দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি:
আরও কঠিন হয়ে এলো রমজান
, ২৯ শাবান শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১২ আশির, ১৩৯১ শামসী সন , ১১ মার্চ, ২০২৪ খ্রি:, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দেশের খবর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রোজায় প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ক্রেতারা এখন ব্যস্ত। কিন্তু বাজারে প্রায় সবকিছুর দামই চড়া। প্রতি বছর দাম বাড়বে এটা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে খেজুর, চিনি, শরবতের জন্য লেবু, সব ধরনের মাছসহ মুরগির দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। গরুর গোশত কেজিতেই বেড়ে গেছে অন্তত ১০০ টাকা। ছোলার দামও বেড়েছে। এ ছাড়া সবজির দাম কিছুটা কমলেও ইফতারি তৈরিতে ব্যবহৃত এমন সবজির দাম এখন বাড়তির দিকে। সরকারের নানা উদ্যোগের পরও কোনো পণ্যের দাম কমার লক্ষণ নেই। উল্টো কিছু পণ্যের দাম বেড়েই চলছে।
সবমিলিয়ে নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দামে এবারের রমজান আরও কঠিন হয়ে এলো। এতে চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছে ক্রেতাদের। সংশ্লিষ্টরা বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির। মূল্যস্ফীতিও বেশি। কাজে আসছে না বাজার ব্যবস্থাপনা। তাই ভোক্তাও সুফল পাচ্ছেন না।
ফল আমদানিকারক সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিলাসী পণ্যে অন্তর্ভুক্ত করায় খেজুর আমদানিতে উচ্চ শুল্ক রয়েছে। বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি খেজুরে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত দর বেড়েছে।
গত বছর এ সময় প্রতি কেজি চিনি কেনা গেছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। এখন বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, অর্থাৎ চিনির কেজিতে অতিরিক্ত খরচ হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা।
অন্যদিকে গত বছর বাজারে এ সময় ছোলার কেজি ছিল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১২ টাকা দরে। সে হিসাবে এবার কেজিতে বেশি খরচ করতে হবে ১৫ থেকে ১৭ টাকা।
গত বছর রোজার আগে পিয়াজের কেজি ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। সেই দাম এখন প্রায় তিন গুণ। প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২৫ টাকা দরে। সে হিসাবে কেজিতে বেশি খরচ হবে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা।
গত বছরের এ সময়ে কেজি ছিল ১৮ থেকে ২০ টাকা। তাতে গত রমজানের চেয়ে এবার কেজিতে বেশি গুনতে হবে ১৪ থেকে ১৫ টাকা।
এদিকে এখনই মাঝারি আকারের একটি লেবুর দাম হাঁকা হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকা। তিন দিনের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে।
ব্রয়লার মুরগি গত দু’দিনের ব্যবধানে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়েছে। দু’দিন আগে কেজি ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হলেও বিক্রি হয়েছে ২২০ থেকে ২৩৫ টাকায়। গত বছর এ সময় দর ছিল ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। তবে গত বছরের এ সময়ের দরকে ছাড়িয়েছে গরুর গোশত। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়। গত বছর রোজার আগে ছিল ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা, অর্থাৎ ভোক্তাদের এবার কেজিতে অতিরিক্ত গুনতে হবে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
মাছের বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০/২২০ টাকা, পাঙাশ ১৮০/২২০ টাকা, শিং ৫২০/১ হাজার ৫শ’ টাকা, শোল ৯০০/১ হাজার টাকা, মাগুর ৫৫০ টাকা, কৈ ২৫০/৩০০/, ১ হাজার ৫শ’ টাকা, রুই ৩৮০/৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০/৪৮০ টাকা, টেংরা ৫৫০/৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ইলিশ বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার টাকার ওপরে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
এবার স্কুল-কলেজে বন্ধ হচ্ছে র্যাগ ডে উদযাপন
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নতুন নোট ব্যাংকে লাপাত্তা, ফুটপাতে চড়া দাম
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দোকান-বিপণিবিতানে আলোকসজ্জা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয় -চিফ প্রসিকিউটর
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
খাল খনন কর্মসূচিতে দুর্নীতির প্রশ্নে জিরো টলারেন্স -পানিসম্পদ মন্ত্রী
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাজারের মূল্য তারতম্য অনুসন্ধানে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি হবে -বাণিজ্যমন্ত্রী
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জ্বালানির নতুন উৎসের খোঁজে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণনে শৃঙ্খলা আনতে ডিসিদের নির্দেশ
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ হবে -শিক্ষামন্ত্রী
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সিন্ডিকেট ভাঙতে খাদ্য বিভাগে শুদ্ধি অভিযান -ঈদের পরপরই অ্যাকশন
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন: সময় শেষ, এখন কী হবে
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












