পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রোযার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত
, ০৬ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৩ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ২২ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ০৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহিলাদের পাতা
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রোযার পর মহান আল্লাহ পাক উনার মাস পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ উনার রোযাই হলো শ্রেষ্ঠ।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ)
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন এবং পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ব্যতীত কোনো দিনের রোযা রাখার জন্য এতো অধিক গুরুত্ব দিতে এবং অপর দিনসমূহের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করতে দেখিনি। সুবহানাল্লাহ! (মুত্তাফাকুন আলাইহি)
হযরত কাতাদাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনের রোযা পূর্বের এক বছরের গুনাহ মিটিয়ে দেয়। সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ)
হযরত জাবির ইবনে সামুরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফে রোযা রাখতে নির্দেশ দিতেন এবং আমাদেরকে উৎসাহিত করতেন। এছাড়া ওই তারিখ উপস্থিতকালে তিনি আমাদের খোঁজ রাখতেন (আমরা রোযা রেখেছি কিনা)? সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ)
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি’য়াহ ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চারটি আমল কখনো ছাড়তেন না। ১. পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রোযা, ২. পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার প্রথম ১০ দিন রোযা, ৩. প্রত্যেক মাসের ৩ দিন রোযা এবং ৪. ফযর নামাযের পূর্বের দু’রাকায়াত সুন্নত নামায।
উল্লেখ্য, পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উপলক্ষে রোযা রাখতে হলে ৯, ১০ অথবা ১০, ১১ তারিখ রোযা রাখতে হবে।
-মুফতী মুনছূর আহমদ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র ১০ মুহররমুল হারাম শরীফ দিনটিতে ভালো খাওয়া-পরার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, তাহলে সারা বছর স্বচ্ছলতা লাভ করতে পারবেন
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রাধান্য দিতে হবে
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হীলাহ্ বিবাহ এবং তার শরয়ী ফায়সালা (৩)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করা কাট্টা কুফরী
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব-শরাফত বজায় রাখতে হবে
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
তওবা
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশ্তে প্রবেশ করবে না
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মেহমানদারী করার মাধ্যমে উদযাপনে শাফায়াত মুবারক লাভ
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












