তারা নামধারী মুসলমান হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যে কোন ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। শুধু তাই নয়, তাদেরকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ দৃষ্টান্তমূলকভাবে মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। তা শরীয়তের অন্যান্য বিধান অমান্য করার কারণে যেরূপ কঠিন শাস্তি দেয়া হয়, তার চেয়ে আরো লক্ষ কোটি গুণ বেশি কঠিনভাবে লাঞ্ছনাদায়ক শরঈ শাস্তি দিয়ে হত্যা করতে হবে। এমনকি যারা তাদেরকে সমর্থন করবে, তাদেরও একই হুকুম’
হযরত ইমাম আহমাদ শিহাবুদ্দীন খাফাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
(وَاحْتَجَّ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ خَالِدِ ۣ الْفَق বাকি অংশ পড়ুন...
مَنْ تَعَلَّمَ مَسْأَلَةً وَاحِدَةً قَلَّدَهُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَلَادَةً مِّنْ نُّوْرِ، وَغَفَرَلَهٗ أَلْفَ ذَنْبٍ، وَبَنٰى لَهٗ مَدِيْنَةً مِّنْ ذَهَبٍ، وَكَتَبَ لَهٗ بِكُلِّ شَعْرَةٍ عَلٰى جَسَدِهٖ ثَوَابَ حَجَّةٍ وَّعُمْرَةٍ ـ
অর্থ: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি একটি মাসয়ালা শিক্ষা করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি কিয়ামতের দিন নূরের অনেকগুলো মালা তার গলায় পরিয়ে দিবেন, তার এক হাজার গুনাহখাতা ক্ষমা করবেন, তার জন্য স্বর্ণ দ্বারা একটি শহর তৈরী করে দিবেন, আর তার শরীরের প্রতিটি পশমের বাকি অংশ পড়ুন...
উনার জীবনী মুবারক সম্পর্কে এইটুকু জানা যায়, তিনি তারতুস শহরের অধিবাসী ছিলেন। হযরত শায়েখ আব্দুল ওয়াহেদ তামিমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খলীফা ছিলেন। নিজ সময়ের ছাহিবে মাকাম দরবেশ ও জামে’ কামালাতের অধিকারী শায়েখ ছিলেন। (সফিনাতুল আওলিয়া)
কোন কোন সীরতের কিতাবে এইরূপ উল্লেখ আছে যে, উনার প্রকৃত নাম মুহম্মদ ইউসুফ, আবুল ফাররাহ উনার উপনাম বা কুনিয়াত, তিনি শায়েখে তরীক্বত, কামেল ওলী এবং জাহেরী ও বাতেনী ইলিমে পরিপূর্ণ ছিলেন। তিনি একজন কারামত সম্পন্ন বুযূর্গ ছিলেন। ছবর ও তাওয়াক্কুলে উনার মাকাম অনেক উর্ধ্বে ছিলো। উনার যামানার উলামা ও মা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْخُ فِى اَهْلِهٖ كَالنَّبِىِّ فِى اُمَّتِهٖ وَفِى رِوَايَةٍ اَلشَّيْخُ لِقَوْمِهٖ كَالنَّبِىِّ فِى اُمَّتِهٖ
অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা উম্মতের নিকট যেরূপ সম্মানিত ও অনুসরণীয়, শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা তিনিও উনার অধীনস্থদের নিকট তদ্রƒপ সম্মানিত ও অ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضَرَتْ عُمَرُو بْنِ شُعَيْبِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَده اَنَّ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا لاَتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلا بِالنَّصَارٰى.
অর্থ: “হযরত উমর বিন শুয়াইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা হতে উনার পিতা উনার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ভিন্ন অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। কাজেই আপনারা ইয়াহুদী এবং নাছারাদের সা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ হাদিয়া মুবারক করার সাথে সাথে অনুরূপ তথা মহাপবিত্র সুন্নত মুবারকও হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কালামুল্লাহ শরীফ থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, প্রচার ও প্রসারে অগ্রগামী হয়ে মুবারক নির্দেশনা মুতাবিক সুন্নত মুবারক অনুসরণের মাধ্যমেই হাক্বীক্বী হিদায়েত মুবারক লাভ করার সাথে সাথে ঈমান ও আমলের উপর ইস্তিক বাকি অংশ পড়ুন...












