জাওয়াব:
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পবিত্র আযান উনার পূর্বে পবিত্র দুরূদ শরীফ বা পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করা অবশ্যই জায়িয বরং মুস্তাহাব-সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। তবে পবিত্র আযান উনার মতই উচ্চ আওয়াজে পাঠ করা সুন্নত মুবারক নয় বরং সুন্নত মুবারক উনার খেলাফ। কেননা পবিত্র আযানের পূর্বে আযানের মতই উচ্চ আওয়াজে পবিত্র দুরূদ শরীফ বা পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করার বিষয়টি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, তাবেয়ীন, তাবে-তাবেয়ীন, ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের কারো থেকেই প্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: আহালিয়ার সাথে তালাক হওয়ার কিছুদিন পর আহাল পুনরায় আহালিয়াকে নিতে চায়। কিন্তু আহালিয়ার পরিবার বললো, হিলা দিয়ে নিতে হবে। এই কথা শুনে আহাল আর আহলিয়াকে নিতে চায়নি। কিন্তু ৩ মাস পর আবার আহাল আহালিয়াকে নিতে চায়। তখন আহলিয়ার পরিবার বললো, বিবাহ দোহরালেই শুদ্ধ হয়ে যাবে। এই কথা শুনে আহাল আহালিয়াকে পুনরায় নিতে অর্থাৎ বিবাহ করতে রাজি হয় এবং পুনরায় বিবাহ হয়ে যায়। এদিকে আহলিয়ার পরিবার গোপনে হিলা দেয়ার ব্যবস্থা করে। কিন্তু আহাল এ বিষয়টা মোটেও জানেনি কিংবা আহালকে জানানোও হয়নি। পরবর্তীতে আহাল জানতে পারে যে, হিলা দেয়ার একমাস ১৫ দিন পর বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব:
সুদে লোন নেয়া তো জায়েয নাই। নিজের টাকায় বাড়ী করলে, নিজের টাকা কোথায় পেলো, এটা বলে দিতে হবে। আর জমি কিনলো, কোথা থেকে টাকা পেলো, তা বলে দিলেই হয়। ব্যাংক থেকে লোন নিবে কেন? ব্যাংক থেকে সুদে লোন নেয়া জায়েয নাই। ব্যাংক থেকে সুদে লোন নেয়া, সুদ দেয়া কোনটাই জায়েয নাই। সুদ নেয়া, দেয়া দু’টাই হারাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَأَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا
মহান আল্লাহ পাক তিনি বেচা-কিনা হালাল করেছেন আর সুদকে হারাম করেছেন। কাজেই সুদে নিতে পারবে না। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: সম বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব: আহলিয়ার বাপ নেই, সন্তান-সন্ততি কেউ নেই, ভাই-ভাতিজা কেউ নেই। তাহলে তার মোহরের টাকা তার মাকে দিতে হবে এবং বোনকে দিতে হবে। তার মা-ও পাবে বোন-ও পাবে, দুইজনেই পাবে। এখন ওয়ারিছস্বত্তে তার সম্পত্তি ফারায়িজ হিসেবে বণ্টন করা হবে। এখন কেউ যদি না থাকে তাহলে মা পাবে সম্পত্তির তিন ভাগের একভাগ। আর বোন সেও পাবে সেই তিনভাগের একভাগ। আর একভাগ থাকে। এটা আবার রদ হবে। রদের মাসয়ালা হচ্ছে, দুইজনের মাঝে অর্ধেক অর্ধেক করে দিয়ে দিলে চলবে। এটা রদ করতে হবে। এ মাসয়ালা আহাল বা স্বামী না থাকলে।
বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব: সুন্নত পড়লে তো ভালো। সমস্যা কি? আর জামায়াতে পড়লে তো তখন আর কছর নাই। জামায়াতে পড়লে পুরাটাই পড়তে হবে। একা একা পড়লে কছর পড়তে হবে যদি মুসাফির হয়। আর যদি মুকীম হয় তাহলে তো পুরাই পড়বে। আর মুসাফিরের জন্য সুন্নত পড়া এটা ইখতিয়ার। পড়তে পারলে ভালো। এখনতো সব মূর্খ লোক। মাসয়ালাতো জানে না। তাছাওউফের পরিভাষায়, কোন লোক যদি তার সম্মানিত শায়েখ উনার দরবার শরীফে যায়, সেখানে সে মুকীম। কারণ সম্মানিত শায়েখ উনার অনুমতি ব্যতিত সে বাড়ীতে যেতে পারবে না। ফলে সে মুকীম হয়ে যায়। তার ইখতিয়ার থাকে না বাড়ী যাওয়ার। ইখতিয়ার না থাকলে তাহলে তার কছর হয় কি বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব:
একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ হযরত ইমাম বায়হাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সূত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ হিসেবে উদ্ধৃত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার রোযা ক্বাযা করে যে ব্যক্তি ইন্তিকাল করবে তার পক্ষ থেকে প্রতিদিনের পরিবর্তে অর্ধ সা (দুই মুদ) গম খাদ্য হিসেবে প্রদান করবে।
উপরে উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনার উপর ভিত্তি করে হানাফী মাযহাবে যে মাসয়ালা গ্রহণ করা হয়েছে তা বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব:
ক্বিল্লতে ইলম ক্বিল্লতে ফাহম অর্থাৎ কম জ্ঞান কম বুঝই হচ্ছে ফিতনা সৃষ্টির কারণ। আর ফিতনা সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اَلْفِتْنَةُ اَشَدُّ مِنَ الْقَتْلِ.
অর্থ: ফিতনা হচ্ছে কতল অপেক্ষা বড় গুনাহ। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯১)
আর না জেনে কোন মাসয়ালা বললে বা মাসয়ালার জাওয়াব প্রদান করলে তার অপরাধ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ اُفْتِىَ بِغَيْرِ عِلْمٍ كَانَ اِثْمُهٗ عَلٰى مَنْ اَفْتَاهُ.
অর্থ: যাকে ইলম ছাড়াই (ভুল) ফতওয়া দেয়া হয়েছে (ভুল ফতওয়া আমল করার কারণে) তার যত গুনা বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব:
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে মসজিদের ভিতরে বা মসজিদের বাহিরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করার সঠিক ফায়ছালা হচ্ছে, মসজিদের ভিতরে হোক অথবা মসজিদের বাহিরে হোক, দাঁড়াতে সক্ষম হোক অথবা দাঁড়াতে অক্ষম হোক, প্রত্যেক অবস্থাতেই চেয়ার, টেবিল, টুল, বেঞ্চ অথবা অনুরূপ (পা ঝুলে থাকে এমন) কোন আসনে বসে নামায আদায় করা কাট্টা হারাম, নাজায়িয ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ এবং নামায বাতিল হওয়ার কারণ। এ ফতওয়াটি ছহীহ, দলীলভিত্তিক ও গ্রহণযোগ্য। এর খিলাফ কোন ফতওয়াই ছহীহ, দলীলভিত্তিক ও গ্রহণযোগ্য বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব:
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
تَعَاوَنُواْ عَلَى الْبرِّ وَالتَّقْوٰى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الإِثْـمِ وَالْعُدْوَانِ وَاتَّقُوا اللهَ اِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ
অর্থ: “তোমরা নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সহযোগিতা করো; পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সহযোগিতা করো না। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ২)
পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিয়েছেন কোথায় আমাদের যাকাত, ফিতরা, উশর দিতে হবে। অর্থাৎ ১. আদেশ: যারা নেককা বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব: “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যেহেতু ছেলে সন্তান কেউ হায়াতে ছিলেননা, তাই উনার কোন বংশও পৃথিবীতে নেই”- একথা শুদ্ধ নয়। এটা কাফিরদের বক্তব্য যা কাট্টা কুফরী।
কারণ, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার বংশ মুবারক জারী রয়েছে উনার মহাসম্মানিতা কণিষ্ঠা মেয়ে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার দুই আওলাদ ইমামুল ছানী, সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব (২য় অংশ):
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণ উনাদের শানে ইন্তিকালের হুকুম:
হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান মুবারক সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اَلْاَنْبِيَاءُ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ اَحْيَاءٌ فِىْ قُبُوْرِهِمْ.
অর্থ: “হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনারা উনাদের রওজা শরীফে জীবিত রয়েছেন।” (দায়লামী শরীফ)
মূলতঃ হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ, পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ এবং উনাদের বিশেষ ঘটনা সংঘটিত হওয়ার দিনসমূহ মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনসমূহের অন্তর্ভুক্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইন্তিকাল দিবস হচ্ছে দুঃখের দিন। আর দুঃখের দিনে খুশি প্রকাশ করাটা অন্যায়। ” এ বক্তব্য কতটুকু পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ সম্মত? দয়া করে জানাবেন।
জাওয়াব (১ম অংশ): উপরোক্ত বক্তব্য পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের সম্পূর্ণ খিলাফ যা কাট্টা কুফরী। আর “ইন্তিকাল” শব্দের অর্থ হচ্ছে স্থানান্তরিত হওয়া বা করা। অর্থাৎ ইহ্কাল থেকে পরকালে স্থানান্তরিত হওয়া বা গমন করা।
হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের শান মুবা বাকি অংশ পড়ুন...












