হযরত খুবাইব ইবনে আদী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত মূসা ইবেন উক্ববাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘মাগাযী’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন যে,
أَنَّ حَضْرَتْ خُبَيْبًا رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ زَيْدَ بْنَ الدَّثِنَةِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قُتِلَا فِي يَوْمٍ وَاحِدٍ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُمِعَ يَوْمَ قُتِلَا وَهُوَ يَقُولُ وَعَلَيْكُمَا أَوْ عَلَيْكَ السَّلَامُ
অর্থ: “হযরত খুবাইব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে এবং হযরত যায়দ ইবনে দাছিনাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে অর্থাৎ উনাদের দু’জনকে একই দিনে শহীদ করা হয়েছিলো। য বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার যাত পাক (পবিত্র সত্ত্বা) উনার সাথে অথবা মহান আল্লাহ পাক উনার ছিফাত বা গুনাবলীর কোনটির মধ্যে উনার মতো অপর কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে অংশীদার সাব্যস্ত করার নাম শিরক। আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যাত পাক ও ছিফাত সমূহের মধ্যে কাউকে শরীক করে তাকে মুশরিক বলে।
মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া অসীম। তিনি ইচ্ছা করলে বান্দার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু শিরক এমনই মারাত্মক গুনাহ বা অপরাধ যে, তিনি কিছুতেই শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পরিস্কারভাবে ঘোষণা করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আর যখন আমি বললাম, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা জ্বিনসহ আমার যিনি খলীফা, আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করুন। সকলেই সিজদা করলো। কিন্তু সে (ইবলীস) অস্বীকার করলো, অহংকার করলো, সে সিজদা করলো না। যার কারণে সে কাফির হয়ে গেলো। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
উল্লেখ্য, ইবলীস একটি আদেশ মুবারক অমান্য করার কারণে যদি সবচেয়ে ব বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মী অর্থ নিরক্ষর করে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতেছেন। এ বিষয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা-
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফে এমন অনেক শব্দ আছে যা আপনি চাইলেও ডিকশনারী দেখে অর্থ করতে পারবেন না। যদি করেন ঈমান আমল সব শূণ্য হয়ে যাবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ অতি উচ্চাঙ্গের বর্ণনা ও শব্দশৈলী দ্বারা বিন্যাসকৃত একটি গ্রন্থ। ধর্মব্যবসায়ী বাঙালী অবিধান লব্ধ জ্ঞান থেকে চিন্তা করে অনেক সময় হিসাব মেলাতে পারে না। তরজমা করার আগে সবসময় যে বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হয় সেটা হচ্ছে- যে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে সে বিষয়ে পবিত্র ইসলামে আমা বাকি অংশ পড়ুন...
লোম বা পশমবিহীন জুতা পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লোম বা পশমশূন্য মহাসম্মানিত না’লাইন শরীফ (জুতা মুবারক) পরিধান করেছেন, লোমযুক্ত না’লাইন শরীফ (জুতা মুবারক) তিনি পরিধান করেননি বরং লোমযুক্ত জুতা পরিধান করতে তিনি নিষেধ করেছেন।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُبَيْدِ بْنِ جُرَيْجٍ رحمة الله عليه أَنَّهُ قَالَ لحضرت ابْنِ عُمَرَ رضى الله تعالى عنهما رَأَيْتُكَ تَلْبَسُ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ قَالَ : إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَلْبَسُ النّ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের সময় আমার একখানা সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে রাখবেন, তিনি একশত শহীদের ফযীলত মুবারক লাভ করবেন। ” সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ‘ত্বীন’ নামে একটি পবিত্র সূরা শরীফ নাযিল করেছেন এবং সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ত্বীনের শপথ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
কিছুক্ষণ সময় উলামায়ে ‘সূ’দের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরা ষাট মতান্তরে ১ হাজার বছর বেরিয়া নফল ইবাদতের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।
প্রসঙ্গত উলামায়ে ‘সূ’ আহাজারীর কুখ্যাত কুফরী কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হলো।
আহাজারী বলেছে:
০১.তারাবির নামাজ ৪ রাকাত আদায় করলে হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ!
০২.সুন্নাতে মুয়াক্কাদা নামায না পড়লেও কোনো গুনাহ হবে না। নাউযুবিল্লাহ!
০৩.মহিলারা রাস্তা-ঘাটে, হাট-বাজারে যেখানেই যাবে চেহারা ও হাত খোলা রাখবে কোন সমস্যা নেই। নাউযুবিল্লাহ!
০৪. প্রজেক্টেরের মাধ্যমে মহিলাদেরকে বয়ান শোনানো জায়েয। নাউযুবিল্লাহ!
০৫. নূরে মুজাসসাম হাবীবু বাকি অংশ পড়ুন...
ওয়াজ বাংলায় প্রচলিত অতি পরিচিত একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ উপদেশ, আবেদন, প্রচার, সতর্কীকরণ ইত্যাদি। যারা ওয়াজ করেন তাদের ওয়ায়েজিন বলা হয়।
বর্তমানে অধিকাংশ ওয়ায়েজিনের বক্তব্য, তাদের অঙ্গভঙ্গি, রসিকতা, যাত্রা পালা, সার্কাস সিনেমার ভাঁড় ও জোকারদের হার মানায়। তাদের অতি কথন, গানের টান, জিকিরের স্টাইল দূর থেকে যে কারো কাছে কোন শিল্পীর কনসার্ট মনে হবে।
তারা হাসি তামাশার অভিনয় করে লোকজনদের ধরে রাখার প্রয়াস চালায়। এতে যুবক তরুণদের মনে ইসলামের মূল বার্তার পরিবর্তে একটি মিশ্র জগাখিচুড়ি অনৈসলামিক বিষয় বদ্ধমূল হচ্ছে।
এদের ভ্রান্ত আকিদ বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে দেশের অনেক মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালগুলোতে যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জেলা পর্যায়ের জেনারেল হাসপাতালের মতো চিকিৎসার প্রতিটি পর্যায়ে জনবলের সংকটের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। গড় আয়ু বাড়লেও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় দেশের বয়স্ক ব্যক্তিরা জীবনের শেষ ভাগে বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। তাই স্বাস্থ্য কমিশন গঠন জরুরি। দেশে কার্যকর কোনো স্বাস্থ্যনীতি নেই। এখন আম বাকি অংশ পড়ুন...












