একবার এক ইহুদী একটা হরিণীকে শিকারের পর গাছের সাথে আটকে রাখলো। সেই হরিণীর ছোট ছোট বাচ্চা ছিল। একে তো বন্দি হওয়ার দুর্বিষহ যন্ত্রণা, তদুপরি ছোট বাচ্চাদের মমতায় ওই হরিণী উদ্বেলিত হয়ে উঠছিল। ক্ষুধার্ত ছোট বাচ্চাদেরকে দুধ পান করাতে হবে। তাই সে মুক্তি চায়। কিন্তু মুক্তির উপায় কি? হরিণীর চোখে পানি। অঝোর ধারায় সে কাঁদছে। ওই পথ দিয়েই যাচ্ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি তো সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত কিছুই জানেন। তবুও কায়িনাতবাসীর ইবরত-নছীহতের লক্ষ্যে হরিণীকে তিনি জিজ্ঞেস কর বাকি অংশ পড়ুন...
মূলকথা হলো, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহাব্বত না করা পর্যন্ত কেউ হাক্বীক্বী মু’মিন হতে পারবে না। উনাদের মুহাব্বতই ঈমান। উনাদের মুহাব্বত ব্যতীত ঈমান পরিপূর্ণ হয় না। আর মুহাব্বত তখনই অন্তরে জাগ্রত হবে যখন সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাওয়ানেহ উমরী বা জীবনী মুবারক সম্পর্কে জানা হবে, আলোচনা করা হবে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠায় উনাদের অসামান্য অবদান, অকল্পনীয় ত্যাগ তিতিক্ষার কথা স্মরণ হবে। ফিকির করলে দেখা যায়, কারো আলোচনা করতে করতে কিংবা শুনতে শুনতেও অন্তরে মুহাব্বত চলে আসে। আবার দে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রচারের প্রথম দিকে আমাদের প্রানপ্রিয় নবী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কাফিররা অনেকভাবে কষ্ট দেয়ার চেষ্টা করে গিয়েছে। উনার গতি রোধ করার জন্য এমন অনেক জঘন্যতম ঘটনার অবতারনা করেছিল যেগুলো মনে পড়লে এখনও সেসব কাফিরদের প্রতি ঘৃণা ও ক্ষোভে ফেটে পড়তে ইচ্ছে করে। মক্কা শরীফে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রচারের শুরুর দিকের এমনই একটি ঘটনা।
একবার আমাদের প্রানপ্রিয় নবী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নামায আদায় করছিলেন। উনার আশপা বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ আবূল কাসেম বিন ইউসুফ ইস্কান্দারানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “আমি পবিত্র মদীনা শরীফে ছিলাম। এক ব্যক্তিকে দেখেছিলাম যে, তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা শরীফের পাশে প্রায়ই এভাবে ফরিয়াদ করতেন, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার উসীলা মুবারক গ্রহণ করলাম, যাতে আমার হারানো ছেলেকে ফিরে পাই।’ উনাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ‘জেদ্দা থেকে আসার পথে আমি প্রাকৃতিক কাজ সারার উদ্দেশ্যে কিছুক্ষণের জন্য দৃষ্টির আড়ালে যাই। সেই সময়ে আমার ছ বাকি অংশ পড়ুন...
অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ اَبـِىْ لَيْلٰی رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُــؤْمِـنُ عَـبْدٌ حَتّٰى اَكُوْنَ اَحَبَّ اِلَـيْـهِ مِنْ نَــفْـسِــهٖ وَاَهْـلِـىْ اَحَبَّ اِلَـيْــهِ مِنْ اَهْـلِـهٖ وَ عِـتْــرَتِــىْ اَحَبَّ اِلَـيْــهِ مِنْ عِتْــرَتِـهٖ وَذَاتِـىْ اَحَبَّ اِلَـيْــهِ مِنْ ذَاتِــهٖ. (معجم الاوسط)
হযরত আবূ লায়লা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। কোনো বান্দা ততক্ষন পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না যতক্ষন পর্যন্ত না তার নফস থেকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি মুহাব্বত করতে পারবে বাকি অংশ পড়ুন...
মক্কা শরীফের এক কিশোর; তিনি তখনও যৌবনে পদার্পণ করেননি। কুরাইশ গোত্রের এক সর্দার, উকবা ইবনে আবূ মুয়ীতের একপাল ছাগল তিনি মক্কা শরীফের গিরিপথগুলোতে চরাতেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন সকালে উঠে উকবার ছাগলের পাল নিয়ে বের হয়ে যেতেন, আবার সন্ধ্যায় ফিরতেন।
একদিন এ কিশোর ছেলেটি দু’জন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন; চেহারায় বুযুর্গীর ছাপ বিরাজমান। উনারা দূর থেকে ছেলেটির দিকেই এগিয়ে আসছেন। উনারা অত্যন্ত পরিশ্রান্ত ও পিপাসার্ত ছিলেন। নিকটে এসে উনারা ছেলেটিকে সালাম জানিয়ে বললেন, “বৎস! এ ছাগলগুলো থেকে কিছু দুধ দোহন করে আমাদেরকে দিন। আমর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন, হযরত যায়িদ ইবনে আরকাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের মধ্যবর্তী ‘খোম’ নামক পানির নালার নিকট দাঁড়িয়ে আমাদেরকে খুতবা মুবারক প্রদান করলেন। প্রথমে মহান আল্লাহ পাক উনার হামদ ও ছানা মুবারক বর্ণনা করলেন, এরপর
নছীহত মুবারক করলেন। অতঃপর বললেন, “সাবধান! হে লোক সকল! নিশ্চয়ই আমি একজন নবী ও রসূল, অচিরেই আমার নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার দূত (হযরত মালাকুল মউত আলাইহিস সাল বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র খিলাফতকালে এক পিতা আসলেন। এসে একটা মামলা দায়ের করলেন। মামলা হলো- পিতা বললো যে, “হে খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! মহান আল্লাহ্ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে, মহান আল্লাহ্ পাক উনার হাবীব ও মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফে সন্তানদেরকে আদেশ দিয়েছেন পিতার হক্ব আদায় করার জন্য। কিন্তু আমার সন্তান আমার কোন হক্ব আদায় করেনা। কাজেই আমি তার বাকি অংশ পড়ুন...
ডেঙ্গু আর ভাইরাল জ্বর এখন ঘরে ঘরে। জ্বর ও জ্বর পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন প্রচুর পরিমাণে পানি এবং পানিজাতীয় খাবার খাওয়ার। পুষ্টিগুণে ভরপুর ডাবের পানি খুবই উপকারী জ্বরের রোগীদের জন্য। ডাবের ফ্রেশ পানি পান করার পাশাপাশি স্বাদে বদল আনতে বানিয়ে ফেলতে পারেন শরবত ও পুডিং। জেনে নিন ৩ রেসিপি।
ডাব-তোকমার শরবত:
ডাবের পানি গ্লাসে ঢেলে নিন। ডাবের ভেতরের অংশে থাকা শাঁস চামচ দিয়ে আঁচড়ে বের করে মিশিয়ে নিন পানির সঙ্গে। এক চিমটি লবণ ও ভিজিয়ে রাখা তোকমা মিশিয়ে পরিবেশন করুন।
ডাবের পুডিং:
৫ গ্রাম চায়না গ্রাস ১ কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে র বাকি অংশ পড়ুন...












