কারণ অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ একাধিকবার নাযিল হয়েছেন, অনেক পবিত্র সূরা শরীফ একাধিকবার নাযিল হয়েছেন। যেমন সূরা আল কাউছার শরীফ, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ছোট সূরা শরীফ। এই সূরা আল কাউছার শরীফ মক্কা শরীফে নাযিল হয়েছেন, মদীনা শরীফেও নাযিল হয়েছেন একাধিকবার, অনেকবার নাযিল হয়েছেন।
পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ খুব বড় সূরা শরীফ নয়, বারো খানা আয়াত শরীফ, দু’খানা রুকূ শরীফ। এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র আয়াত শরীফের মধ্যে হারাম করা। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে উনার মহাসম্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম অর্থাৎ লক্বব মুবারক রয়েছে, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম অর্থাৎ লক্বব মুবারক দ্বারা আহ্বান করো।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা আ’রাফ শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ১৮০)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বা ব্যাখ্যায় বর্ণিত রয়েছেন,
وَلِلرَّسُوْلِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا
অর্থ: “এবং যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারও অনেক সুন্দর সুন্দর স বাকি অংশ পড়ুন...
৯৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হেলান দেয়া শান মুবারক نُوْرُ الْقَرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল ক্বর্রা মুবারক (স্থায়ী)
৯৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বৃদ্ধকাল মুবারক نُوْرُ النَّوَّرِ مُبَارَكٌ নূরুন নাওওর্য়া মুবারক (বহুত আলোকিত)
৯৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুস্থতা মুবারক نُوْرُ الْاِسْتَوٰى مُبَارَكٌ নূরুল ইস্তাওয়া মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২২)
اهدنا الصراط المستقيم، صراط الذين أنعمت عليهم ممن تقدم وصفهم ونعتهم، وهم أهل الهداية والاستقامة والطاعة لله ورسله، وامتثال أوامره وترك نواهيه وزواجره.
অর্থ: পবিত্র আয়াত শরীফ ত্রয়ের তাৎপর্য এই যে, “আয় মহান আল্লাহ তায়ালা! আপনি আমাদেরকে সঠিক পথ দান করুন। এমন পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন” এখানে নিয়ামতপ্রাপ্ত উনাদের পথ তালাশ করতে বলা হয়েছে। পূর্বে উনাদের গুণাগুণ বর্ণনা করা হয়েছে। উনারাই হলেন হিদায়েতপ্রাপ্ত ও হিদায়েত উনার উপর ইস্তিক্বামত তথা দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত। মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যে প্রতি বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهٖ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى
অর্র্থ: হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার ব্যবস্থা কর বাকি অংশ পড়ুন...












