অর্থাৎ এখানে হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যিনি খাদিমে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেন, আমি এখানে উপস্থিত ছিলাম। সকলের খাবার শেষ হয়ে গেল, কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বসে আলোচনা করতেছিলেন। আর তখনও পর্দার আয়াত শরীফ নাযিল হয়নি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি বিপরীত পাশে সেই মহাসম্মানিত হুজরা শরীফ উনার দিকে চেহারা মুবারক করে বসে ছিলেন। কিন্তু কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এখানে বসে আলোচনা করতেছিলেন। মহাসম্মানিত মহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৯)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
قَالَ حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْحَكَمِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مَنْ سَبَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ مُّسْلِمٍ اَوْ كَافِرٍ قُتِلَ وَلَـمْ يُسْتَتَبْ وَحَكَى حَضْرَتْ اَلطَّبَرِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مِثْلَهٗ عَنْ حَضْرَتْ اَشْهَبَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ مَالِكٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ
অর্থ: “হযরত ইমাম আবূ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম ইবনে আ’ইয়ান ইবনে লাইছ মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১৫৫ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২১৪ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, যে ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, “(১৪৩৫ হিজরী শরীফ) সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আন নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক অর্থাৎ পবিত্র ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ অত্যন্ত তা’যীম-তাকরীম মুবারক, সম্মান-ইয্যত মুবারক, মুহব্বত মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আখাছ্ছুল খাছ নিসবত মুবারক লাভ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَـمًا فِـىْ مَوْلِدِىْ كَانَ رَفِيْقِىْ فِـى الْـجَنَّةِ
অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে এক দিরহাম (চার আনা রূপা অথবা সমপরিমাণ অর্থ-সম্পদ) খরচ করবেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে আমার বাকি অংশ পড়ুন...
৫৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইশারা মুবারক نُوْرُ الْاَمِيْنِ مُبَارَكٌ নূরুল আমীন মুবারক
৫৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চক্ষু মুবারক উনার পাতা বা পলক মুবারক نُوْرُ الْـمُبَشِّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুবাশ্শির মুবারক
৫৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোমর মুবারক نُوْرُ النِّظَامِ مُبَارَكٌ নূরুন নিযাম মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
(প্রথম পর্ব)
যখন আমরা মুসলমানদের হারানো সাম্রাজ্যের কথা আলোচনা করি তখন শুধু স্পেন নিয়েই আমরা হতাশ হই। অথচ ফিলিপাইনও স্পেনের খ্রিস্টানদের ষড়যন্ত্রের আরেকটা বিস্তৃতি ছিল। যদি আর ৫০-১০০ বছর মুসলিমরা ধরে রাখতে পারতো ফিলিপাইনের ক্ষমতা তাহলে আজকে হয়ত ১১.৫ কোটি জনসংখ্যার দেশের পুরোটাই মুসলিম হত, সংখ্যার হিসেবে যা স্পেইনের জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।
প্রশ্ন জাগতে পারে- সাউথইস্ট এশিয়ার প্রধান দেশগুলো যেমন- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, কিন্তু ফিলিপিন কেন খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ? এর পিছনে রয়েছে দুঃ বাকি অংশ পড়ুন...
وَإِنَّكَ لَعَلَى خُلُقٍ عَظِيمٍ
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আপনি সুমহান চরিত্র মুবারকের অধিকারী।” (পবিত্র সূরা ক্বলম শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-৪)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উল্লেখিত পবিত্র আয়াত শরীফে উনার যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুণাবলী মুবারকের মধ্য হতে একটি বিশেষ গুণ মুবারকের কথা ঘোষণা করেছেন। মূলতঃ উত্তম চরিত্রই হচ্ছে সমস্ত গুণাবলীর ভিত্তি। আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন নাবিইয়ীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهٖ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى
অর্র্থ: হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার ব্যবস্থা কর বাকি অংশ পড়ুন...












