রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। পবিত্র মি’রাজ শরীফ হলো নূরে মুজাস বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারাও পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেন
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এ প্রসঙ্গে বিশ্বখ্যাত ইমাম মুহাদ্দিছ, মুফাসসির হযরতুল আল্লামা আহমদ শিহাবুদ্দীন হাইতামী (হাইছামী) শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্ব সমাদৃত, সর্বজন স্বীকৃত ও সুপ্রসিদ্ধ পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার কিতাব “আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ফী মাওলিদি সাইয়্যিদি উলদি আদম” উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
قَالَ حَضْرَةْ اَبُوْ بَكْرِنِ الصّدّيْقُ عَلَيْهِ السَّلَامُ مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلٰى قِرَائَةِ مَوْلِدِ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ ر বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাকে যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানালেন যে, আপনার জন্য দু’টি সম্মানিত নিয়ামত মুবারক রয়েছেন। আপনি এখান থেকে একটি গ্রহণ করুন। কী নিয়ামত মুবারক? একটা হচ্ছে- সম্মানিত ইলিম মুবারক, আর একটা হচ্ছে- সারা পৃথিবীর কর্তৃত্ব। এই দু’টি সম্মানিত নিয়ামত মুবারক থেকে একটি আপনাকে গ্রহণ করতে হবে। হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, বারে এলাহী! সারা পৃথিবীর যে কর্তৃত্ব রয়েছে, সেটা যদি আমি গ্রহণ করি, এতে কী আপনার হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করতে পারবো? যিনি খ বাকি অংশ পড়ুন...
‘বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফসহ’ আরো অন্যান্য কিতাবে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কা’ব বিন আশরাফকে ক্বতল করার জন্য সম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
مَنْ لِّكَعْبِ بْنِ الْاَشْرَفِ فَاِنَّهٗ يُؤْذِى اللهَ وَرَسُوْلَهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “আপনাদের মধ্যে কে আছেন, যিনি কা’ব বিন আশরাফকে হত্যা করতে পারবেন? কেননা, সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রাসূল, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বের সকল মুসলমানাদের জন্য খুবই তাৎপর্যম-িত এবং ফযীলতপূর্ণ দিন। যে ব্যক্তি পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিনে অর্থাৎ পবিত্র ২৭ তারিখে রোযা রাখবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে পাঁচ বছর রোযা রাখার ফযীলত দান করবেন। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র রজবুল হারাম মাস নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় যে ব্যক্তি এ মাসের কোনো এক রাতে ইবাদত করবেন তিনি এক বৎসর রাতে ইবাদত করার ছওয়াব পাবেন। সুবহানাল্লাহ!
তাই পবিত্র মি’রাজ উনার রাতে ইবাদত-বন্দেগী, তওবা বাকি অংশ পড়ুন...
বিভিন্ন রাবী ও ঐতিহাসিকগণের বর্ণনায় হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার সন ও তারিখ নিয়ে বিভিন্ন মত পরিলক্ষিত হয়। তবে মশহূর ও বিশুদ্ধ মত, যা পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত, তাহলো- পবিত্র মাহে রজবুল হারাম উনার ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) রাতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী ৫১তম বয়স মুবারকে অর্থাৎ আন বাকি অংশ পড়ুন...
১) তিনি নূরে মুজাসসাম।
২) তিনি হায়াতুন্ নবী।
৩) তিনি মুত্তালা’ আলাল গইব।
৪) তিনি হাযির-নাযির।
বাকি অংশ পড়ুন...












