আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের মাঝে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। তোমাদের জন্য কষ্টকর বিষয়গুলো উনার নিকট অসহনীয়। তিনি তোমাদের ভালাই চান। বিশেষ করে বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে বনী আদম! আপনাদের সতর ঢাকার এবং দেহের সংরক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্দেশ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
অন্য বর্ণনায় রয়েছে, হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কাল-বিলম্ব না করে কয়েকজন লোকসহ কাঙ্খিত লোকদ্বয়কে দাওয়াতের অনুরোধের জন্য নিজেই তাদের বাসস্থানে উপস্থিত হলেন। তারপর তিনি নম্র কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমরা কে এবং কোথা থেকে এসেছো? তোমরা দাওয়াতে শরীক হলে না কেন?’ তারা নিজেদেরকে গোপন করে বললো, ‘আমরা মুসাফির, দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে আছি। আমরা কারো দাওয়াত গ্রহণ করি না। মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি নির্ভরশীল। আমরা সবসময় ইবাদত, রিয়াজত-মাশাক্কাত ও পরকালের চিন্তা-ফিকিরে ব্যস্ত আছি। পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত আর নফল নামায আদ বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ জাহিলের পরিণতি:
আবূ জাহল (ابو جهل) এটি তার উপাধি। মূল নাম আমর ইবনে হিশাম। জাহেলি যুগে কাফেররা তাকে উপাধি দিয়েছিলো আবুল হাকাম الحكم) (ابو অর্থাৎ জ্ঞানের পিতা। সে ছিলো গভীর জ্ঞানের অধিকারী কিন্তু ঈমান থেকে বিমুখতা, হক্ব বা সত্য গ্রহণে অস্বীকার করার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তার উপাধি দেন আবূ জাহল অর্থাৎ মূর্খের পিতা হিসেবে। ইতিহাসে সে এই উপাধিতেই পরিচিত।
পবিত্র মক্কা শরীফের কাফিরদের মধ্যে এই লোকটাই ছিলো সম্মানিত ইসলাম ও মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুশমন। সকলের দুশমনি এক পাল্লায় বাকি অংশ পড়ুন...
২৫. প্রসঙ্গ: ইসলাম উনার নামে মৌলবাদ দাবী করা হারাম
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য: বাতিলপন্থীরা বলে থাকে যে, “যারা মৌলবাদী না তারা অবৈধ সন্তান। ” (২৮ অক্টোবর ১৯৯৯ ঈসায়ী, দৈনিক ভোরের কাগজে এসেছে, চরমোনাইর পীর এ কথা বলেছে) আর ২২ আগস্ট মানিক মিয়া এভিনিউতে বলেছে, “যারা মৌলবাদে বিশ্বাসী নয় তারা কাফির, মুরতাদ ও মুশরিক। ” (২৩ আগস্ট/১৯৯৮ ঈসায়ী, দৈনিক বাংলাবাজার)
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া: এ কথাটি সম্পূর্ণ শরীয়ত বিরোধী ও কুফরী। কারণ, “মৌলবাদ দাবী না করলে অবৈধ সন্তান” এ ধরনের কথা শরীয়তের কোথাও নেই। কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ মুসলিম, মু’মিন, মুত্তাক্বী ইত বাকি অংশ পড়ুন...
সেটাই হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে বলা হলো। উনি দলীল তলব করলেন। এর অর্থ এটা নয় যে, হযরত আবু মূসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সঠিক হাদীছ শরীফ বলেননি বরং উনি সঠিক হাদীছ শরীফ-ই বলেছেন তবে হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি আর একজন সাক্ষী তলব করলেন, এই হেতু মুহাদ্দিছীন-ই-কিরামগণ বলেন, যাতে পরবর্তীতে কোন লোক আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কোন ঝুটা-মিথ্যা কথা না বলতে পারে, সেজন্য তিনি দলীল তলব করলেন।
কাজেই অনুমতি নিয়েই প্রবেশ করতে হবে। বিনা অনুমতিতে প্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি ঈদ
২. প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে, প্রতি পলকে পলকে কোটি কোটি ঈদ, ঈদে আকবর, ঈদে আ’যম বা তার চেয়েও বড় ঈদ হওয়ার দলীল:
‘প্রতি দমে বা শ্বাস-প্রশ্বাসে ২টি করে ঈদ’ যা আলোচনা করা হলো। তাছাউফের পরিভাষায় কারো যদি পাছ আনফাছ যিকির জারী হয়ে যায়, তাহলে তার ২৪ ঘন্টা আপছে আপ শ্বাস ছাড়ার সময় لَا اِلٰهَ‘লা ইলাহা’ এবং শ্বাস গ্রহণের সময় اِلَّا اللهُ ‘ইল্লাল্লাহ’ এই যিকির চলতে থাকে। সুবহানাল্লাহ! তখন ২৪ ঘণ্টাই সে মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে, ধ্যানে, খেয়ালে ও মুহব্বতে মশগুল থাকে। ফলে ২৪ ঘন্টাই দায়িমীভাবে তার প্রতি দমে দুটি ঈদ হয় অর্থাৎ শ বাকি অংশ পড়ুন...
আল্লামা মোল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘শরহুশ শিফা’ উনার ১ম খ-ের ৩৮১ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-
(قَالَ رَاَيْتُ فِـىْ كُلِّ مَوْضِعٍ مِّنَ الْـجَنَّةِ) اَىْ مِنْ شَرَفِ قُصُوْرِهَا وَصُدُوْرِ حُوْرِهَا وَاَطْرَافِ اَنْـهَارِهَا وَاِتْـحَافِ اَشْجَارِهَا (مَكْتُوْبًا لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ).
অর্থ: “আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার প্রতিটি জায়গায় অর্থাৎ সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার সমস্ত বালাখানা উনাদের বিশেষ বিশেষ স্থানে, সমস্ত সম্মানিতা হূর উনাদের বক্ষে বক্ষে, সমস্ বাকি অংশ পড়ুন...
৮৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যুবকাল মুবারক نُوْرُ الْوَرَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়ারা’ মুবারক (বুলন্দ মর্যাদা)
৮৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চিন্তিত শান মুবারক نُوْرُ الْاِنَابَةِ مُبَارَكٌ নূরুল ইনাবাত মুবারক (রুজু হওয়া)
৮৭ নাক মুবারক উনার সর্দি মুবারক نُوْرُ النُّخْبَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নুখ্বাহ্ মুবারক ( শ্রেষ্ঠাংশ, বাছাইকৃত অংশ) বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَلَا تُقَاتِلُونَ قَوْمًا نَكَثُوا أَيْمَانَهُمْ وَهَمُّوا بِإِخْرَاجِ الرَّسُولِ وَهُمْ بَدَءُوكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ أَتَخْشَوْنَهُمْ فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ تَخْشَوْهُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
অর্থ: আপনারা কি সেই জাতির বিরুদ্ধে জিহাদ করবেন না, যারা তাদের শপথ ভঙ্গ করেছে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থান মুবারক করার বিষয়ে বিরোধিতা করেছে এবং তিনি যেন সেখান থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে সম্মানিত হিজরত মুবারক করেন এ বিষয়ে তারা ষড়যন্ত্র করেছে? আর এরাই প্রথম বাকি অংশ পড়ুন...












