ফতওয়া
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (২১)
, ২৩ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৩ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ২২ মে, ২০২৫ খ্রি:, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) ফতওয়া বিভাগ
আপত্তিকারীদের তৃতীয় আপত্তি
নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে কুরবানী করা যদি ফরয হয়। তাহলে কুরবানী না করলে ফরয তরক করার গুনাহ হবে? হ্যাঁ হবে। সেই জন্য বলা হচ্ছে কেহ একা করতে না পারলে একাধিক জন মিলে যেন করে। তা ১০/২০/৩০/৪০/৫০/৬০/৭০/৮০/৯০/১০০ জন আরো বেশীও হতে পারে। অর্থাৎ প্রত্যেককে আলাদা আলাদা করতে হবে এমন নয়। তাহলে তো কোনো সমস্যা নেই।
সাধারণভাবেই ইন্তেকাল প্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকেও কুরবানী করা জায়িজ
পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ দ্বারা অনেক ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা দলীল গ্রহণ করেছেন।
১ম দলীল
যেমন, হযরত আমীনুদ্দীন ইবনে ফিরিশতা যিনি ইবনে মালাক কিরমানী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮৫৪ হিজরী) হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন-
يَدُلُّ عَلٰى اَنَّ التَّضْحِيَةَ تَجُوْزُ عَمَّنْ مَاتَ
“এই পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যারা ইন্তেকাল করেছেন উনাদের পক্ষ থেকে কুরবানী করা জায়িয। ” (মিরক্বাতুল মাফাতীহ ৩/১০৮৪, শরহুল মাছাবীহ লি ইবনে মালাক ২/২৬৬)
২য় দলীল
মিরআতুল মাফাতীহ কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
وَالْحَدِيْثُ يَدُلُّ عَلٰى اَنَّ التَّضْحِيَةَ تَجُوْزُ عَمَّنْ مَاتَ
“এই পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যারা ইন্তেকাল করেছেন উনাদের পক্ষ থেকে পবিত্র কুরবানী করা জায়িয। ” (মিরআতুল মাফাতীহ ৫/৯৩)
কাজেই উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহকে দ্বয়ীফ বলার কোনোই সুযোগ নেই। ইহা উছূল দ্বারাই প্রমাণিত।
অর্থাৎ সাধারণ ভাবেই ইনতেকাল প্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করা অবশ্যই জায়িয।
(অপেক্ষায় থাকুন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৯)
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রায় ৭০০ বছর আগের ঐতিহাসিক ফতওয়া:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রায় ৭০০ বছর আগের ঐতিহাসিক ফতওয়া:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৮)
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৭)
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৮)
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৬)
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৭)
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৬)
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৫)
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৫)
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৪)
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












