সরু চোখে...
নারীর মৌলিক অধিকার ‘পর্দা পালনের অধিকার’ কেড়ে নেয়া হচ্ছে কেন?
, ১৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১০ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ০৯ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহিলাদের পাতা
বইটির নাম- দ্য ল রিলেটিং টু পর্দানশীন ইন ব্রিটিশ ইন্ডিয়া (সিভিল এন্ড ক্রিমিনাল)
লেখক- জে এন মুখার্জী (অ্যাডভোকেট, কলকাতা হাইকোর্ট) এবং এন এন মুখার্জী।
বইটি ১৯০৬ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
বইটি বলে দেয়, ব্রিটিশরা বিধর্মী হওয়ার পরেও এ অঞ্চলের মুসলিম নারীদের পর্দা করার অধিকার কেড়ে নেয়নি। অর্থাৎ ব্রিটিশ উপনিবেশকালেও এ অঞ্চলের মুসলিম নারীদের পর্দা করার অধিকার সংরক্ষিত ছিলো। সিভিল বা ক্রিমিনাল প্রতিটি আইনেই মুসলিম পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণ করে আলাদা সুযোগ সুবিধা দেয়া ছিলো।
কিন্তু অতি দুঃখের বিষয়, আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, আমরা নিজেদের স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে দাবী করি, কিন্তু স্বাধীনতা বলতে যা বোঝায়, তা কি আমরা লাভ করতে পেরেছি? রাষ্ট্র কি সংবিধান অনুসারে আমাদের সকলের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে পেরেছে?
বাংলাদেশের জনসংখ্যা হিসেবে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি। সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে মুসলিম নারীরা পর্দা করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই সাংবিধানিক অধিকারটুকু নারীদের দেয়া হচ্ছে না। দেশের পরিচয়পত্রের জন্য জোর করে ছবি তোলানো হচ্ছে। মৌলিক ও নাগরিক অধিকার দেয়ার জন্য ধর্মীয় পর্দা করার অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে। তবে কোন কোন পর্দানশীন নারী এখনও মৌলিক ও নাগরিক অধিকার ব্যতিতই মানবেতর জীবন যাপন করছে। সংখ্যাটুকু কিন্তু কম নয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এর হিসেবে বলছে, দেশে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি হলেও, পুরুষের তুলনায় কম পরিচয়পত্র নিয়েছে বা ভোটার হয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ নারী। (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ০৭ মে ২০২২, ডেইলি স্টার, জুলাই ২৭, ২০২২)
প্রশ্ন হচ্ছে, যে দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া শিক্ষা, বাসস্থান, চিকিৎসা, চাকুরী, ব্যবসা, লেনদেন, যাতায়াতের মত মৌলিক ও নাগরিক চাহিদা পুরো করা যায় না, সে দেশে ২০ লক্ষ নারী কিভাবে দিনাপাতিক করছে সেই খবর কি রাষ্ট্রের কর্তা ব্যক্তিদের কাছে আছে? ব্রিটিশরা দখলদার হয়েও যে পর্দানশীন নারীদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেয়নি, কিন্তু আজ স্বাধীন রাষ্ট্র নিজ দেশের ২০ লক্ষ নাগরিকের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।
-উম্মু আমিম।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হীলাহ্ বিবাহ এবং তার শরয়ী ফায়সালা (৪)
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করা কাট্টা কুফরী
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের- সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভের জন্য সন্তান প্রতিপালন করা সুন্নত (৪)
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“যিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তিনি মূলত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলেন”
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশতে প্রবেশ করবে না
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মেহমানদারী করার মাধ্যমে সম্মানিত শাফায়াত মুবারক লাভ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












