হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম বললেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুতাবিক আমরা এসেছি আপনার কাছে সেই সুসংবাদ দেয়ার জন্য। আপনি বেগানা নারীর ওয়াস্ওয়াসা থেকে বেঁচে নিজের ঈমান হিফাযত করেছেন, মহান আল্লাহ পাক উনাকে খুশি করেছেন। যার জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে এ ফযীলত দিয়েছেন এবং আরেকটা নির্দেশ দিয়েছেন মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে।
কি নির্দেশ দেয়া হয়েছে? মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, প্রত্যেক যামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার একজন লক্ষ্যস্থল থাকেন। এ যামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার লক্ষ্যস্থল হচ্ছেন হযরত যুননূন মিছরী রহমতুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا آبَاءَكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاءَ إِنِ اسْتَحَبُّوا الْكُفْرَ عَلَى الْإِيمَانِ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ ﴿٢٣﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! আপনারা আপনাদের পিতা ও ভাইদেরকে বন্ধু-অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবেন না, যদি তারা ঈমান আনার উপর কুফরীকে মুহব্বত করে বা প্রাধান্য দেয়। আর আপনাদের মধ্য থেকে যারা তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তারাই জালিম সাব্যস্ত হবে। (পবিত্র সূরা তওবা: আয়াত শরীফ ২৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
সেখান থেকে তিনি রাতের বেলা হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূরে চলে আসলেন। এক মরুময় জায়গা সেখানে এসে তিনি ক্লান্ত হয়ে গেলেন। ক্লান্তি-শ্রান্তির কারণে, মনে মনে চিন্তা করলেন, এখানে আজকে রাত যাপন করা যেতে পারে। শোয়ার মত বা এখানে ঘুমানোর মত কোন কিছুর ব্যবস্থা নেই। তিনি মনে মনে চিন্তা করলেন, দু’ হাটুতে মাথা রেখে তিনি ঘুমাবেন।
সেটা চিন্তা করে হযরত ইউসুফ বিন হুসাইন রয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি দু’হাটুতে মাথা রেখে তিনি ঘুমালেন, ঘুম এসে গেল। তিনি বর্ণনা করেন, আমার যখন ঘুম এসে গেল হঠাৎ আমি দেখতে পেলাম, আমি এমন এক স্থানে গিয়েছি, এত সুন্দর স্থান আমার জীবনে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ الْفَارُوقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَئِنْ عِشْتُ إِنْ شَاءَ اللهُ لَأُخْرِجَنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ.
অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যমীনবাসী হতে আমার পর্দা করার বিষয়টি যদি বিলম্বিত হতো, তাহলে আমি এই জাযিরাত বাকি অংশ পড়ুন...
সে প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পুরুষদের জন্য বলে দিয়েছেন-
نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَّمْشِيَ الرَّجُلُ بَيْنَ الْمَرْأَتَيْنِ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘কোন পুরুষের জন্য জায়িয নেই, দু’জন মহিলার মধ্যে দিয়ে সে হাঁটে। ’
কোন পুরুষের জন্য সেটা জায়িয হবে না। বরং সম্পূর্ণ হারাম হবে দু’জন মহিলার মধ্য দিয়ে হাঁটা।
মেয়েরা এক পাশ দিয়ে হাঁটবে। পুরুষরা অন্য পাশ দিয়ে হাঁটবে। কোন পুরুষ যেন কোন বেগানা মহিলাদের মধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُوا لِلَّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا مُّبِينًا ﴿١٤٤﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। (কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে) তোমরা কি চাও, তোমাদের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে? (পবিত্র সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ১৪৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمَّارِ بْنِ يَاسَرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰي عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثَلَاثَةٌ لَا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ أَبَدًا: اَلدَّيُّوثُ مِنَ الرِّجَالِ، وَالرَّجُلَةُ مِنَ النِّسَاءِ، وَمُدْمِنُ الْخَمْرِ.
অর্থ: হযরত আম্মার বিন ইয়াসার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন ব্যক্তি কখনই জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
(১) দাইয়ূছ (যে পুরুষ নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থ মহিলাদের পর্দা করায় না)।
(২) ঐ সকল মহিলা বাকি অংশ পড়ুন...
“গান-বাজনা” ও “বাদ্য-যন্ত্র” হারাম হওয়া সম্পর্কে অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। যেমন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى مَعْصِيَةٌ وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا فِسْقٌ وَالتَّلَذُّذُ بِهَا مِنَ الْكُفْرِ
অর্থ: গান শোনা গুণাহের কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসেকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। (মিরকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাছাবীহ)
বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
অতএব এ হাদীছ সম্পর্কে পরিপূর্ণ বুঝতে হলে বা ফতওয়া জানতে হলে তার সনদ দেখা জরুরী। নি¤েœ তার সনদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
প্রথম সনদ:
عن سَيْف بْن مِسْكِينٍ، حدثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْمَسْعُودِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضى الله تَعَالٰى عنهما، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
উপরোক্ত সনদে একজন রাবী আছে সাইফ বিন মিসকীন। এর রাবীর বর্ণিত হাদীছ খুবই দূর্বল ও এ রাবীর সম্পর্কে জাল হাদীছ তৈরির অভিযোগও আছে।
এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম ইবনে ক্বাইসারানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَّلاَ صُوْرَةُ تَمَاثِيْلَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি হযরত আবূ ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ওই সমস্ত ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন বাকি অংশ পড়ুন...












