মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَـجْعَلُوْا دُعَآءَ الرَّسُوْلِ بَيْنَكُمْ كَدُعَآءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا
অর্থ: তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাকো, সেভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করো না। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নূর : আয়াত শরীফ ৬৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ সমূহের ভিত্তিতে যতজন পুরুষ কর্তৃক মহিলাদেরকে এবং মহিলা কর্তৃক পুরুষকে দেখা করা বা দেখা দেয়া জায়িয তার একটি তালিকা দেয়া হলো-
ক. একজন পুরুষ কর্তৃক যতজন মহিলাকে দেখা জায়িয।
(১) মা (আপন ও সৎ উভয়েরই দেখা করা জায়িয)।
(২) দাদী, পরদাদী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)।
(৩) নানী, পরনানী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)
(৪) মেয়ে (বৈপিত্রেয়া, বৈমাত্রিয়া মেয়ে ও দুধ মেয়েও শামিল)
(৫) পুতনী (এখানে দুধ ছেলে ও বৈমাত্রেয়া ও বৈপিত্রেয় ছেলের মেয়েও শামিল)
(৬) নাতনী (এখানে দুধ মেয়ে ও বৈপিত্রেয়া মেয়ের মেয়েও শামিল)
(৭) বোন (তিন প্রকারঃ আপন, বৈমাত্রিয়া বোন ও বৈপিত্রিয় বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ تَعَالىٰ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِىْ وَرَجَوْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ عَلٰى مَا كَانَ فِيْكَ وَلَا اُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ لَوْ بَلَغَ ذُنُوْبُكَ عَنَامَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ وَلَااُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ لَوْ لَقِيْتَنِىْ بِقُرَابِ الْاَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيْتَنِىْ لَا تُشْرِكْ بِىْ شَيْئًا لَاَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
অধিক কথা বলার মধ্যে কোন বুযুর্গী ও সম্মান নেই। বরং প্রয়োজনীয় অল্প কথা বলার মধ্যে সম্মান নীহিত। যবান দ্বারা যা কিছুই বলা হয় তা এমনিতেই হওয়ায় উড়ে যায় না। তা আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ اِلَّا لَدَيْهِ رَقِيْبٌ عَتِيْدٌ
অর্থ : মানুষ যবান দ্বারা যা কিছুই বলে তা লিপিবদ্ধ রাখার জন্য তার কাছে প্রহরী নিযুক্ত রয়েছে। (পবিত্র সূরা ক্বাফ : আয়াত শরীফ ১৮)
অর্থাৎ যবান দ্বারা ভাল-মন্দ যা কিছুই বলা হোক অবশ্যই তার হিসাব নিকাশ হবে এবং তার সাথে ক্ষতি ও উপকারের বিষয়টিও জড়িত রয়েছে। দুনিয়া ও আখির বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি তরুণ সমাজের মধ্যে পশ্চিমা কালচারের দিবসা পালন ব্যাপকভাবে দেখা গিয়েছে। বিষয়টিকে যদি শুধু বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন হিসেবে দেখা হয়, তবে আমার মনে হয় ভুল হবে। এটা অনেকটা নিজ সংস্কৃতির সংকটও বটে। কারণ একটা গ্লাস কখন খালি থাকে না। হয় পানি থাকবে, নয়ত বাতাস থাকবে।
মুসলিম তরুণরা বিজাতীয় সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকে যাওয়ার জন্য শুধু অপরকে দায়ী করলে চলবে না,
বরং ইসলামী সংস্কৃতির সংকট এখানে অনেকাংশে দায়ী। আমরা শুধু বলে গেছি, ইসলামে সব আছে, ইসলামে সব আছে। ইসলাম ইজ দ্য কমপ্লিট কোড অব লাইফ। কিন্তু সেই ‘সব’টা কি তা দেখায় দিতে পারে নাই। এই ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَتَخَلَّفُوا عَنْ رَسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَفْسِهِ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেদেরকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى
অর্র্থ: “হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার ব্যবস্থা ক বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, মানুষের অন্তরে কম হোক বেশী হোক যতটুকু অহংকার প্রবেশ করে ততটুকু জ্ঞান অবশ্যই হ্রাস পায়। তিনি বলেন, বজ্র মু‘মিন ব্যক্তি এবং যে মু‘মিন নয় এমন ব্যক্তির উপর পতিত হয়, কিন্তু কোন যিকিরকারীর উপর ইহা পতিত হয় না। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ইমামুল সাদিস মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে নছীহত করেন; পাঁচ ব্যক্তির সাথে থাকবে না, তাদের সাথে কথাবার্তা বলবে না। আমি বললাম, আপনার জন্য আমার প্রাণ কুরবান হ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ উনার ১৩৭নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
فَإِنْ آمَنُوا بِمِثْلِ مَا آمَنتُم بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوا
অর্থ: “যদি তারা আপনাদের মত (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মত) ঈমান আনতে পারে অবশ্যই তারা হিদায়েত লাভ করবে।”
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
قالَ ابنُ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ مَنْ كَانَ مُسْتَنًّا ؛ فَلْيَسْتَنَّ بِمَنْ قَدَ مَاتَ فَإنَّ الْحَيَّ لَا تُؤْمَنُ عَلَيْهِ الْفِتْنَةُ أُولئِكَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانُوْا أَفْضَلَ هذِهِ الْأُمَّةِ أَبَرَّهَا قُلُوْبًا وَأَعْمَقَهَا عِلْمًا وَأ বাকি অংশ পড়ুন...












