দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১০ম পর্ব)
, ২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ইতিহাস
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
লক্ষ্যণীয় যে;
* এই কার্যালয়গুলো ঐসব দেশে বিভিন্ন ধরণের কাজ করে- যেমন কথিত মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সরকার ও নাগরিক সমাজকে সহায়তা, প্রতিবেদন, প্রশিক্ষণ ইত্যাদির নামে অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও প্রতিবেদন দেয় এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমে নাগরিক সমাজ ও সরকারকে কার্যক্রম গ্রহণে বাধ্য করে। সেইসব দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায়। প্রকৃতপক্ষে অধিকাংশ মুসলিম দেশসমূহে তারা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। এর অর্থ হলো পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। হস্তক্ষেপ করে কুফরী বিষয়গুলো জারী করার কোশেশ করে।
* অনেক ক্ষেত্রে, এই কার্যালয়গুলো ইহুদীসংঘ কথিত শান্তিরক্ষা মিশনের সঙ্গে কাজ করে। অর্থ হলো তারা মুসলিম দেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অশান্তি সৃষ্টি করে।
* অফিসের সংখ্যা ও অবস্থান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে।
* ইহুদীসংঘের দেশীয় কাফেলায় (কান্ট্রি টিমে) কথিত মানবাধিকার উপদেষ্টা (ঝড় পধষষবফ ঐঁসধহ জরমযঃং অফারংবৎং রহ টঘ ঈড়ঁহঃৎু ঞবধসং): বিভিন্ন দেশে ইহুদীসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের (জবংরফবহঃ ঈড়ড়ৎফরহধঃড়ৎ'ং ঙভভরপব) সাথে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কাজ করে।
পূর্বের পর্বে ২০২৫ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ঙঐঈঐজ) পরিচালিত বিশ্বের স্থায়ী এবং ক্ষেত্রভিত্তিক (ভরবষফ ঢ়ৎবংবহপব) কার্যালয়সমূহের বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়েছে। এ তালিকায় স্থায়ী দেশীয় কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়, এবং শান্তিরক্ষা ও রাজনৈতিক মিশনের অধীনে কথিত মানবাধিকার বিভাগ-সব ধরনের উপস্থিতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সন্ত্রাসী ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার কমিশনের ইতিহাস ও বিবর্তন:
প্রতিষ্ঠা ও প্রাথমিক কাল (১৯৪৬)
* প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ববাসী মানুষের মৌলিক অধিকারের রক্ষা ও সম্মান নিশ্চিত করার নামে ইহুদীরা তাদের দখলদারিত্ব ও কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে এবং বিশ্বসন্ত্রাসী ইহুদীরা নিজেদের মধ্যে গোপন পরামর্শ করে ইহুদীসংঘ (টহরঃবফ ঘধঃরড়হং) প্রতিষ্ঠা করে। আর ১৯৪৫ সালে ইহুদীসংঘ (টহরঃবফ ঘধঃরড়হং) প্রতিষ্ঠার পর, কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কাজ চালানোর নামে, অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদীদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ১৯৪৬ সালের এপ্রিল মাসে “ঈড়সসরংংরড়হ ড়হ ঐঁসধহ জরমযঃং” (কথিত মানবাধিকার কমিশন) গঠন করে।
ইহুদীদের প্রচারিত তথাকথিত মানবাধিকার কমিশনের প্রধান লক্ষ্যগুলো ছিলো নিম্নরুপ:
১. কথিত মানবাধিকারের মৌলিক নীতিমালা নির্ধারণ, (এর নামে মুসলমানদের অধিকার কেড়ে নিয়ে, মুসলমানদের নিয়ম-নীতি বাদ দিয়ে ইহুদীদের তৈরী করা নিয়ম-নীতি জারি করা)
২. কথিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত ও প্রতিবেদন, (এই কথিত মানবাধিকার লঙ্ঘন আসলে ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিক, নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীদের পান থেকে চুন খসলে সেটিকে বিশাল বড় কথিত মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রুদের রক্ষা করা ও লালন করা আর মুসলমানদেরকে সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার কোশেশ করা।)
৩. কথিত মানবাধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন (প্রকৃতপক্ষে ইহুদীদের অধিকার সংক্রান্ত আইন) প্রণয়ন আর মুসলমানদের মানবাধিকার খর্ব করার আইন প্রণয়ন ও জারী করা। (সংকলিত)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সন্ত্রাসী সংগঠন ‘আইএস’ এর মাধ্যমে মুসলিম বিশ্ব ভাঙ্গার মানচিত্র বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে এখন গাজা যুদ্ধের মাধ্যমে সেই চেষ্টা করছে ক্রুসেডার জোট
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী ইহুদী-খ্রিস্টানদের নজরদারী, তথ্যচুরি, ফিৎনা সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী এবং বিমান হামলার কাজে ব্যবহৃত সন্ত্রাসী আমেরিকা ভিত্তিক মুসলিম বিদ্বেষী এক তথ্যজালিকা (২)
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হিজরী চর্তুদশ শতকের মহান মুজাদ্দিদ, ফুরফুরা শরীফের মুজাদ্দিদে যামান হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আমেরিকা আবিষ্কারের যে সঠিক তথ্যটি আড়াল করা হয়েছে
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসা বিন আবী গাসসান: হার না মানা এক অকুতোভয় মুসলিম সিপাহী
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বৃটিশরা কুচক্রীদের সহযোগিতায় মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে চালু করে সেক্যুলার নামক নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস। (২য় পর্ব)
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১১ম পর্ব)
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক (৫)
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বৃটিশরা কুচক্রীদের সহযোগিতায় মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে চালু করে সেক্যুলার নামক নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস। (১ম পর্ব)
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক (৪)
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক (২)
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অশ্রুভেজা লঙ্কাদ্বীপ: যখন আর্তনাদই হয়ে ওঠে মুসলিমদের নিয়তি
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












