৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যে আছেন। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ন্ত্রণ মুবারক-এ, যিয়ারত মুবারক-এ, দীদার মুবারক-এ এবং ছোহবত মুবারক-এ আছেন। তখন কিছুই ছিলো না। আর কোন্ কাইফিয়্যাতে আছেন? যিনি খ্বাালিক্ব যিনি মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনি যেই কাইফিয়্যাতে আছেন, ঐ কাইফিয়্যাতে আছেন। এখন যদি বাকি অংশ পড়ুন...
১) পবিত্র হারাম মাসসমূহ উনাদেরকে।
২) পবিত্র কুরবানী উনার পশুগুলোকে।
৩) পবিত্র হজ্জ সম্পাদনকারীগণ উনাদেরকে।
বাকি অংশ পড়ুন...
জেটি ভরে যেতো বিদায় দিতে আসা স্বজনদের ভিড়ে:
অনেকে ফিরে আসতে না পারা বা জীবনের শেষ ভ্রমণ হিসেবে হজকে বিবেচনা করতেন। তাই হজে যাওয়া ব্যক্তিদের বিদায় দিতে আসতেন চেনা-জানা সবাই। তারা আশেপাশের হোটেলে বা আত্মীয়দের বাসায় উঠতেন।
আত্মীয়-পরিজনের কারণে এতই ভিড় হতো যে, চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে অবস্থিত চার নম্বর জেটি হজযাত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিলো। ১৭টি জেটির মধ্যে চার নম্বর জেটি ছিলো সবচেয়ে বড় এবং খোলামেলা পরিবেশের।
বিদায় দেওয়ার দিন হজযাত্রীদের বাসে করে নিয়ে যাওয়া হতো বন্দরে। সকাল ৯টা-১০টা নাগাদ জাহাজে সব যাত্রী উঠে পড়লে জাহাজের বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৩য় অংশ) :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بنت شَيْبَة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْها قَالَتْ: رَأَيْتُ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَة الصِّدِّيْقَة عَلَيْهَا السَّلَامُ طَافَتْ بالبيت وهي منتقبة-
অর্থ: হযরত ছফিয়্যাহ বিনতে শাইবা রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে নিক্বাব পরিহিতা অবস্থায় পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করতে দেখেছি। (আত্ব-ত্ববাকাতুল কুবরা লি-ইবনি স বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهٖ حَتّٰى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهٖ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهٖ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهٖ مِنْ أَيْنَ اِكْتَسَبَهٗ وَفِيمَ أَنْفَقَهٗ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ
অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন ৫টি হলো:
১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?
২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?
৩) কোন পথে আয় করেছে?
৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?
৫) নিজের ইলিম অনুযায়ী কি আমল করেছে? (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
এলোরে কুরবানীর ঈদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
কুরবানীর ঈদ!
লেগেছে দেখো ফের ধুম
এসেছে ত্যাগের মৌসুম
আনন্দে পূর্ণ হৃদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
প্রতিটি মহল্লায় হাট
জমেছে বড় বিরাট
দু’চোখে নেইযে নিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
পছন্দের পশু কিনবো
মালা সাজিয়ে আনবো
খুশি করবো খরিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
তাকবীরে তাশরীকের শান
আল্লাহু আকবারের টান
রঞ্জিত মুজাহিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
সুন্নতি মর্জি মাফিক
উৎসবে রত আশিক
তাড়াতে দিল মারিদ
এলোরে কুরবানীর ঈদ!
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ
অর্থ: আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য পবিত্র কুরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। বিশ্বব্যাপী পালিত হবে পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুসলমানরা এই দিনে পশু কুরবানী করবেন মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের জন্য। পাশাপাশি, সম্মানিত শরীয়ত উনার রীতিনীতি পালনের মাধ্যমে এই দিনে মুসলমানগণ খুশি প্রকাশ করে থাকেন। পূর্বের মুসলমান শাসনগুলোতেও পবিত্র কুরবানীর ঈদ বিশেষ রীতিনীতির সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে পবিত্র এই দিবস উনার সাথে ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাতের বিশেষ কিছু তাহযীব জড়িত রয়েছে।
তুরস্কে পবিত্র কুরবানীর ঈদ ‘কুরবান বাইরাম’ নামে পরিচিত। উসমানীয়রা পবিত্র কুরবানীর ঈদ অত্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আগামী ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা তথা পবিত্র কুরবানীর ঈদ।
দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম ঈদের নামায রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ!
রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ইমামতিতে উক্ত নামায অনুষ্ঠিত হবে। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
কুরবানির ঈদে গোশত সংরক্ষণ করার আলাদা কাজ থাকে। দেখা যায়, অনেক গোশত সংরক্ষণ করতে হয়। সেক্ষেত্রে গোশত এমনভাবে সংরক্ষণ করা উচিত যাতে অনেক দিন ভালো থাকে। রেফ্রিজারেশন পদ্ধতিতে গোশত সংরক্ষণ করার দুই রকম নিয়ম জেনে নিন।
(১) গোশতে চর্বি যত কম থাকে, তত বেশিদিন ভালো থাকে। সংরক্ষণের আগে গোশত থেকে রক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে নিতে হবে। গোশত বেশি মোটা করে না কেটে সøাইস করে রাখলে বেশিদিন ভালো থাকে। সøাইস করে কাটা গোশত ছোট ছোট প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে পারেন।
জিপলক ব্যাগ ব্যবহার করলে বেশি ভালো। এ ছাড়া গোশত সংরক্ষণে বিভিন্ন প্লাস্টিক ব্যাগ বা ব বাকি অংশ পড়ুন...












