খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلٰٓئِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِـىِّ
অর্থ: “নিশ্চয়ই যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সকল সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাত মুবারক পাঠ করে যাচ্ছেন অর্থাৎ উনার সম্মানার্থে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন। ” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখেছেন তার একটি চমৎকার দলীল।
আরেকটি সনদ দেখুন-
হযরত বিশরান ইবনু মিহরান বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত ৪৩০ হিজরী) উনার কিতাবে বর্ণনা করেন-
أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الصَّوَّافِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا الْمِنْجَابِ، أنبا ابْنُ مُسْهِرٍ، وَابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: كَتَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْبَعَةَ كُتُبٍ
আমাদের কাছে বর্ণনা করেন আবু আলী মুহম্মদ ইবনু আহমদ ইবনুল হাসান ইবনু ছাওয়াফ, তিনি বর্ণনা করেন মুহম্মদ ইব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সা’দ ইবনে রাবী’ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত সা’দ ইবনে রাবী’ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উহুদের সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ অনেক কঠিনভাবে আহত হন। শরীর মুবারক-এ ১২টি বর্শা বিদ্ধ হয়ে শরীর ঝাঝড়া হয়ে গেছেন। তাছাড়া প্রায় ৭০টি তরবারী ও তীরের আঘাত ছিলো উনার শরীর মুবারক-এ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘আপনাদের মধ্যে কে আছেন যিনি হযরত সা’দ ইবনে রাবী’ রদ্বিয় বাকি অংশ পড়ুন...
উহুদের সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
উহুদের জিহাদে যখন মুশরিকগুলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর অতর্কিত আক্রমণ করলো, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মাত্র অল্প কয়েকজন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা ছিলেন। উনারা চারদিক থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ঘেরাও করে নিলেন। মুশরিকদের শত শত তীর ও বল্লম এসে উনাদের একেকজনের শরীর মুবারক-এ পড়লো এব বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে সিব্তু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল খ¦মিস আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৯ই জুমাদাল উখরা শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার রাত) ১২টা ২৭ মিনিটে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
তিনি হচ্ছেন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক বাকি অংশ পড়ুন...
শি’বে আবূ ত্বালিবের বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ৬ষ্ঠ বছর সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাসে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে শি’বে আবূ ত্বালিব-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন। উনারা সেখানে তিন বছর সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন। অতঃপর আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত বাকি অংশ পড়ুন...
خِلَافَةٌ (খিলাফত) শব্দ মুবারকখানা আরবী। উনার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে- প্রতিনিধিত্ব করা, স্থলাভিষিক্ত হওয়া। মূলকথা হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নায়িব হয়ে উনার যাহিরী-বাতিনী প্রতিনিধিত্ব করা। عَلـٰى (আলা) অর্থ হচ্ছে- উপর। مِنْهَاج (মিনহাজ) অর্থ হচ্ছে- সিঁড়ি, পদাঙ্ক, পথ ইত্যাদি। اَلنُّـبُوَّة (আন নুবুওওয়াহ্) এখানে নুবুওওয়াত বলতে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক ও রিসালত মুবারক উনাদেরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বুঝানো হয়েছে। সুতর বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ أُولَئِكَ كَتَبَ فِي قُلُوبِهِمُ الْإِيمَانَ وَأَيَّدَهُمْ بِرُوحٍ مِنْهُ
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি ওই ক্বওমকে যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, ন বাকি অংশ পড়ুন...
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখেছেন তার একটি চমৎকার দলীল।
হযরত ইমাম শাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন-
عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَكْتُبُ كَمَا تَكْتُبُ قُرَيْشُ: بِاسْمِكَ اللَّهُمَّ حَتَّى نَزَلَتْ عَلَيْهِ: {ارْكَبُوْا فِيْهَا بِسْمِ اللَّهِ تَجْرِهَا وَمُرْسَهَا} فَكَتَبَ: بِسْمِ اللهِ حَتَّى نَزَلَتْ عَلَيْهِ: {قُلِ ادْعُوا اللَّهَ أَوِ ادْعُوا الرَّحْمَنَ} فَكَتَبَ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ حَتَّى نَزَلَتْ عَلَيْهِ: {إِنَّهُ مِنْ سُلَيْمَانَ وَإِنَّهُ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ فَكَتَبَ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ.
‘হযরত ইমাম শা’বী রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বাকি অংশ পড়ুন...












