সুওয়াল :
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতকে কেন্দ্র করে অনেকে জলীলুল ক্বদর ছাহাবী হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দোষারোপ করে থাকে। এ ব্যাপারে সঠিক ফায়ছালা জানতে বাসনা রাখছি।
জাওয়াব:
কোন হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যেমন কোন ব্যাপারে দোষারোপ করা জায়িয নেই। তদ্রƒপ কোন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকেও কোন ব্যাপারে দোষারোপ করা জায়িয নেই।
এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কিতাব কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزْرَ أُخْرٰى
অর্থ: “একজনের পাপ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পাতলা ও টাইট বা চিপা পোশাক পরিধান করা কতটুকু ঠিক?
জাওয়াব:
যেসব পাতলা ও টাইট পোশাক পরিধান করলে শরীর দেখা যায় তা পরিধান করা জায়িয নেই। এমন ধরণের পোশাক পরিধান করা উচিৎ যেন শরীর দেখা না যায়। কারণ পোশাক পরিধানের উদ্দেশ্যই হচ্ছে শরীর বা দেহ আবৃত রাখা।
কাজেই, যে পোশাক পরলে দেহ ভালভাবে আবৃত হয় না বরং দেহ দেখা যায় তা কখনোই জায়িয হতে পারে না। তা পরা আর না পরা উভয়ই সমান।
পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যেই সুন্নতী পোশাক পরিধান করাই ফরয। উক্ত পোশাকই উত্তম পোশাক। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মু বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এক আহালের দুই আহলিয়া, প্রথম আহলিয়া অনেক বছর আহাল থেকে আলাদা। অবশেষে প্রথম আহলিয়া একাধিকবার তালাক নিতে চাইলে আহাল তালাক দিতে রাজি হয় না। পরে আহলিয়া তার আহালকে মোবাইলে কল করে, আহালকে এক প্রকার বাধ্য করে মৌখিকভাবে তালাক দিতে। অবশেষে আহাল তার অনিচ্ছাসত্বেও আহলিয়ার শিখিয়ে দেওয়া তরতীব অনুযায়ী মোবাইল কলে তালাক দেয়। তার বক্তব্য ছিলো এমন- আমি অমুক (আহালের নাম) অমুকের (আহলিয়ার বাবার নাম) অমুককে (আহলিয়ার নাম) স্বজ্ঞানে, স্ব-ইচ্ছায় তালাক দিচ্ছি, এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক। এভাবে আহাল তালাক প্রদান করে। মোবাইল কলে একজন মেয়ে ও একজ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
মেয়েরা পুরুষের নিকট পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা করতে পারবে কি না?
জাওয়াব:
পাঁচ বৎসর বয়স পর্যন্ত শিক্ষা করতে পারবে। আর এর থেকে বয়সে বড় হলে পরপুরুষের কাছে সামনাসামনি কোনকিছুই শিক্ষা করতে পারবে না। তা নাজায়িয ও হারাম হবে।
তবে খাছ পর্দার সাথে শিক্ষা করতে পারবে বা তা’লীম নিতে পারবে, তাতে কোন অসুবিধা নেই। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ক্বাযীখান ও সমূহ ফিক্বাহর কিতাব)
সুওয়াল:
কোন বিবাহিতা মহিলার জন্য তার পিতার বাড়ী মুসাফিরী দূরত্বে হলে সেখানে ক্বছর করবে কিনা?
জাওয়াব:
পিতার বাড়ী মুসাফিরী দূরত্বে হলে সেখানে নামায ক্বছর করতে হবে। কেননা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল :
কোন কোন আহাল (স্বামী) ঘরে এসে এক গ্লাস পানিও ঢেলে খায় না। সব কাজ আহলিয়ারই করতে হয় বিধায় আহলিয়ার কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ক্ষেত্রে শরয়ী ফায়ছালা কি?
জাওয়াব:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের কাজ নিজে করেছেন আবার হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও উনার খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দিয়েছেন। তাই নিজের কাজ নিজে করাও সুন্নত আবার আহলিয়া করে দেওয়াও সুন্নত। অতএব প্রত্যেক আহাল ও আহলিয়ার উচিত অবস্থা বুঝে ও মিলে মিশে কাজ করা।
এ প্রসঙ্গ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
আমাদের মসজিদের ইমাম আগে ফজর ও আছরের ফরজ নামাযের পর মুছল্লীদের দিকে ঘুরে মুনাজাত করতেন আর যোহর, মাগরিব ও ইশা’র নামাযের পর না ঘুরে মুনাজাত করতেন। কিন্তু এখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর ঘুরে বসেন। বিশেষ করে যোহর, মাগরিব ও ইশা’র ফরয নামাযের পর মুনাজাত শেষ করে অধিকাংশ মুছল্লিদেরকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে বিভিন্ন মাসনূন দোয়া পাঠ করেন। এরপর দু রাকায়াত সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামায আদায় করেন। এ বিষয়ে দলীল তলব করলে বুখারী শরীফ থেকে একটি হাদীছ শরীফ পেশ করে । এখন আমার জানার বিষয় হলো- পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর কি ঘুরে বসা সুন্নত? ও যেসব ফরয না বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এক মুনাফিক কিছু বাতিল ও মনগড়া দলীল জোগাড় করে মূর্তিকে জায়িয প্রমাণ করার অপচেষ্টা করেছে। তার মূল বক্তব্য হচ্ছে, যে মূর্তিকে পূজা, আরাধনা, ইবাদত করা হয়, যেটা মানুষকে মুশরিক বানায়; সেটা নিষেধ। কিন্তু যে মূর্তিকে আরাধনা ইবাদত করা হয় না বরং যে মূর্তি সৌন্দর্য বাড়ায়, সুসজ্জিত করে সেটা নিষেধ নয়।
অতএব, উক্ত ব্যক্তির এ ধরণের যুক্তি কতটুকু ইসলামসম্মত? দলীলসহ জাওয়াব দিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এক মুনাফিক কিছু বাতিল ও মনগড়া দলীল জোগাড় করে মূর্তিকে জায়িয প্রমাণ করার অপচেষ্টা করেছে। তার মূল বক্তব্য হচ্ছে, যে মূর্তিকে পূজা, আরাধনা, ইবাদত করা হয়, যেটা মানুষকে মুশরিক বানায়; সেটা নিষেধ। কিন্তু যে মূর্তিকে আরাধনা ইবাদত করা হয় না বরং যে মূর্তি সৌন্দর্য বাড়ায়, সুসজ্জিত করে সেটা নিষেধ নয়।
অতএব, উক্ত ব্যক্তির এ ধরণের যুক্তি কতটুকু ইসলামসম্মত? দলীলসহ জাওয়াব দিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।
জাওয়াব:
তৃতীয়ত কাট্টা মুনাফিক ব্যক্তিটি বলেছে, “তখন সম্মানিত কা’বা শরীফ উনার দেয়ালে ৩৬০টি মূর্তি ও অনেক ছবির সঙ্গে হযরত ঈসা রূহুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...












