সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেউ যদি এই পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ না করে-
لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ মুবারক : যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” এই পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ না করবে কোন দিন সে ঈমানদার হতে পারবে না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই সম্মানে সম বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন তিনি হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইতি শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ইমামুল আশির অর্থাৎ দশম ইমাম। সুবহানাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلٰٓئِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِـىِّ يٰآَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوْا تَسْلِيْمًا
“নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সকল সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ছলাত মুবারক পাঠ করে যাচ্ছেন অর্থাৎ উনার সম্মানার্থে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরী বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৪র্থ অংশ) :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عن حَضْرَتْ أبي هريرة رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْه أنه قال المرأة كلها عورةٌ حتى ظفرها-
অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, মহিলাদের সমস্ত শরীরটাই পর্দার অন্তর্ভুক্ত। এমনকি তাদের নখসমূহও পর্দার অন্তর্ভুক্ত। (আদাবুন নিসা লি-আব্দিল মালিক ইবনে হাবীব -পৃষ্ঠা ২১৬)
عن حَضْرَتْ عبد الله بن جعفر رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل للمرأة المسلمة أن يدخل عليها غلامٌ محتلمٌ فيرى كفيها! ولا تكتحل عنده ولا تلبس عنده ثوباً ولا تخلعه ولا تؤاكله إلا أن বাকি অংশ পড়ুন...
মালিকা মালিকা....
ইয়া মালিকা মাদানী হিলাল
ধরাতে জানাই ইস্তিকবাল
শাহ নাওয়াসী আছ ছালীছা
ছলাত ও ছালাম চিরকাল
মুর্শিদী বাগে খুশির হিল্লোল
আগমনে নব মেহমান
ফাল-ইয়াফরাহু করেন স্বয়ং
রসূল ও খোদা যুল-জালাল
তামাম কায়িনায় ঈদের আমেজ
শোর উঠেছে ঈদ মুবারক
গোলাম- আমাতার কাছিদা পাঠ
অনন্ত সকাল ও বিকাল
তারায় তারায় নীল আসমানে
বাহারী ঝিকিমিকি সাজ
যমীন মাঝেও কোটি জবানে
ধ্বনিত সাইয়্যিদা তলায়াল
দুঃখের যুগের অবসান আজ
দুনিয়ায় এলো সুখেরবান
কুবরা নিয়ামত শাহ নাওয়াসী
আনন্দে মুর্শিদী আহাল
অধম ভিখারী আরজি করি
চাহি আজ নিছবতি বন্ধন
শুকরিয়া রূপে প বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَاتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلَابِالنَّصٰرٰى فَاِنَّ تَسْلِيْمَ الْيَهُوْدِ الْاِشَارَةُ بِالْاَصَابِعِ وتَسْلِيْمَ النَّصٰرٰى اَلْاِشَارَةُ بِالْاَكُفِّ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা ইহুদী ও নাছারাদের সাথে কোন অবস্থাতেই মিল রেখো না। এমনকি সালাম দেয়ার ব্যাপারেও না। ইহুদীরা সালাম দেয় আঙ্গুলীর ইশারা দ্বারা আর নাছারারা সালাম দেয় হাতের তালুর দ্বারা।” (উল্লেখ্য মুসলমানরা তাদেরকে কোন বিষয়েই অনুসরণ-অনুকরণ করবে না।) (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াহুদীরা পৃথিবীর সবচেয়ে ধূর্ত ও অভিশপ্ত জাতি। তাদের এই ন্যাক্কারজনক অবস্থার মূল ভিত্তি হলো, তাদের ধর্মীয় আক্বীদা-বিশ্বাস। ইহুদীরা যেই কিতাব এর দোহাই দিয়ে চলে তার নাম হলো তালমুদ। তালমুদের বর্তমান কপিগুলোতে কিছু জঘন্য আক্বীদা-বিশ্বাসের কথা পাওয়া যায়। যথা-
(১) ইয়াহুদীরা আল্লাহ তায়ালা উনার কাছে সমস্ত ফেরেশতা অপেক্ষা প্রিয়। আল্লাহ তায়ালা উনার সাথে তাদের সম্পর্ক, পিতা-পুত্রের সম্পর্ক। নাঊযুবিল্লাহ!
(২) যদি দুনিয়াতে ইয়াহুদীদের অস্তিত্ব না হতো তবে সূর্যের উদয় হতো না এবং পৃথিবীতে বৃষ্টি বর্ষণ হতো না। নাঊযুবিল্লাহ!
(৩) আল্লাহ তায়া বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১১০ নং আয়াত শরীফ এবং পবিত্র সূরা হামীম সাজদাহ শরীফ উনার ৬ নং আয়াত শরীফ-
قل انـما انا بشر مثلكم يوحى الى
দলীল হিসেবে গ্রহণ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায়। তাদের বক্তব্য কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যারা অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায় তারা মূলত আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ও পথভ্রষ্ট। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার অগণিত সৃষ্টির অনন্য একটি হলো চাঁদ। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফে অনেকবারই চাঁদের গুরুত্ব আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে হিজরী মাস গণনা করা হয় চাঁদের উপর ভিত্তি করেই।
সৃষ্টির পর থেকেই চাঁদ আমাদের রাতের আকাশকে আলোকিত করে আসছে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, যদি কোনোদিন চাঁদ না থাকত কিংবা আচমকা চাঁদ বিলীন হয়ে যেত, তবে কেমন হতো আমাদের চেনা এই পৃথিবী? বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন তথ্য ও গবেষণার ওপর ভিত্তি করে চলুন জেনে নেওয়া যাক চাঁদহীন পৃথিবীর রূপ কেমন হতো।
মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মতে, চাঁদ আকারে পৃথিবীর চেয়ে মাত বাকি অংশ পড়ুন...












