নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান উনার পবিত্র রাত্র মুবারক পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন রোযা রাখো।” সুবহানাল্লাহ!
আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ! যা মুসলমানদের জন্য দোয়া, ক্ষমা বা মাগফিরাত, তওবা কবুলের খাছ রাত, বিপদ-আপদ, আযাব-গযব থেকে নাজাত এবং এক বছরের হায়াত-মউত ও রিযিকের ফায়ছালার রাত। সুবহানাল্লাহ!
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, সর্বপ্রকার ইহকালীন-পরকালীন নাযাত লাভ করতে খালিছভাবে তওবা করতঃ সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকির ও দোয়া-মুনাজাতে কাটানো এবং রোযা রাখা। আর বাংলাদেশ সরকারসহ প্রত্যেক মুসলিম ও অমুসলিম সরকারের উচিত ছিল- পবিত্র এ দিবস উপলক্ষে কমপক্ষে ৩ দিন ছুটি ঘোষণা করা। এবং দেশব্যাপী উদযাপনের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ ও সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
, ১৪ শাবান শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৭ তাসি’, ১৩৯১ শামসী সন , ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ১২ ফাল্গুন, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রিতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ উনার প্রথম রাত্র, পবিত্র শা’বান শরীফ উনার ১৫ তারিখ রাত্র, পবিত্র ক্বদর শরীফ উনার রাত্র এবং পবিত্র দু’ঈদ উনাদের দু’রাত্র।” সুবহানাল্লাহ! আর আজ দিবাগত রাতটিই হচ্ছে পবিত্র শা’বান শরীফ উনার ১৫ তারিখ রাত্র। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্রিতে কি কি ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে বলেন, প্রথমতঃ পবিত্র ইশা উনার নামায আদায় করতঃ পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করে সংক্ষিপ্ত নছীহত করে তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাত করবে। অতঃপর দুই দুই রাকায়াত করে ৪, ৬, ৮, ১০. ১২ রাকায়াত অবস্থানুযায়ী পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার নামায পড়বে। * অতঃপর ছলাতুত তাসবীহ উনার নামায পড়বে, যার দ্বারা মানুষের সমস্ত গুনাহ-খাতা ক্ষমা হয়। সুবহানাল্লাহ! * যিকির-আযকার করবে, যার দ্বারা ক্বলব বা অন্তর ইছলাহ ও ইতমিনান হয়। সুবহানাল্লাহ! * পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করবে, যার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জিত হয়। সুবহানাল্লাহ! * পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করবে, যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জিত হয়। সুবহানাল্লাহ! * সম্ভব হলে কবরস্থান যিয়ারত করবে, যার দ্বারা সুন্নত মুবারক আদায় হয়। সুবহানাল্লাহ! * তাহাজ্জুদ উনার নামায পড়বে, যা দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য মুবারক হাছিল হয়। * অতঃপর পুনরায় পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে খালিছ ইস্তিগফার ও তওবা করবে, যার মাধ্যমে বান্দা-বান্দীর সমস্ত গুণাহখাতা মাফ হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ সন্তুষ্টি মুবারক অর্জিত হয়। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার বারাকাত, ফুয়ুযাত, নিয়ামত, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত ইত্যাদি হাছিল করা যায়। * আর সর্বশেষ ছুবহে ছাদিকের পূর্বেই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করবে অর্থাৎ আখিরী মুনাজাত করবে। যার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি খুশি হবেন ও উনার নিয়ামত মুবারক লাভ হবে। সুবহানাল্লাহ! তবে আখিরী মুনাজাত এতটুকু পূর্বে শেষ করবে যাতে দিনে যারা রোযা রাখবে তারা যেন সাহরী খেতে পারে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার রোযার ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যে তিনটি রোযা রাখবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তার গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ! কারো যদি তিনটি রোযা রাখা সম্ভব না হয় তবে অন্ততঃপক্ষে পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার পরের দিন অর্থাৎ ১৫ই শা’বান শরীফ দিনের রোযাটি রাখতে হবে। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার পনের তারিখ দিনে রোযা রাখবে, তাকে কখনো জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।” সুবহানাল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১৫ তারিখ যারা রোযা রাখবে তারা ইফতারীর সময় তিন বার পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করবে। তাহলে তার পূর্বের গুনাহখাতা ক্ষমা করা হবে এবং রিযিকে বরকত দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ!
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশ বাংলাদেশে একের পর এক পবিত্র কুরবানী বিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাস্তবায়ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! গোটা মুসলিম বিশ্বের মুসলমানদেরকে এখন থেকেই এজন্য যথাযথ প্রতিবাদী হতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে পবিত্র কুরবানীর মতো মৌলিক ও পবিত্র দ্বীন ইসলামী কাজ মুসলমানরা পালন করতে পারছে না। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরবানী বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত এখনই নস্যাৎ করে দিতে হবে।
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও বরকতময় ২৪শে যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, মুহম্মদিয়া তরীক্বার সম্মানিত ইমাম, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নছীহত মুবারক হাছিল করে তা আমলে বাস্তবায়ন করা।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে যিলক্বদ শরীফ ১৪৪৭ হিজরী মুতাবিক ১৮ই ছানী আশার ১৩৯৩ শামসী, ১৮ই মে ২০২৬ খৃঃ. ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। বিশ্বের সকল মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- সউদী ওহাবী ইহুদী মুনাফিক সরকারের মনগড়াভাবে ও খালি চোখে চাঁদ না দেখে আরবী মাস শুরু করা, পবিত্র স্থানসমূহে অসংখ্য সিসিটিভি স্থাপন করা, ছবি তুলে পবিত্র হজ্জ করতে বাধ্য করা, খাছ পর্দার পরিবেশ নিশ্চিত না করা ইত্যাদি বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ করা।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে সাদিকের সময় মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- কুরবানী বিদ্বেষী মহলের সব ধরণের মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা বন্ধ করে দিয়ে কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করে শহরের প্রত্যেক এলাকায় কুরবানীর পশুর হাটের ব্যবস্থা করে দেয়া। পবিত্র কুরবানী আসলেই একটি মহল যানজট সৃষ্টি ও পরিবেশ নষ্টের মিথ্যা অজুহাত দিয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমাতে চায় ও শহরের বাইরে নিতে চায়। নাউযুবিল্লাহ!
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই শহরে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি পবিত্র কুরবানী বিরোধী সমস্ত সিদ্ধান্ত ও ষড়যন্ত্র বাতিল ঘোষণা করা।
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত মক্কা শরীফ ও মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন বরকতময় স্থান। সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র মক্কা শরীফ ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা হাজী ছাহেবসহ সকলের জন্যই ফরয। অতএব, সকলকেই সর্বদা, সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত মুবারক বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসীলাতেই কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু মুসলমানরা এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে না। অতএব, প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নিজেদের ব্যাপারে হীনম্মন্যতা দূর করা এবং কোন বিষয়েই কাফির-মুশরিকদের দিকে রুজু না হয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে দায়িম-কায়িম থাকা।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক মুসলমানদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো- পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত উনাদের জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করা এবং পবিত্র হারামাইন শরীফাইন উনাদের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা। নাঊযুবিল্লাহ! সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। নাউযুবিল্লাহ!
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আ’শার আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ মুবারক দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র ছলাত বা নামায সম্মানিত শরীয়ত উনার একটি বুনিয়াদী ফরয ইবাদত। সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায যথা সময়ে আদায় করা। অর্থাৎ কোনো ক্রমেই পবিত্র ছলাত বা নামায তরক না করা।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ তাশরীফ মুবারক আনার কারণে এ মহাসম্মানিত তারিখকে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এদিন কুতুবুল আলম, তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, ঢাকা যাত্রাবাড়ি শরীফ উনার মহাসম্মানিত শাইখুল মাশায়েখ, সুলত্বানুল আরেফীন হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












