আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতে হু হু করে বাড়ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গত সোমবার সকালে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ৭ হাজার ৩৮৩ জন কোভিডে আক্রান্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। মৃতদের মধ্যে দিল্লিতে ৩ জন, কেরালায় ৫ জন এবং মহারাষ্ট্রে ২ জন।
ভারতে বর্তমানে সংক্রমণের মূল চালিকাশক্তি ওমিক্রন প্রজাতির জে.এন ১ সাব-ভ্যারিয়েন্ট। এই প্রজাতি থেকেই নতুন দুটি মিউটেশন-এন.এনবি ১.৮.১ এবং এল.এফ ৭-সীমিত হারে দেখা যাচ্ছে।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاءَ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٥٧﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের দ্বীন উনাকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে এবং যারা কাফির, তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো যদি মু’মিন হয়ে থাকো। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭) বাকি অংশ পড়ুন...
তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ’ রাষ্ট্র দাবিদার ভারতে বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনার মুসলিম নাম পরিবর্তন করে হিন্দুয়ানী নাম দেয়া হচ্ছে। হিন্দুত্ববাদী বিজেপির সরকার ক্ষমতায় আসার পর যেন নাম পরিবর্তনের প্রতিযোগিতা চলছে।
সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের (আল্লাহাবাদ) এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করে প্রয়াগরাজ রাখা হয়েছে। এলাহাবাদ উত্তর প্রদেশের একটি ঐতিহাসিক শহর। ১৬শ’ শতাব্দীতে দিল্লির মোঘল শাসকরা এই শহরের নাম রেখেছিলেন এলাহাবাদ। প্রায় ১০ লাখ লোকের বাস এখানে। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক বৈঠক ও সংগ্রামের স্মৃতি বহন কর বাকি অংশ পড়ুন...
১৪. প্রসঙ্গ: মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ জায়িয ও সুন্নতবাতিলপন্থীদের বক্তব্য: মীলাদ শরীফ পাঠ করা বিদয়াত। আর ক্বিয়াম করা শিরক। তাদের কেউ কেউ আবার মীলাদ-ক্বিয়ামকে কৃষ্ণলিলার গীতের সাথে তুলনা করে। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া: মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ সুন্নাতে ছাহাবা। যা পূর্ববর্তী বহু ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম ও হক্কানী আলিম-উলামা উনাদের আমল দ্বারাও প্রমাণিত। যদি মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ নাজায়িয ও শিরক হতো তবে পূর্ববর্তী বুযূর্গ ও আলিম উনারা করলেন কেন? তবে কি তারা বিদ্য়াত ও শিরক্ করেছেন? (নাঊযূবিল্লাহ)
মূলতঃ মীলাদ শর বাকি অংশ পড়ুন...
এরপরে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, আরেকজন মহিলা ছাহাবী বর্ণনা করতেছেন-
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهَا، قَالَتْ: أَوْلَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى بَعْضِ نِسَائِهِ بِمُدَّيْنِ مِنْ شَعِيرٍ
মহিলা ছাহাবী উনি বর্ণনা করেন যে, আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একজন উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম উনার নিছবতে আযীমাহ মুবারকে অলীমা করেছিলেন মাত্র দুই মুদ যব দিয়ে। এক মুদ হচ্ছে আমাদের দেশের হিসাবে প্রায় ১৪ ছটাক, প্রায় ১৪ ছটাক হচ্ছে এক মুদ। দুই মুদ দিয়ে অর্থাৎ ২৮ ছটাক দিয়ে অলীমা করে বাকি অংশ পড়ুন...
প্রায় সাড়ে ১৪০০ বছর পর মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে ইলিম মুবারক প্রাপ্ত হয়ে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত اِسْتَـوٰى (ইস্তাওয়া) শব্দ মুবারক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
২২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আঙ্গুল মুবারক نُوْرُ الشَّقِّ مُبَارَكٌ নূরুশ শক্ব মুবারক
২৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যবান মুবারক نُوْرُ السَّلَامِ مُبَارَكٌ নূরুস সালাম মুবারক
২৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘাম মুবারক نُوْرُ الطِّيْبِ مُبَارَكٌ নূরুত ত্বীব মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ইরানের একটি মৃৎপাত্র এটিতে কুফিক লিপিতে লেখা ক্যালিগ্রাফি
অলঙ্কৃত, চকচকে ও সুশোভিত মৃৎপাত্র উৎপাদন ও প্রস্তুতকরণ নান্দনিক শিল্পকলার বিকাশে মুসলমান শিল্পীদের অবদান সর্বোতভাবে স্বীকৃত। বাড়িঘরের সাজসজ্জা বৃদ্ধির প্রয়াসে, শখের বশে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে ব্যবহারের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে মৃৎশিল্পের উৎকর্ষ সাধনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকে মুসলমানদের বিজিত ও শাসিত অঞ্চলসমূহে।
প্রাথমিক পর্যায়ে আরব মুসলমানদের পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের বিজয় মৃৎপাত্র শিল্পের উদ্ভব ও বিকাশে এক নতুন যুগের সূত্রপাত করে। সপ্তম শতাব্ বাকি অংশ পড়ুন...
“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...












