ঘরে চন্দন কাঠ পোড়ানো এবং ধূপ জ্বালানো সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অর্ন্তভূক্ত
, ২৩ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৭ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ৩০ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- ইস্তিঞ্জার পর ঢিলা নিতে হয় বেজোড়, জামারায় পাথর মারা হয় বেজোড়, সাফা মারওয়ায় সা‘ঈ করতে হয় বেজোড় এবং তাওয়াফ করতে হয় বেজোড়। সুতরাং তোমাদের কেউ যদি সুগন্ধির ধোঁয়া গ্রহণ করে সেও যেন বেজোড় লাগায়। (মুসলিম শরীফ , পবিত্র হাদীছ শরীফ - ১৩০০, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ - ৯৩২১, ছহীহ আল জামি‘ শরীফ , পবিত্র হাদীছ শরীফ - ২৭৭২)
ঘরে চন্দন কাঠ পোড়ানো এবং ধূপ জ্বালানোঃ
ঘরে ধূপ জ্বালানোর ব্যাপারে আমাদের জন্যে ইমাম মাসূম আলাইহিস সালাম উনার কাছ থেকে পরামর্শ এসেছে। কেননা, ধূপের প্রতিটি দানা জ্বালানোর ফলে একটি করে হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম মুক্ত হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার ছানা-ছিফত এবং আমাদের গৃহাভ্যন্তরে ইতিবাচক শক্তি সৃষ্টি করেন। আর তা দুষ্ট জ্বীন ও শয়তানগুলোকে দূর করে দেয়।
ধূপের ব্যবহার সম্পর্কে হযরত ইমামুস সাদিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম,সাইয়্যিদুনা হযরত জা’ফর সাদিক্ব আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছেন-
وقَد سُئِلَ عَنِ الحَرمَلِ وَاللُّبانِ فَقالَ: أمَّا الحَرمَلُ فَما يُقَلقَلُ لَهُ عِرقٌ فِي الأَرضِ ولا فَرعٌ فِي السَّماءِ، إلاّ وُكِّلَ بِهِ مَلَكٌ حَتّى يَصيرَ حُطاما ويَصيرَ إلَى ما صارَت؛ فَإِنَّ الشَّيطانَ لَيَتَنَكَّبُ سَبعينَ دارا دونَ الدّارِ الَّتي هُوَ فيها، وهُوَ شِفاءٌ مِن سَبعينَ داءً أهوَنُهُ الجُذامُ، فَلا تَغفُلوا عَنهُ.
অর্থাৎ:“ধূপের হাজার দানার কোন শিকড় মাটির নিচে যায় না এবং এর কোন ডাল আসমানের দিকে উঠে না, যতক্ষণ পর্যন্ত মহান আল্লাহ পাক তিনি একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনাকে এর উপর নিয়োগ না করেন। আর এটা ঐ সময় পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে যতক্ষন পর্যন্ত তা শুষ্ক না হয়ে যায় অথবা অন্য কোন পরিবর্তন না ঘটে। যে ঘরে ধূপের হাজার দানা ব্যবহার হয় শয়তান সেই ঘর থেকে সত্তর ঘর পর্যন্ত দূরে সরে যায়। এই ধূপ সত্তরটি রোগ আরোগ্য করে। এর সবচেয়ে ছোট রোগটি হচ্ছে কুষ্ঠ রোগ। অতএব, এ বিষয় থেকে অসচেতন থেকো না। ” (তিব্বুল আয়িম্মা লি ইবনি বুস্তাম, মাকারিমুল আখলাক্ব, বিহারুল আনওয়ার)
তাছাড়াও এই ধূপ জ্বালানোর কারণে বদ নজর থেকে মুক্ত থাকা যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও এর বিভিন্ন প্রভাব ও উপকার উল্লেখ করেছে। দৃষ্টান্তস্বরূপ বিজ্ঞান বসবাসের পরিবেশ থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর করা এবং সেই পরিবেশকে বিভিন্ন প্রকার রোগ জীবানু থেকে মুক্ত রাখার ব্যাপারে ধুপ জ্বালানোর কথা বলেছে।
এ ছাড়াও ধূপের কিছু গুনাগুন হলোঃ-
১. ধূপ সত্তরটি রোগ থেকে আরোগ্য করে।
২. বিশেষ করে কুষ্ঠ রোগ হতে আরোগ্য লাভ করে।
৩. ধূপ প্রাকৃতিক সুগন্ধি।
৪. জীবাণু হতে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
-মুহম্মদ হুসাইন নাফে’
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কিয়ামত পর্যন্ত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার কোন পরিবর্তন-পরিবর্ধন হবে না
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
স্বভাবজাত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী জয়তুনের তেল
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (৪)
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী খাবার ‘পনির’
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (৩)
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (২)
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (২)
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম চিকিৎসা পদ্ধতি মুবারক : হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো (১)
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৫)
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৪)
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
গোসল করার খাছ সুন্নতী তারতীব মুবারক ও মাসয়ালা-মাসায়িল (৩)
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












