তালবীনাহ এক প্রকার লঘুপাক খাদ্য। তালবীনা শব্দটি লাবানুন (لَبَنٌ) শব্দ থেকে এসেছে। অর্থাৎ তালবীনা একটি দুগ্ধজাত খাদ্য। অসুখ বিসুখে রোগীকে সহজপাচ্য, পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও আকর্ষণীয় পথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অসুখ-বিসুখ, দুঃখ-শোকে তালবীনা খাওয়ার পরামর্শ দিতেন।
সাধারণত যবের আটার সাথে দুধ মিশিয়ে তালবীনাহ প্রস্তুত করা হয়। সাথে মিষ্টি জাতীয় খাবার, যেমন: মধু অথবা গুড় অথবা চিনি মিশ্রিত করা হয়।
তালবীনাহ স বাকি অংশ পড়ুন...
ঘটনা-৭০
দুনিয়া ধোঁকার উপকরণ ব্যতীত কিছু নয়
‘দুনিয়া ধোঁকা ব্যতীত কিছুই নয়’ এ বিষয়ে হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি সুন্দর নছীহতপূর্ণ একটি উপমা পেশ করেছিলেন।
এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাঁটছিল। হঠাৎ দেখলো এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। সে প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলো। কিছুদূর গিয়ে একটি পানিবিহীন কুয়া দেখতে পেল। সে চোখ বন্ধ করে তাতে ঝাঁপ দিলো। পড়তে পড়তে একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখে তা খপ করে ধরে ফেললো এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলো। উপরে চেয়ে দেখলো, কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচের দিকে চেয়ে দেখলো, বিশাল এক সাপ তার নিচে নামা বাকি অংশ পড়ুন...
দুনিয়া অন্বেষণকারী না হয়ে পরকাল অন্বেষণকারী হও
১৯শে মুহররম, ১৪৪২ হিজরী (ইয়াওমুল ইসনাইন শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ شَدَّادٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ الدُّنْـيَا عَرَضٌ حَاضِرٌ يَأْكُلُ مِنْـهَا الْبَـرُّ وَالْفَاجِرُ وَإِنَّ الْاٰخِرَةَ وَعَدٌ صَادِقٌ يـَحْكُمُ فِيْهَا مَلِكٌ عَادِلٌ قَادِرٌ يُـحِقُّ فِيْهَا الْـحَقَّ وَيُـبْطِلُ الْبَاطِلَ كُوْنُـوْا مِنْ أَبْـنَاءِ الْاٰخِرَةِ وَلَا تَكُوْنُـوْا مِنْ أَبْـنَاءِ الدُّنْـيَا فَإِنَّ كُلَّ أُمٍّ يَـتْـبَـعُهَا وَلَدُهَا. (مشكوة الـمصابيح)
হযরত শাদ্দাদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলে বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উম্মে আতিয়্যাহ আল আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার পবিত্র নাম মুবারক ছিল নুছাইবা বিনতে হারেস। কারো কারো মতে, উনার পবিত্র নাম মুবারক ছিল নুছাইবা বিনতে কাআব। উম্মে আতিয়্যাহ ছিল উনার পবিত্র উপনাম মুবারক। তিনি এই পবিত্র নাম মুবারকেই প্রসিদ্ধ ছিলেন।
হযরত উম্মে আতিয়্যাহ আল আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি ছিলেন একজন গুরুত্বপূর্ণ আনছারী মহিলা ছাহাবী। তিনি সেই সম্মানিতা মহিলা ছাহাবী যাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অত্যন্ত দয়া ইহসান মুবারক করে উনার সম্মানিত বানাত, বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَنْ كَانَ يُرِيْدُ الْـحَيَاةَ الدُّنْـيَا وَزِيْـنَـتَهَا نُـوَفِّ إِلَيْهِمْ أَعْمَالَـهُمْ فِـيْـهَا وَهُمْ فِيْـهَا لَا يُـبْخَسُوْنَ ﴿১৫﴾ أُولٰئِكَ الَّذِيْنَ لَيْسَ لَـهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ إِلَّا النَّارُ ۖ وَحَبِطَ مَا صَنَـعُوْا فِيْـهَا وَبَاطِلٌ مَّا كَانُـوْا يَـعْمَلُوْنَ ﴿ ১৬﴾ سورة الـهود
যারা দুনিয়া (পার্থিব জীবন) এবং এর সৌন্দর্য চায় আমি তাদেরকে তাদের আমলের পুরোপুরি বদলা সেখানেই (দুনিয়াতে) দিয়ে দেই। তাদেরকে কোনো কিছুই কম দেয়া হয় না। কিন্তু পরকালে তাদের জন্য জাহান্নাম ব্যতীত আর কিছুই থাকবে না। তারা দুনিয়াতে যা করেছে তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। (কারণ) তারা যা আমল কর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّـمَا بَـغْـيُكُمْ عَلٰى أَنْــفُسِكُمْ ۖ مَّتَاعَ الْـحَيَاةِ الدُّنْــيَا ۖ ثُـمَّ إِلَـيْـنَا مَرْجِعُكُمْ فَـنُـنَــبِّـئُكُمْ بِـمَا كُـنْـتُمْ تَـعْمَلُوْنَ ﴿২৩﴾ سورة يونس
হে লোক সকল! নিশ্চয়ই তোমাদের বিরোধীতা তোমাদের উপরই বর্তাবে অর্থাৎ নিজেদেরই ক্ষতি করবে। তোমরা সামান্য দুনিয়াবী সম্পদ ভোগ করে নাও। তারপর তোমরা আমার নিকট প্রত্যাবর্তন করবে। তোমরা যা আমল করতে, সে বিষয়ে আমি তোমাদেরকে অবহিত করবো। [সূরা ইউনূস শরীফ: ২৩]
এখানে বিরোধীতা মানে অবাধ্যতা বা নাফরমানী যা মহান আল্লাহ পাক তিনি অপছন্দ করেন। বান্দা যখন মহান আল বাকি অংশ পড়ুন...
পরকালই সকলের গন্তব্য স্থল বা চিরস্থায়ী ঠিকানা। সেখানেই সকলকে ফিরে যেতে হবে তাই দুনিয়ার উপর পরকালকেই প্রাধান্য দিতে হবে। কেননা দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী আর পরকাল চিরস্থায়ী।
বেঁচে থাকার আকাক্সক্ষা থাকলেও দুনিয়ায় চিরকাল থাকা যাবে না। একদিন মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে।
তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
كُلُّ نَـفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ ثُـمَّ إِلَـيْـنَا تُـرْجَعُوْنَ ﴿৫৭﴾ سورة العنكبوت
প্রত্যেকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে, তারপর আমার (আল্লাহ পাক) কাছেই প্রত্যাবর্তন করবো। [সূরা আনকাবুত শরীফ: ৫৭]
অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন,
وَلِكُلِّ أُمَّةٍ أَجَلٌ فَإِذَا جَ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত হাবীব আযমী রহমাতুল্লাহি আলাইহি প্রথম জীবনে একজন সুদখোর ছিলেন। উনার অনেক টাকা-পয়সা ছিল। তিনি সমস্ত টাকা পয়সা সুদে খাটাতেন। প্রতিদিন দেনাদারদের থেকে তিনি কিছু না কিছু সুদ আদায় করতেন, যা দ্বারা উনার প্রতিদিনের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা হতো। অর্থাৎ উনার শরীরের রক্ত-গোশত সুদের হারাম পয়সা দ্বারা পয়দা হয়েছে।
একদিন হযরত হাবীব আযমী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বাড়িতে এসে দেখলেন ঘরে কোনো খাবার নেই। তখন তিনি দেনাদারদের বাড়িতে গেলেন সুদ আদায় করতে। এক বাড়ি থেকে একটি খাসির মাথা ও অন্য বাড়ি থেকে আটা, লাকড়ি ইত্যাদি নিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশে অনেক শিশুই শ্বাসকষ্টে ভোগে। এ নিয়ে মা-বাবার দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। নানা কারণেই শ্বাসকষ্ট হতে পারে। জন্মগত কারণ থাকতে পারে। আবার বাচ্চার থাকার পরিবেশও এর জন্য দায়ী হতে পারে।
একজন শিশু শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছে, সেটি তার বাবা-মা কিংবা অভিভাবক যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা আসলে কীভাবে বুঝতে পারবেন? শ্বাসকষ্ট শিশুদের একটা খুব সাধারণ রোগ। জীবনের বিভিন্ন সময়ে, শিশু তার জন্মের কোনো পর্যায়ে কোনো না কোনও ভাবে শ্বাসকষ্টে ভোগে। একটা শিশুর বুকের খাঁচা খুব দ্রুত ওঠানামা করবে। তার শ্বাসের গতি বা হৃদস্পন্দনের গতি বেড়ে যাবে। অনেক সময় বাকি অংশ পড়ুন...
এ রোগে চিকিৎসাপদ্ধতি কী?
যখন কেউ এ ধরনের সমস্যা নিয়ে আসে তখন আমরা প্রথমে রোগীর ইভ্যালুয়েশন করি, রোগটা দেখি এবং বিবেচনা করি। বয়স কত, জীবনাচরণ কেমন, শরীরের কী অবস্থা, আগে থেকে কোনো রোগ আছে কিনা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আসি। এসবের ওপর ভিত্তি করে আমরা আসলে ফোকাস করি রোগীর কী হয়েছে। কেন রোগী কষ্ট পাচ্ছে। এরপর আমরা সরেজমিনে পরীক্ষা করি-রক্তশূন্যতা আছে কিনা, তার পালস কেমন। পাশাপাশি আমরা তার হাঁটু পরীক্ষা করি, ঘাড়ে সমস্যা থাকলে ঘাড় পরীক্ষা করি। এরপর আমরা দেখি তার আর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা লাগবে কিনা। আমাদের যদি বিবেচনায় আসে পরীক্ষা নিরীক্ বাকি অংশ পড়ুন...












