অনেকে মনে করে থাকে, বাচ্চা ছেলে তাকে একটু মেন্দী বা মেহেদী দিয়ে দেয়া হোক, তাতে অসুবিধার কি রয়েছে? তারা এখনও বালেগ হয়নি। কিন্তু না, বুখারী শরীফের হাদীছ শরীফে রয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার হযরত আন নূরুর রাবিআহ ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার হুজরা শরীফে তাশরীফ নিলেন। সেখানে যেয়ে দেখতে পেলেন, হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قَاتِلُوْهُمْ يُعَذِّبْهُمُ اللهُ بِاَيْدِيْكُمْ وَيُـخْزِهِمْ وَيَنْصُرْكُمْ عَلَيْهِمْ وَيَشْفِ صُدُوْرَ قَوْمٍ مُؤْمِنِيْنَ
অর্থ: আপনারা তাদের (কাফির-মুশরিকদের) বিরুদ্ধে জিহাদ করুন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের হাতে তাদেরকে শাস্তি প্রদান করবেন। সুবহানাল্লাহ! তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আপনাদেরকে জয়ী করবেন এবং সম্মানিত ঈমানদার উনাদের অন্তরসমূহকে শিফাদান করবেন অর্থাৎ এতমিনান দান করবেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: আয়াত শরীফ ১৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন| আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন|
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন| আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন|
সম বাকি অংশ পড়ুন...
যদি কেউ আতর-গোলাপ মেখে, সুঘ্রাণ মেখে, কোন বেগানা পুরুষের সামনে দিয়ে চলে, সম্প্রদায়ের সামনে দিয়ে চলে, তার উদ্দেশ্য তার শরীরের সুঘ্রাণ যেন মানুষ পায়, তাহলে সে ব্যভিচারিণী হিসাবে সাব্যস্ত হবে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে|
এরপর ইরশাদ মুবারক করেছেন আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি-
قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ الْمَرْأَةَ إِذَا اِسْتَعْطَرَتْ فَمَرَّتْ بِالمَجْلِسِ فَهِيَ كَذَا وَكَذَا يَعْنِي زَانِيَةً
যদি এমন কোন মহিলা থাকে, তার উদ্দেশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
পরবর্তী উম্মতের প্রতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কিছু সুমহান উপদেশ মুবারক রয়েছে| যা সচরাচর আলোচনা হয় না তবে ইবরতপূর্ণ| উপদেশ মুবারকসমূহ হলো-
১. সর্বাপেক্ষা সহজ নেকী হলো প্রফুল্ল মুখ এবং মিষ্টি কথা|
২. সুমিষ্ট শরবত যেভাবে পান করো, সেভাবেই ক্রোধ/রাগ/গোস্সা হজম করো|
৩. চরিত্র খারাপ হলে ঈমানও খারাপ হয়|
৪. পাপ/গুনাহ/হারাম কাজ করতে চাইলে সে স্থান তালাশ করো যেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি নেই|
৫. বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট যতই প্রিয় হোক না কেন, সে যখন পার্থিব কিছু চায়, তখন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তার মর্যা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
مَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
অর্থ : যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর তাওয়াক্কুল করে তথা ভরসা করে; তিনিই তার জন্য যথেষ্ঠ হয়ে যান। সুবহানাল্লাহ! (সূরা ত্বালাক্ব শরীফ, আয়াত শরীফ-০৩)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে একটি ওয়াক্বিয়া বর্ণনা করা হয়েছে।
বিশিষ্ট ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ
আমি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে শুনেছি উনি বলেছেন-
لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيهِ جَرَسٌ
‘ঐ ঘরে রহমতের ফেরেশ্তা প্রবেশ করেননা, যেই ঘরে এই ঘন্টা রয়েছে, ঘুঙ্গুর রয়েছে। কাজেই এই ধরনের অলংকার বা নুপূর যেটা মানুষ পায়ে পরে থাকে বা ঘুঙ্গুর’ সেটা পরে মানুষ যখন হাঁটে, তার আওয়াজ হয়, হাদীছ শরীফে রয়েছে, আওয়াজের কারণে ফেরেশ্তারা তার প্রতি লা’নত বর্ষণ করতে থাকেন। নাঊযুবিল্লাহ!
হ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিনটি ব্যতীত। যথা:
১. ছদক্বায়ে জারিয়া,
২. ফায়দাদানকারী ইলিম,
৩. নে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিনটি ব্যতীত। যথা:
১. ছদক্বায়ে জারিয়া,
২. ফায়দাদানকারী ইলিম,
৩. নে বাকি অংশ পড়ুন...
. ঈমানদারদের জন্য আক্বীদা হলো ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই
. ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাস করা জাহেলী যুগের বৈশিষ্ট্য
পবিত্র ছফর মাস আসলেই ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাসী কিছু বদ আক্বীদাধারী নানা চূ-চেরা করে থাকে। এ বিষয়ে মুসলমানদের কি আক্বীদা থাকা দরকার; ছোঁয়াচে রোগ বিষয়ে পবিত্র শরীয়ত কি বলে সে বিষয়ে আমরা সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা করবো।
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَقَالَ عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُوْلُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لاَ عَدْوى وَلاَ طِيَرَةَ وَلاَ هَامَةَ وَلاَ صَفَرَ.
হযর বাকি অংশ পড়ুন...












