খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاَمَّا بِـنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ
অর্থ: “আর আপনার রব তা‘য়ালা মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে যেই সম্মানিত নি‘য়ামত মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন, সেই সম্মানিত নি‘য়ামত মুবারক সম্পর্কে আপনি বর্ণনা করুন। ” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা দ্বুহা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১১)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
১৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাথা মুবারক نُوْرُ الْـهُدٰى مُبَارَكٌ নূরুল হুদা মুবারক
২০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কান মুবারক نُوْرُ الْـحَيَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল হায়া’ মুবারক
২১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাক মুবারক نُوْرٌ عَلـٰى نُوْرٍ مُبَارَكٌ নূরুন ‘আলা নূর মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব:
আহাল-আহলিয়া বা স্বামী-স্ত্রী একসাথে জামায়াতে আদায় করতে পারবে। তবে শর্ত হচ্ছে, একসাথে জামায়াতে নামায যদি পড়ে তাহলে পুরুষ বা আহাল যেখানে দাঁড়াবে তার থেকে তার আহলিয়া এত পিছনে দাঁড়াবে যেনো সিজদার সময় আহলিয়ার মাথাটা আহালের পা বরাবর না হয়, কমপক্ষে এক বিঘত পিছনে থাকে। সামনে একজন অর্থাৎ আহাল দাঁড়াবে, আর সরাসরি পিছনে আহলিয়া দাঁড়াবে, দাঁড়ালে আহলিয়া সিজদা দিলে আহালের পা যেনো স্পর্শ না করে। আর যদি সিজদার সময় আহলিয়ার মাথা আহালের পা বরাবর হয়ে যায় এবং পা স্পর্শ করে তাহলে নামায ফাসেদ হয়ে যাবে।
(গবেষণা কেন্দ্র মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ اِبْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়।
(বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক শুনে দুরূদ শরীফ পাঠ করা ফরয। আম ফতওয়া হলো একই মজলিসে একাধিকবার নাম মুবারক উচ্চারিত হলে একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব, আর প্রতিবারই দুরূদ শরীফ পাঠ করা মুস্তাহাব। আর খাছ ফতওয়া হলো একই মজলিসে যতবার নাম মুবারক উচ্চারিত হবে ততবার দুরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব।
তদ্রুপ শরীয়তের হুকুম হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার না বাকি অংশ পড়ুন...
শরীয়ত উনার পরিভাষায় সুন্নাহ শরীফ উনার পরিচিতি:
(১০)
السنة فى الشريعة هى الطريقة الـمسلوكة فى الدين من غير افتراض ولا وجوب، وايضا ماصدر عن النبى صلى الله عليه وسلم من قول او فعل او تقرير على وجه التاسى.
অর্থ: ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় ফরজ ও ওয়াজিব ব্যতীত দ্বীন ইসলাম উনার উৎকৃষ্ট নিয়ম-নীতিকে সুন্নত বলা হয়। এছাড়াও সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারক, কাজ মুবারক ও মৌন সম্মতি মুবারককেও সুন্নাহ শরীফ বলা হয়। (আত তা’রীফাতুল ফিকহিয়্যাহ- মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আমীমুল ইহসান মুজাদ্দিদী বরকতী হা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মুবারক হলো ১৪৪৬ হিজরী। আরও বরকতময় হলো আরবী ১২তম অর্থাৎ শেষ মাস অর্থাৎ পবিত্র মাহে যিলহজ্জ শরীফ। মহাসম্মানিত আইয়ামুল্লাহ শরীফ উনাদের মাঝে মহাসম্মানিত ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ উনার বরকতময় উপলক্ষ আরও একটি বৃদ্ধি পেলো। এদিকে দিনটিও হলো সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়াম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম। সুবহানাল্লাহ! ক্ষণ মুবারক হলো- সকাল সোয়া ৭ ঘটিকা। সুবহানাল্লাহ!
সুমহান এই ক্ষণ মুবারকে দুনিয়ার জমীনে ইলাহী উনার মাদানী নব সওগাত মহাসম্মানিত জান্নাতী মেহমান হাদিয়া মুবারক উনার বেমেছাল বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র রাজারব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
খান ইউনিসের পূর্বে আবাসান আল কাবিরা শহরে আল-কুদস ব্রিগেড ও আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা যৌথভাবে একটি বিল্ডিংয়ে অবস্থান নেয়া একদল ইসরাইলি পদাতিক সন্ত্রাসী সেনাদলকে ২টি এন্টি-পার্সোনেল শেল দ্বারা টার্গেট করেছে। এতে তাদের মধ্যে নিহত ও আহত হয়েছে।
এছাড়াও একই অভিযানে ১ ইসরাইলি সন্ত্রাসী সেনাকে ঘৌল স্নাইপিং রাইফেল দ্বারা টার্গেট করা হয়।
এছাড়াও ইসরাইলি দখলকৃত মেগান এরিয়ায় শর্ট রেঞ্জ ১১৪ মিমি রাজুম রকেট ফায়ারিং করেছে আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা।
বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের মিসাইল হামলায় আতঙ্কে ইসরায়েলি দখলদারগুলো। অনেকে ঘুম থেকে জেগেই পোশাক পরিবর্তন না করেই ঘর থেকে পালিয়ে যাচ্ছে বাঙ্কার বা অন্য কোথাও।
এমনই অনেক ঘটনাচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা গেছে, এক ইসরায়েলি ঘরের ভেতর ঘুমে ছিলো। হঠাৎই মিসাইল হামলার শব্দে জেগে উঠে তাড়াহুড়া করে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে।
সে শুধু ছোট পোশাক পরেই ঘর থেকে বেরিয়ে আশ্রয়ের দিকে দৌড়াচ্ছে।
বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলমান রয়েছে। দুই পক্ষের আকাশ-যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে সামরিক ও বেসামরিক বহু মানুষ হতাহত হচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- ইরানে অবস্থিত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা। ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে তেহরান এবং সেখানেই বাংলাদেশ দূতাবাসের অবস্থান। এছাড়া কিছু শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী বাংলাদেশিও তেহরানে অবস্থান করছেন। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের পরিবারসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের তেহরানের বাইরে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...












