সম্পাদকীয়-২
উত্তরাঞ্চলের মাঠেই পচছে বছরে আড়াই থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ফসল অঞ্চলভিত্তিক হিমাগার স্থাপনের দাবী স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও বাস্তবায়ন হচ্ছে না- যা গভীর হতাশার সরকারের হেদায়েত হওয়া দরকার
, ০১লা রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৬ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১০ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
উৎপাদনে একের পর এক রেকর্ড গড়ছে দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা। কিন্তু সেই সাফল্য মøান হয়ে যাচ্ছে মৌসুম শেষে- কারণ নেই যথাযথ সংরক্ষণ, নেই আধুনিক বিপণন কাঠামো। আলু, আম, সবজি- প্রতিবছর লাখ লাখ টন ফসল মাঠে পচে যাচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পদ। কৃষক লোকসানে ভুগলেও মধ্যস্বত্বভোগী ও আড়তদাররা তুলে নিচ্ছেন বিপুল মুনাফা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবিলম্বে উপজেলা পর্যায়ে হিমাগার, প্রি-কুলিং ও কোল্ডচেইন অবকাঠামো গড়ে না তুললে কৃষি খাত বড় ধরনের সঙ্কটে পড়বে, যার প্রভাব পড়বে জাতীয় অর্থনীতিতেও।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলে প্রতিবছর গড়ে ৫০ লাখ টন আলু উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে মৌসুম শেষে ৫ থেকে ৫.৫ লাখ টন আলু সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। বাজারদর হিসাবে প্রতি কেজি ১৫ টাকা ধরলে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৭০০-৭৫০ কোটি টাকা।
নওগাঁয় উৎপাদিত ৪.৫ লাখ টন আমের মধ্যেও ১.৩ থেকে ১.৫ লাখ টন নষ্ট হয়, যার আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত হাঁড়িভাঙা আমও উৎপাদনের ১০-১৫ শতাংশ পচে যায়, যার মূল্য প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা।
শীতকালীন সবজির ক্ষতি আরও বিস্তৃত। বছরে সবজির মধ্যে গড়ে ২৫ শতাংশই নষ্ট হয় বা কৃষকরা কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এর আর্থিক ক্ষতি দাঁড়ায় ৮০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকার মধ্যে।
বগুড়ার আলু চাষি আতর মিয়া আলু বিক্রির সময় বলে, ‘হিমাগারে জায়গা নেই, ভাড়াও বেশি। বাধ্য হয়ে ৩০ টাকা খরচে রাখা আলু ১৫ টাকায় বিক্রি করেছি। লোকসান ছাড়া কোনো উপায় নেই। ’
এই চিত্র শুধু একজন কৃষকের নয়- উত্তরাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষকের বাস্তবতা। মৌসুম শেষে হিমাগারে জায়গা না থাকায় একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ফসল বাজারে চলে আসে। ফলাফল, দাম পড়ে যায় অর্ধেকে।
আড়তদারদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ নতুন নয়। বড় ব্যবসায়ীরা আগেভাগেই হিমাগার বুকিং দিয়ে রাখে। পরে ধাপে ধাপে পণ্য বাজারে ছেড়ে দাম নিয়ন্ত্রণ করে, তুলে নেয় কয়েকগুণ লাভ।
আলু, পেঁয়াজ, আম, লিচু- সবই দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সংরক্ষণ ব্যবস্থার দুর্বলতায় কৃষক লোকসানে, আর মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভে। উপজেলা পর্যায়ে ছোট হিমাগার ও প্রি-কুলিং অবকাঠামো এখন সময়ের দাবি।
সঙ্গতকারণেই, আধুনিক কোল্ডচেইন, গ্রেডিং, প্যাকহাউস চালু না থাকায় কৃষকের ফসল মাটি গিলে খাচ্ছে। বাজারে আড়তদারদের একচেটিয়া প্রভাব ভাঙতে হলে স্বচ্ছ ডিজিটাল হিমাগার বরাদ্দ, সরকারি তত্ত্বাবধান ও কৃষক-সমবায় মডেল চালু করতে হবে।
কৃষকের আয় বৃদ্ধি, ফসলের অপচয় রোধ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করার জন্য অঞ্চলভিত্তিক হিমাগার স্থাপনের দাবী স্বাধীনতার ৫৪ বৎসরেও কার্যকর হচ্ছে না- এটা গভীর হতাশার।
সরকারের নিস্ক্রিয়তাই শুধু নয়। বরং কৃষকের প্রতি নির্দয় মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। কৃষকের স্বার্থের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের এই নির্মমতা থেকে সরকার বেরিয়ে আসবে। এটাই জরুরী কাম্য।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












