হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক সম্পর্কে
ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ (৩৫৬তম পর্ব)
, ২০ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৭ সাদিস ১৩৯১ শামসী সন , ০৫ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ২০ কার্তিক, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
তিনি বলেছেন শুধু এতটুকু নয়, আমরা এবং আমাদের তর্জ-তরীক্বা সোজা বিষয় না। আমরা এবং আমাদের তর্জ-তরীক্বা, আমরা যে পথে চলেছি এবং চলছি। আমরা এবং আমাদের তর্জ-তরীক্বা একমাত্র উছীলা মুবারক এছাড়া কোন উছীলা নেই। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে ফয়সালাটা কি হলো?
إِلاَّ الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبَى
তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান মুবারক কতটুকু? উনাদের কতটুকু অনুসরণ মুবারক করতে হবে, কতটুকু মুহব্বত মুবারক করতে হবে? এটাতো ফিকির করতে হবে। বিষয়গুলি অত্যন্ত সূক্ষè বিষয়। আসলে মানুষ মহাসম্মানিত ও মহপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ পড়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ পড়ে কিন্তু বুঝে না এরা। এরা বুঝলে মাদরাসায় পড়ায় তাহলে ছবি তোলে কেমনে? এরা যদি বুঝতো এতো ব্যাখ্যার কোন প্রয়োজন নাই। এরা মাদরাসায় পড়ে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ, ফিক্বহ, ফতওয়া ঐ ঠগের গান গায়। নাউযুবিল্লাহ! এরা মাদ্রাসায় পড়ে ছবি তোলে। নাউযুবিল্লাহ! এরা মাদ্রাসায় পড়ে এবং পড়ায় তারা বেগানা মেয়ের সাথে উঠা-বসা করে। নাউযুবিল্লাহ! (আহমক শফী) ঐটার বয়স হয়েছে একশ’র কাছাকাছি সে বেগানা মহিলার সাথে মুছাফাহ করে। নাউযুবিল্লাহ! যদি তারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বুঝতো তাহলে তারা কি করে এটা করে। নাউযুবিল্লাহ! এরা তন্ত্র-মন্ত্র, গনতন্ত্র করে। নাউযুবিল্লাহ! দলীল অনেক দরকার নাই, ভাত কিন্তু সব টিপতে হয় না। যারা এখানে খাওয়া দাওয়া করে সবাই ভাত খায়। ঘরে পাক করে, নিজে না করুক তাদের আহলিয়ারা করে, ছেলে-মেয়েরা করে। ভাত কি সব এভাবে টিপ দেয় কেউ? একটা দুইটা টিপ দেয়, তাতে বুঝে ভাতটা হয়েছে কি না। একটা মানুষের জীবনের জন্য সারা জীবন পর্যালোচনা করার কোন প্রয়োজন নেই, একটা ঘটনাই যথেষ্ট। সেটাই হযরত সুলতানুল আরিফীন হযরত বাইজিদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, যিনি অনেক বড় ওলীআল্লাহ। তিনি অনেক বড় বযূর্গ, ওলীআল্লাহ। মানুষ জানে না তিনি কতো বড় ওলীআল্লাহ। তিনি হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট খলীফা।
সংকলনে-সাইয়্যিদ শাবীব আহমদ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












