করে না তারা কাফির। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৪)
(২৮৩)
وَمَنْ لَّمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ
অর্থ: মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি যা (সম্মানিত শরীয়ত) নাযিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা বিচার-ফায়ছালা করে না তারা যালিম বা অত্যাচারী। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৫)
(২৮৪)
وَمَنْ لَّمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ.
অর্থ: মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি যা (সম্মানিত শরীয়ত) নাযিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা বিচার-ফায়ছালা করে না তারা ফাসিক বা পাপী। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭)
(২৮৫)
أُولَئِكَ الَّذِينَ هَدَى اللهُ فَبِهُدَاهُمُ اقْتَدِهْ قُلْ لَّا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٰى لِلْعَالَمِينَ.
অর্থ: উনারা এমন ছিলেন, যাঁদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি পথ প্রদর্শন করেছিলেন। (উনারা হিদায়েতের জন্য কোন বিনিময় গ্রহণ করেননি) অতএব আপনিও বলে দিন, আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না। এটি সারা বিশ্ববাসীর জন্য উপদেশ মুবারক। (পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
(২৮৬)
وَإِنْ أَحَدٌ مِّنَ الْمُشْرِكِينَ اسْتَجَارَكَ فَأَجِرْهُ حَتّٰى يَسْمَعَ كَلَامَ اللهِ ثُمَّ أَبْلِغْهُ مَأْمَنَهٗ ذٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَعْلَمُونَ
অর্থ: মুশরিকদের কেউ যদি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে আশ্রয় দিবেন, যাতে সে মহান আল্লাহ তায়ালা উনার কালাম শুনতে পায়। অতপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিবেন। এটি এজন্য যে এরা এমন সম্প্রদায় যারা জ্ঞান রাখে না। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬)
(২৮৭)
وَالسَّابِقُونَ الْأَوَّلُونَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ وَالَّذِينَ اتَّبَعُوهُمْ بِإِحْسَانٍ رَّضِيَ اللهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ وَأَعَدَّ لَهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي تَحْتَهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا ذٰلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ.
অর্থাৎ, (সম্মানিত ঈমান গ্রহণে) যারা অগ্রগামী, প্রথম মুহাজিরীন (হিজরতকারী) ও আনছার (হিজরতকারী উনাদেরকে সাহায্যকারী) হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে এবং উনাদেরকে যাঁরা (ইমাম, মুজতাহিদ, উলামা-আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম) উত্তমভাবে অনুসরণ করেছেন। মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন, আর উনারাও উনার প্রতি অনুগত হয়েছেন। মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি উনাদের জন্য এমন জান্নাত প্রস্তুত করে রেখেছেন যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত আছে। উনারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবেন। এটাই হলো মহান সফলতা। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০০)
(২৮৮)
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ. مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ.
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনাকে ভয় করো এবং ছাদিক্বীন উনাদের সঙ্গী হয়ে যাও। আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রাধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৯-১২০)
(মাসিক আল বাইয়্যিনাত থেকে সংকলিত।) (চলবে)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৭)
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (৬)
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৬)
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৫)
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৪)
০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৩)
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (৩)
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪২)
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪১)
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (২)
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (১)
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৩৮)
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












