নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে ভারতের মহারাষ্ট্রে গত আগস্ট মাসে মানহানীকারী বক্তব্য প্রদান করে রামগিরি নামক কাট্টা মুশরিক। ইতিমধ্যে ভারতে এই মুশরিকের বিরুদ্ধে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। সারা বিশ্বের মুসলমানদের উচিত এই জঘন্য অপকর্মের নিন্দা ও প্রতিবাদ করা। পাশাপাশি মুশরিক রামাগিরিকে গ্রেফতার করত শরঈ শাস্তি মৃত্যুদ- কার্যকর হয়, সেই দাবীও মুসলমানদের তুলতে হবে। বাকি অংশ পড়ুন...
গত ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে দৈনিক প্রথম আলোতে একটি মন্তব্য প্রকাশিত হয়, যার শিরোনাম ছিলো- “রাষ্ট্রের সংস্কার প্রয়োজন, কিন্তু মনের সংস্কার করবে কে”। লেখাটিতে লেখক বলেছে, “মনের সংস্কার না হলে রাষ্ট্রের সংস্কার শুধু নামমাত্রই হবে, যা আদতে কোনো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে না। ”
এখানে যে বিষয়টি সামনে আসছে সেটা হলো ‘মনের সংস্কার’ বা মনের পরিশুদ্ধি। এই মনের সংস্কার কিভাবে হবে, সেটা কিন্তু কেউ বলছে না। হাজারো আইন, কানুন নিয়মনীতি দিয়ে মনকে আটকে রাখা যায় না। মূলতঃ মন বা অন্তরকে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব একমাত্র ইলমে তাসাউফ চর্চার মাধ্যমে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারত বিরোধী ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় বসেছে। কিন্তু সম্প্রতি ভারতে ইলিশ রফতানি নিয়ে জনগণের প্রতিবাদের মুখে সরকারের একজন উপদেষ্টা বলেছে, “ভারতে ইলিশ রফতানি বন্ধ করে রাখা এক ধরনের ইমোশন বা আবেগ”। তারমানে দেখা যাচ্ছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের ভারত বিরোধী ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা এসে, এখন ভারতবিরোধীতাকে ইমোশন বলে তাচ্ছিল্য করছে। এটাই হচ্ছে বর্তমান সরকারের হাকিকত। বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে হিন্দুরা দূর্গা পূজা শেষে তাদের মূর্তি নদী-খাল-বিলে ফেলে দেয়। হিন্দুদের ভাষ্যমতে প্রায় ৩০ হাজার ম-পের লক্ষ লক্ষ মূর্তি ফেলানো হয় পানিতে, যেই মূর্তিগুলোতে থাকে নানান বিষাক্ত কেমিকেল। এ সমস্ত বিষাক্ত দ্রব্য পানিতে মিশে মাছসহ অসংখ্য প্রাণীর মৃত্যুর কারণ হয়। অথচ ইউরোপ-আমেরিকাতে হিন্দুরা উন্মুক্ত পানিতে তাদের মূর্তি ডুবাতে পারে না। এমনকি খোদ ভারতেরও অনেক রাজ্যে পানিতে মূর্তি ডুবানোতে আছে নিষেধাজ্ঞা। একমাত্র বাংলাদেশেই অবাধে চলে মূর্তি ডুবানোর নামে পরিবেশদূষণ। তাই অবিলম্বে বাংলাদেশে উন্মুক্ত পানিতে মূর্তি ডু বাকি অংশ পড়ুন...
খবর এসেছে, ৫৭ জনের বহর নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস যাচ্ছে বিদেশে। অথচ দেশে এখন চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে আশার গল্প শুনিয়ে ইউনুস সরকার ক্ষমতায় বলেছিলো, ৫০ দিন পার হলেও এখন তার সিকিভাগও পূরণ করতে পারেনি। বরঞ্চ জনগণের মধ্যে হতাশা আর বিশৃঙ্খলতা দিনে দিনে ছড়িয়ে পড়ছে।
বিশেষ করে আওয়ামী সরকার পতনের আন্দোলনের যারা আহত হয়েছিলো, তারা এখনও সুচিকিৎসা বঞ্চিত। এছাড়া অর্থনীতিতে চরম অস্থিতিশীলতা। আইন শৃঙ্খলার বিন্দুমাত্র নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কিন্তু ইউনুস দেশে কিছু করতে না পারলেও তার বিদেশ টান অব্যাহত আছে।
বাস্তবতা হচ্ছে, বিদ বাকি অংশ পড়ুন...
আর কয়েকদিন পর আসছে হিন্দুদের দূর্গাপূজা। দেখা যায়, দূর্গাপূজার সময় হিন্দুরা মন্দির বাদ দিয়ে রাস্তায় পূজা ম-প বানায়। এতে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে জনগণের চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। এ কারণে পূজা ম-প রাস্তায় বানানো কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
পূজার জন্য তো মন্দির আছে, মন্দিরের বাইরে কেন পূজা হবে? তাই মন্দিরের বাইরে কোনভাবেই পূজা করার সুযোগ দেয়া উচিত নয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
আওয়ামীলীগের আমলে শান্তিচুক্তির নামে পাহাড় থেকে প্রায় ২৩৮টি সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছিলো। আর সেনাবাহিনীর অনুপস্থিতিকে উপজাতিদের সন্ত্রাসীপনা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে পাহাড়ে উপজাতিদের উগ্র কার্যক্রম বেশ চরমে পৌঁছেছে। কিছুদিন পূর্বেও মামুন নামে এক বাঙালীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে উপজাতিরা। এছাড়া বাঙালীদের বাড়িঘরে দেয়া হয়েছিলো আগুন।
এহেন পরিস্থিতিতে একমাত্র সমাধান হচ্ছে পাহাড়ে পুণরায় সেনা ক্যাম্পগুলো ফিরিয়ে নিয়ে আসা, অন্যথায় পাহাড়ে নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে না।
বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে বলেছিলো, ভারতে ইলিশ রফতানি হবে না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, হিন্দুদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রফতানির ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
অথচ বাংলাদেশে এ বছর ইলিশের দাম গত বছরের তুলনায় বেশ চড়া। এত উচ্চমূল্য থাকার কারণে জনগণ ঠিকমত ইলিশ খেতে পায়নি। কিন্তু তারপরও জনগণের চাহিদা পূরণ না করেই ভারতের পূজার জন্য বাংলাদেশ থেকে ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।
বাস্তবিক অর্থে এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণের সাথে এক ধরনের প্রতারণা এবং ধোঁকা দেয়ার শামিল।
বাকি অংশ পড়ুন...
উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জাতিকে আদিবাসী বললে সমস্যা আছে। কারা আদিবাসী সেই দিক বোঝার আগে জানা দরকার বাংলাদেশে যারা হঠাৎ করে নিজেদের আদিবাসী দাবি করছে এর পিছনে কারণ কি? সরকারের সাথে শান্তি চুক্তির সময়েও তারা নিজেদের আদিবাসী হিসাবে উল্লেখ করেনি। তাহলে এখন কেন করেছে।
মূল সমস্যা বাঁধিয়েছে জাতিসংঘের আদিবাসী বিষয়ক ঘোষণাপত্র। এই ঘোষণাপত্রে সর্বমোট ৪৬টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। এসব অনুচ্ছেদের বেশ কয়েকটি ধারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, অখ-তা, অস্তিত্ব, কর্তৃত্ব, সংবিধান ও আত্মপরিচয়ের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। একথা নিশ্চিত করে বলা যায়, যেসব বাকি অংশ পড়ুন...
ভারত প্রায় বলে, বাংলাদেশে নাকি সংখ্যালঘু (হিন্দু) নির্যাতন হয়। কিন্তু তারা নিজ দেশের সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালায়। বিশেষ করে ভারতে মুসলমানদের উপর নানান উপায়ে নির্যাতন নিপীড়ন চলে। ঘরে সামান্য গরুর গোশত থাকলে মুসলমানদের পিটিয়ে শহীদ করা হয়। মুসলিম নারীদের উপর নিয়মিত পাশবিক নির্যাতন করা হয়। মসজিদ ভেঙ্গে মন্দির বানানো হয়। এমনকি মুসলমানরা সপ্তাহে ১ দিন ২ ঘণ্টা জুমুয়ার নামাযের সময় ছুটি পায় সেটাও বন্ধ করে দিয়েছে তারা। যে দেশ নিজ দেশের সংখ্যালঘুদের অধিকার দিতে পারে না, সে কোন যুক্তিতে অন্যদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে কথা ব বাকি অংশ পড়ুন...
খবরে এসেছে, ভারতের মনিপুর রাজে কুকি বিদ্রোহীরা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর উপর ড্রোন হামলা করেছে। এতে ২ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়। শুধু মনিপুর অশান্ত নয়, আমাদের পার্শ্ববর্তী মায়ানমারও অশান্ত আরাকান আর্মি বা মগ বিদ্রোহী ও কুকি চিন বিদ্রোহীদের দ্বারা। ঠিক এমন সময় বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় বিদ্রোহ মাথাচারা দিতে পারে, কারণ যেখানে মনিপুরী ও মগদের জ্ঞাতিভাই উপজাতি গোষ্ঠীগুলো বসবাস করে। দাবী তুলতে পারে স্বায়ত্বশাসন বা পৃথক রাষ্ট্রের। ঠিক এমন সময় দেশের প্রধান উপদেষ্টা উপজাতিদের আদিবাসী বলে দাবী করে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহকে উস্কে বাকি অংশ পড়ুন...












