এদেশের ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান। যাঁরা তাদের নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তাদের জানের চেয়েও বেশি ভালোবাসে। অথচ সেই রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে যবন রবীন্দ্র এমন সব কথা বলেছে, যা কোন ঈমানদার কস্মিনকালেও বরদাশত করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ তার একটি মন্তব্য উল্লেখ করা হলো-
রবীন্দ্র তার রচিত ‘গোরা’ উপন্যাসে লিখেছে- “ভালো মানুষী ধর্ম নয়, তাতে দুষ্ট মানুষকে বাড়িয়ে তোলে। তোমাদের নবী উনি সে কথা বুঝতেন। তাই তিনি ভালো মানুষ সেজে ধর্ম প্রচার করেননি। ” নাউযুব বাকি অংশ পড়ুন...
এমন বস্তুবাদী শিক্ষার ফলে সে দুনিয়ার জীবনকে একমাত্র জীবন মনে করে। ভোগ-বিলাসিতা ও উপভোগের জন্য কর্মজীবনে বৈধ-অবৈধ বাছবিচার না করে অর্থ উপার্জনে মেতে উঠে।
মূলত, দ্বীনী শিক্ষা ও মূল্যবোধ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ফলে প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিতরা আজ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ের শিকার নয়; বরং তারা চারিত্রিক দোষে দুষ্ট। তাদের চারিত্রিক স্খলন ঘটছে প্রকটভাবে।
সম্ভ্রমহরণ, ব্যভিচার, অশ্লীলতা ও নগ্নতায় সমাজ-জীবনকে দূষিত করে ফেলছে তারা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও আজ আর নিরাপদ নয় কথিত শিক্ষিত দুশ্চরিত্রদের হাত থেকে। শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় নানা নামে গড়ে উঠেছে ‘কিশোর গ্যাং’ গ্রুপ। বিপথগামী হয়ে যাওয়া উঠতি বয়সী কিশোর ও তরুণরা এসব সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য।
খুব সহজে বললে, এদের বেশিরভাগই টিনএজার বা ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী। যারা খুন-খারাবির মতো ভয়াবহ অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে। এরা এখন নগরবাসীর কাছে বড় আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে। যার মূলে রয়েছে দ্বীনহীন শিক্ষাব্যবস্থা।
বাংলাদেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার মূল রূপরেখাটি কাঠামোগতভাবে নৌদস্যু ইংরেজদের মাধ্যমে গঠিত, যা তাদের কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে করা হয়েছিল। ফলে স্বভাবতই এ শ বাকি অংশ পড়ুন...
মৌল ও বাদ শব্দ দুটির সন্ধি হচ্ছে মৌলবাদ। সংসদ বাংলা অভিধানে মৌল শব্দের অর্থ হচ্ছে, মূল সম্বন্ধীয়, মূল হতে উৎপন্ন, আদিম। আর ‘বাদ’ শব্দের অর্থ হচ্ছে, মত (মতবাদ), তত্ত্ব ইত্যাদি। আভিধানিক অর্থে মৌলবাদ হচ্ছে, প্রাচীন ধর্মীয় শাস্ত্রবিধির প্রতি অন্ধ বিশ্বাস।
মৌলবাদী কারা? প্রধানত মৌলবাদী হচ্ছে ইহুদী এবং মুশরিক মূর্তিপূজারী জাতি। এরপরে খ্রিস্টানদের মধ্যে যারা প্রোটেস্ট্যান্ট রয়েছে তারা। এরা তাদের কথিত ধর্মের মৌলিক চেতনায় উজ্জীবিত ও অন্যান্য সকল ধর্মের প্রতি চরমভাবে বিদ্বেষ পোষণ করে। যেমন মূর্তিপূজারীরা নিজেরাই দাবি করে তাদ বাকি অংশ পড়ুন...
শের শাহ শূরীর নিকট পরাজিত সম্রাট আকবরের পিতা সম্রাট হুমায়ূন যখন সপরিবারে পলায়ন করছিল, তখন বর্তমান পাকিস্তানের অমরকোটে এক রাজপ্রাসাদে আকবরের জন্ম। প্রথম জীবনে লেখাপড়ার সুযোগ না পেলেও বৈরাম খাঁর নিকট যুদ্ধ বিদ্যায় হাতেখড়ি তার। অপরিণত বয়সেই তাকে সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে হয়েছিল। প্রথম জীবনে আকবর ছিলো দ্বীনদার আলিম এবং ওলীআল্লাহগণ উনাদের ভক্ত। এক যুদ্ধে বিজয়ের পর নগ্ন পায়ে হেঁটে সুলত্বানুল হিন্দ গরীব নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারের উপস্থিত হয়েছিলো। দ্বীনের প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস ভক্ বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি গোষ্ঠীগুলো উস্কে দেয়ার মূলে কাজ করছে বিদেশী কিছু সংস্থা, যেমন- জাতিসংঘ (ইহুদীসংঘ), ইউএনডিপি, কারিতাস, কেয়ার, আশা, সিসিডিবি’সহ আরো কিছু বিদেশী এনজিও। এরাই কুটবুদ্ধি ও কুপরামর্শ দিয়ে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে ক্ষেপিয়ে রাখছে। এই উস্কে দেয়ার পেছনে উপজাতিদের মুলো দেখানো হয়- ‘তাদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দেয়া হবে’। কিন্তু বাস্তবে উপজাতিদের স্বার্থ এখানে মুখ্য নয়। মূল স্বার্থ পশ্চিমা সম্রাজ্যবাদীদের, যারা উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে শুধু ব্যবহার করছে তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে এখন ইলিশের মৌসুম চলছে। যদিও ইলিশের মূল্য উচ্চবিত্তের নাগালেই আছে, মধ্যবিত্তের নাগালে পৌছেনি। এরমধ্যে আগামী ১৩ই অক্টোবর থেকে আবার ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আসছে। ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। প্রতিবারাই দেখা যায়, এই ২২ দিনের পর আর ইলিশ পাওয়া যায় না। এর কারণ সম্ভবত, বাংলাদেশের সীমানায় ইলিশের সংখ্যা পর্যাপ্ত হয়ে গেলে খাবারের অভাবে নতুন ইলিশের ঝাক আর বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে না, ভারত বা অন্য দিকে চলে যায়। যদিও কর্তৃপক্ষ দাবী করে, এই সময়ে ইলিশ ডিম পারে বিধায় ইলিশ ধরা যাবে না। কিন্তু দেখা যায়, ইলিশ ধরার মৌসুমেই ইলিশে প্রচু বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-ইহুদী নাস্তিকগুলো ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বুলি আওড়িয়ে যেসব মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সংবিধান থেকে রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উঠিয়ে দিয়েছিল- এর প্রত্যেকটি রাষ্ট্রের মুসলমানদের পরবর্তীতে কঠিন পরিণতি পোহাতে হয়েছিল। এর মধ্যে তুরস্ক জঘন্যতম। তুরস্কে যখন কামাল লা’নাতুল্লাহ আলাইহি সে কাফির-ইহুদী-খ্রিস্টান ও নাস্তিকদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে তুরস্কের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দিয়েছিল। তখন সেখানকার সমস্ত বড় বড় মসজিদগুলো জাদুঘর ও ঘোড়ার আস্তাবলে পরিণত করা হয়েছিল। মেয়েদের বোরকা পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাস্তায় ব বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উম্মুল মু’মিনীন হযরত আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাদের মুবারক শানে বাল্যবিয়েকে অবমাননা করে গত আগস্ট মাসে মানহানীকর বক্তব্য দেয় ভারতের মহারাষ্ট্রের হিন্দু মুশরিক রামগিরি, যা শ্রবণে আমরা সবাই ব্যাধিত। যে যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ নিন্দা জানাচ্ছি। চলো মুম্বাই হ্যাশট্যাগ করা হচ্ছে। আমরা এই প্রতিবাদকে সমর্থন করি। আমরা চাই অনতিবিলম্বে মুশরিক রামগিরি ও তার দোসর নীতেশ রানেদের গ্রেপ্তার করে শরঈ শাস্তির আওতায় আনা হোক।
কিন্তু এদেশে যখন বাল্যবিবাহ বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানীর উত্তরার মাঠগুলোতে পূজা করতে চায় হিন্দুরা। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকার মুসল্লীরা। তারা বলেন, “যে মাঠে ঈদের নামাজ হয়, সে মাঠে পূজা হয় কিভাবে” মূলতঃ হিন্দুদের পূজার জন্য তাদের মন্দির রয়েছে। কিন্তু তারা মন্দির রেখে রাস্তা বন্ধ করে কিংবা মাঠ দখল করে ম-প বানিয়ে জনবিরক্তি তৈরী করে ও জনগণের চলাচলের স্বাধীনতায় বাধা প্রদান করে, যা আইনত দ-নীয়। তাই মন্দিরের বাইরে মাঠ বা রাস্তায় কোনরূপ পূজা করতে দেয়া যাবে না। বাকি অংশ পড়ুন...












