উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান, খুছূছিয়াত ও বৈশিষ্ট্য মুবারক সেটাতো বলার অপেক্ষা রাখে না। তূর পাহাড়ের পাদদেশে হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করলেন, যিনি জলীলুল ক্বদর রসূল, কিতাবের দিক থেকে তিনি দ্বিতীয়, আর নিসবতের দিক থেকে তিনি তৃতীয় হন। সেই মহাসম্মানিত হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যখন তূর পাহাড়ে গেলেন তখন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
نُودِيَ يَامُوسٰى إِنِّي أَنَا رَبُّكَ فَاخْلَعْ نَعْلَيْكَ إِنَّكَ بِالْوَادِ الْمُقَدَّسِ طُوًى
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা মাওলানা হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের প্রায় সাড়ে ১২ বছর পূর্বে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার) সকালে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তখন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বয়স মুবারক ছিলেন প্রায় সাড়ে ২৭ বছর। আর মহাসম্ বাকি অংশ পড়ুন...
১। সমস্ত গুনাহখতা ক্ষমা করা হবে।
২। জাহান্নাম থেকে পানাহ দেয়া হবে।
৩। রোযাদারের সমপরিমাণ নেকীও পাবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖ وَمَنْ كَانَ مَرِيْضًا أَوْ عَلٰى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ اَيَّامٍ اُخَرَ ۗ يُرِيْدُ اللهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيْدُ بِكُمُ الْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُوا الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا اللهَ عَلٰى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ.
অর্থ: “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রমাদ্বান শরীফ মাস পাবে তাকে অবশ্যই এ মাসে রোযা রাখতে হবে। আর কেউ অসুস্থ হলে অথবা মুসাফির হলে সে অন্য সময়ে (রোযা রেখে) গণনা পূরণ করে নিবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য সহজটা চেয়ে থাকেন, তিনি তোমাদের জন্য কঠিনটা চান না- যাতে তোমরা গণনা পূরণ করতে পারো। এবং তি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রোযা অবস্থায় তরকারী পাক করার সময় লবণ হয়েছে কিনা, তা দেখার জন্য জিহ্বার অগ্রভাগ দিয়ে স্বাদ পরীক্ষা করা জায়িয আছে কিনা?
জাওয়াব:
সাধারণভাবে এরূপ করা জায়িয নেই। হ্যাঁ, যদি কেউ সতর্কতার সাথে এরূপ করে, তবে তা মাকরূহের সহিত জায়িয রয়েছে, না করাই উচিত। তবে কারো স্বামী যদি এমন যালিম হয় যে, তরকারীতে লবণ কম বা বেশি হলে মারধর, যুলুম ইত্যাদি করে, তাহলে যালিমের যুলুম হতে বাঁচার জন্য জিহ¡ার অগ্রভাগ দিয়ে তরকারীর স্বাদ পরীক্ষা করা জায়েয রয়েছে। এক্ষেত্রে মাকরূহ্ হবে না।
লক্ষ্যণীয় যে, তরকারীযুক্ত থুথু কোনো ক্রমেই যেন ভিতরে প্রবেশ না বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَـجْعَلُوْا دُعَآءَ الرَّسُوْلِ بَيْنَكُمْ كَدُعَآءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا
অর্থ: তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাকো, সেভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করো না। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নূর: আয়াত শরীফ ৬৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَاتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلَابِالنَّصٰرٰى فَاِنَّ تَسْلِيْمَ الْيَهُوْدِ الْاِشَارَةُ بِالْاَصَابِعِ وتَسْلِيْمَ النَّصٰرٰى اَلْاِشَارَةُ بِالْاَكُفِّ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা ইহুদী ও নাছারাদের সাথে কোন অবস্থাতেই মিল রেখো না। এমনকি সালাম দেয়ার ব্যাপারেও না। ইহুদীরা সালাম দেয় আঙ্গুলীর ইশারা দ্বারা আর নাছারারা সালাম দেয় হাতের তালুর দ্বারা।” (উল্লেখ্য মুসলমানরা তাদেরকে কোন বিষয়েই অনুসরণ-অনুকরণ করবে না।) (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অন্য এক বর্ণনায় এসেছে-
وفى رواية عَنْ حَضْرَتْ سَعْدِ بْنِ هِشَامِ بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِيِّ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ حَضْرَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْـهَا السَّلَامُ قالت كان خُلُق رسول الله صلى الله عليه وسلم القرآن. ثم قالت أتقرءون سورة المؤمنون؟ قال نعم، فقالت اقرأ، قال فقرأت {قَدْ أَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ. الَّذِيْنَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُوْنَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ لِفُرُوْجِهِمْ حَافِظُونَ. إِلَّا عَلٰى أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُـهُمْ فَإِنَّـهُمْ غَيْـرُ مَلُومِيْنَ. فَمَنِ ابْـتَـغٰى وَرَاءَ ذٰلِكَ ف বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদী যুবাইর ইবনে বাতা কুরাইযী:
এবার যুবাইর বললো, ‘হিজায ভূমিতে একটা পরিবার বাস করবে, আর তাদের কোন সম্পত্তি থাকবে না, তাহলে তারা বাঁচবে কি করে?’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে গিয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘তার সহায়-সম্পত্তি?’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘তাও আপনার।’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ত বাকি অংশ পড়ুন...
গাজার রাস্তায় পড়ে থাকা দখলদারদের ধ্বংসপ্রাপ্ত সামরিক যান। বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইসরায়েলি সাইকোলজিক্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা করেছে যে, গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ৬,৩৭,০০০ এরও বেশি জরুরি কল পেয়েছে, যা ইসরায়েলি দখলদার অধিবাসী এবং সন্ত্রাসী সৈন্যদের মধ্যে উদ্বেগ, ট্রমা, একাকীত্বের অনুভূতি এবং আত্মহত্যার প্রচেষ্টার অভূতপূর্ব বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
ইসরায়েলি সাইকোলজিক্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন (এআরএএন) গত সোমবার একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করে বলেছে যে, ১৯৭১ সালে সমিতি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বিগত বছরগুলোর তুলনায় সম্প্রতি গাজা যুদ্ধের শুরু থেকে, এ পর্যন্ত এ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান নজিরবিহীনভাবে বে বাকি অংশ পড়ুন...












