জাওয়াব (১ম পর্ব):
পাক্ষিক পত্রিকায় প্রকাশিত উক্ত আর্টিকেলের বক্তব্যটি আদৌ শুদ্ধ হয়নি। বরং সম্পূর্ণ ভুল ও কুফরী হয়েছে এবং এ প্রকার কুফরী আক্বীদা থেকে তওবা করা প্রত্যেক ঈমানদারদের জন্য খাছ ফরয। কারণ এ প্রকার আক্বীদা যারা পোষণ করবে তারা কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে।
হযরত আদম আলাইহিস সালাম এবং হযরত হাওওয়া আলাইহাস সালাম উনারা পরস্পর হচ্ছেন মানবজাতির আদি পিতা ও মাতা আলাইহিমাস সালাম। শুধু তাই নয়, উনারা উভয়ে হচ্ছেন কুল মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়া মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীদের ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকা হয়। ইন্টারভিউতে সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস থেকে শুরু করে জীবন সম্পর্কিত এমন অনেক প্রশ্ন করা হয়। আবার কখনো কখনো প্রার্থীর উপস্থিত বুদ্ধির যাচাইয়ের জন্য এমন কিছু প্রশ্ন করা হয় যাতে তারা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এমনই কিছু প্রশ্ন করা হয়েছে, এবার তা উত্তরসহ দেখে নেওয়া যাক।
১) প্রশ্ন: দারুচিনি উদ্ভিদের কোন অংশ থেকে পাওয়া যায়?
উত্তর: বাকল বা ছাল থেকে।
২) প্রশ্ন: ‘ছজ কোড’ এর পূর্ণরূপ কি?
উত্তর: কুইক রেসপন্স কোড
৩) প্রশ্ন: কোন খাবারটি কখনোই পচে যায় না?
উত্তর: মধু।
৪) প্রশ্ন: ক বাকি অংশ পড়ুন...
(১ম অংশ)
জাওয়াব: তার উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে মনগড়া, মিথ্যা, দলীলবিহীন ও সম্মানিত শরীয়ত তথা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খিলাফ বা বিরোধী। যার কারণে তা হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিবস পালন সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللهِ إِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: (আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন বা দিবসসমূহ স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিনসমূহ স্মরণ বা পালন করার মধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: মসজিদের অনেক ইমাম ও খতীবকে দেখা যায়, তারা দুআ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলে সম্বোধন করে থাকে। এটা কতটুকু শুদ্ধ? পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে সঠিক ফায়ছালা জানিয়ে বাধিত করবেন।
জাওয়াব: মহান আল্লাহ পাক তিনি কুল-মাখলূক্বাতের খালিক্ব, মালিক, রব। সমস্ত প্রশংসা, পবিত্রতা, সম্মান-ইজ্জতের তিনিই মূল মালিক। উনাকে ব্যতিত কারো কোন সম্মান-মর্যাদা হতে পারেনা। কাজেই সবার উর্ধ্বে, সবার আগে এবং সর্বোচ্চ মর্যাদা উনাকেই দিতে হবে।
সুতরাং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করাটা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: ‘ক্বিছ্ছাতুল গ্বরানীক্ব’ কী?
উত্তর: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ একটি বাতিল, মওযূ, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন বর্ণনা। এ ধরণের কোন ঘটনাই সংঘটিত হয়নি।
প্রশ্ন: ক্বিছ্ছাতুল গ্বরানীক্ব সম্পর্কিত বর্ণনাগুলো বিশ্বাস করা কি? বর্ণনাকারীরা কিভাবে এগুলো বর্ণনা করতে পারেছে?
উত্তর: ক্বিছ্ছাতুল গ্বরানীক্ব সম্পর্কিত বর্ণনাগুলো বিশ্বাস করা কাট্টা কুফরী। বর্ণনাকারীরা ইসরাঈলী বর্ণনা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এগুলো বর্ণনা করেছে।
প্রশ্ন: ক্বিছ্ছাতুল গ্বরানীক বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক করা কি?
উত্তর: সমস্ত উম্মতদের জন্য ফরযে আইন।
প্রশ্ন: পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র কোন্ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে কোটি কোটি সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার ঘোষণা মুবারক দিয়েছেন?
উত্তর: ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব: সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো, কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার কাছে বাইয়াত হওয়া ফরয। এটাই হচ্ছে দলীলসম্মত এবং হাক্বীক্বী ফতওয়া। কেননা ইখলাছ অর্জন করা হচ্ছে ফরয। আর ইখলাছ হাছিল হয়ে থাকে কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার ছোহবত মুবারক উনার নূর এবং উনার দেয়া সবক্ব ক্বলবী যিকির করার দ্বারা। আর এসকল প্রতিটি বিষয়ই ফরয উনার অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ফরয। উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করা ফরয। উনার থেকে ফায়িয-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করা ফরয। ক্বলবী যিকির-আযকার করা ফরয। উক্ত বাকি অংশ পড়ুন...












