মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি (হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম) উনাদের প্রতি পবিত্র ওহী মুবারক পাঠাতাম।’ সুবহানাল্লাহ!
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের ছহীহ আক্বীদা হলো- সকল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মা’ছূম অর্থাৎ নিষ্পাপ। উনারা যাবতীয় ভুল-ত্রুটি, গুনাহ-খতা হতে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র থেকে পবিত্রতম। সুবহানাল্লাহ! ‘হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ভুল-ত্রুটি, গুনাহ-খতা ও লগজেশ করেছেন, আর পবিত্র আশূরার দিনে উনাদেরকে ক্ষমা করা হয়েছে।’ একথা বলা ও এ আক্বীদা পোষণ করা কাট্টা কুফরী ও চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ।
অতএব, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন এবং সর্বাধিক বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করা।
, ২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের দৃষ্টিতে উপরোক্ত আক্বীদা পোষণ করা বা অনুরূপ বক্তব্য প্রদান করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। মূলত¬ এ ব্যাপারে ছহীহ আক্বীদা হলো- ‘কোনো হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা কখনো কোনো ভুল করেননি। ইচ্ছাকৃত তো নয়ই, অনিচ্ছাকৃতও নয়।’ অর্থাৎ হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা কখনো কোনো ভুলই করেননি। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আক্বাইদ উনার কিতাবে বর্ণিত হয়েছে, “সকল হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনারা মা’ছূম বা নিষ্পাপ।” সুবহানাল্লাহ! আক্বাইদ উনার কিতাবে আরো উল্লেখ আছে, “সকল হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনারা ছগীরা, কবীরা, কুফরী, শিরকী এমনকি অপছন্দনীয় কাজ হতেও পবিত্র।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সকল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ ও মনোনীত বান্দা উনাদের অন্তর্ভুক্ত। আর উনারা প্রত্যেকেই পবিত্র ওহী মুবারক উনার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক স্থানে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আমি উনাদের (হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের) প্রতি পবিত্র ওহী মুবারক পাঠাতাম।” সুবহানাল্লাহ! (সূরা ইউসূফ শরীফ: আয়াত শরীফ ১০৯, সূরা নহল শরীফ: আয়াত শরীফ ৪৩, সূরা আম্বিয়া শরীফ: আয়াত শরীফ ৭) অর্থাৎ হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যাবতীয় কার্যাবলীই পবিত্র ওহী মুবারক উনার দ্বারা (মহান আল্লাহ পাক উনার কর্তৃক) পরিচালিত হতেন। সুবহানাল্লাহ! তাহলে একথা বলা কি করে শুদ্ধ হতে পারে যে, উনারা গুনাহ-খতা বা ভুল করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে তো মহান আল্লাহ পাক উনাকেই দোষারোপ করা হয়। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের গুনাহ-খতা ও ভুল সম্পর্কে যে সমস্ত লোক বলে থাকে, তারা পবিত্র আক্বাইদ সম্পর্কে নিতান্ত অজ্ঞ হওয়ার কারণে ও সঠিক ইতিহাস না জানার কারণে এবং পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সঠিক ব্যাখ্যা না বুঝার কারণেই হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র শান মুবারক সম্পর্কে বেয়াদবীমূলক ও কুফরী কথাবার্তা বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই যেকোনো লোকের জন্যই হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র শান মুবারক উনার বিন্দুমাত্র খিলাফ কথাবার্তা বলা সম্পূর্ণ নাজায়িয, হারাম, কুফরী ও চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ। এ ধরনের কুফরী আক্বীদা ও বক্তব্য থেকে বেঁচে থাকা সমস্ত মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরয। অতএব, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন এবং সর্বাধিক বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে। তাই বিশ্বের মুসলিম-অমুসলিম সকল দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাস উনার চাঁদ শরয়ী নির্দেশ মুবারক মুতাবিক তালাশের ব্যবস্থা করা।
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ। অর্থাৎ পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার)। যা কুল-কায়িনাতের সকলের জন্যই সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ! এ উপলক্ষে সকলের জন্য আবশ্যক হচ্ছে- এই মুবারক দিনে খুশি প্রকাশ করে সাধ্য মতো হাদিয়া পেশ করা, গোসল করা, ভালো খাওয়া, অধিক পরিমাণে পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করা এবং দান-ছদক্বাও করা। আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৮শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং অষ্টম হিজরী শতাব্দির মুজাদ্দিদ, হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং নিজেই দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি বান্দা-বান্দীদেরকেও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার নির্দেশ মুবারক প্রদান করেন। সুবহানাল্লাহ!
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন,খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সরাসরি উম্মতের মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ শুনেন এবং পাঠকারীদেরকে দেখেন এবং চিনেন। সুবহানাল্লাহ!
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৪শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছানিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! যা কুল-কায়িনাতের সকলের জন্যই সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ!
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে ছফর শরীফ ১৪৪৮ হিজরী, ১৪ই ছালিছ ১৩৯৪ শামসী, ১৩ই আগস্ট ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। তাই, সউদী আরবসহ বিশ্বের সমস্ত দেশের শাসকদের জন্য ফরয হচ্ছে- যথেষ্ট সতর্কতার সাথে চাঁদ তালাশের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যিনি শাহিদ উনার জন্য যেরূপ হাযির বা উপস্থিত থাকা শর্ত, তদ্রুপ নাযির বা দেখাও শর্ত। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা হচ্ছে- পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের অসংখ্য দলীল দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে- মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট কুল-মাখলুক্বাতের সবকিছুই হাযির এবং তিনি সবকিছুই নাযির বা দেখেন। সুবহানাল্লাহ!
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাসে যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন- সেই মহাসম্মানিত মাস উনার মুবারক নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ; যা পালন করা ফরয। যারা বলে, ‘পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আযহা এই দুই ঈদ ব্যতীত আর কোনো ঈদ নেই’- তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে অস্বীকারকারী।
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের ছহীহ আক্বীদা হলো- সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক হিসেবেই সৃষ্টি হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করে না বা করবে না, তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত। নাউযুবিল্লাহ!
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












