গোসলের ফরযসমূহ:
গোসলের ফরয ৩টি :
১. কুলি করা।
২. নাকে পানি দেয়া।
৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছানো।
জ্ঞাতব্য বিষয় : গড়গড়ার সাথে কুলি করা আবশ্যক, তবে রোযাদার ব্যক্তিদের জন্য গড়গড়া করতে হবে না। নাকের ভিতরের উপরিস্থ শক্ত হাড্ডি পর্যন্ত পানি প্রবেশ করিয়ে এমনভাবে ঝেড়ে ফেলতে হবে, যেনো কোনো প্রকার শুষ্ক ময়লা না থাকে। রোযাদার হলে, অঙ্গুলি দ্বারা নাকের ছিদ্র ভিজিয়ে নিবে।
ফরয গোসলে শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এমনভাবে ধৌত করতে হবে, যেনো চুল পরিমাণ স্থানও শুষ্ক না থাকে। অন্যথায় শরীর পাক হবে না।
অতএব ফরয গোসলে নিম্নলিখিত অঙ্গসমূহের প্ বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফে এসেছে, আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
لَعَنَ اللهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ
যে দেখে এবং যে দেখায় উভয়ের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত। ওটা একজন শুধু লা’নতগ্রস্ত হবে তা নয়, যে দেখবে এবং যে দেখাবে উভয়ের প্রতিই লা’নত। এখন যদি এমন কোন অবস্থায় যে কোন মহিলা নিরিবিলি হেঁটে যাচ্ছে, দেখানো তার উদ্দেশ্য নয় কিন্তু কোন পুরুষ যদি তাকে দেখার কোশেশ করে, তাহলে শুধু পুরুষের প্রতিই লা’নত বর্ষিত হবে, ঐ মহিলার উপর হবে না। আবার যদি এমন হয় যে, কোন পুরুষ নিরিবিলি চলে বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি কোনো বাহন ছাড়া শুধুমাত্র মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক-এ) হেঁটে ১৫ বার সম্মানিত হজ্জ মুবারক সম্পাদন করেছেন। সুবহানাল্লাহ! একবার তিনি সম্মানিত হজ্জ মুবারক সম্পাদন করার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক-এ) হেঁটে মহাসম্মানিত ও মহা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি প্রত্যেক হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত ঈমান মুবারক আনা এবং উনাদের উম্মতদের থেকে সম্মানিত ঈমান আনার স্বীকৃতি নেয়া:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَـا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ لَـمْ يَــبْـعَثِ اللهُ نَبِـيًّا حَضْرَتْ اٰدَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَمَنْ بَـعْدَهٗ اِلَّا اَخَذَ عَلَيْهِ الْعَهْدَ فِـىْ سَيِّدِنَا مَوْلَانَا مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَئِنْ بُعِثَ وَهُوَ حَىٌّ لَـيُـؤْمِنُنَّ بِهٖ وَلَـيَـنْصُرَنَّهٗ وَيَا বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًلا. وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ .قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ .وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ .قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা ঈমানদার ব্যতীত (অন্য ধর্মাবলম্বী) অর্থাৎ কাফিরদেরকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে না। (কেননা) এই কাফির-মুশরিকরা তোমাদের অনিষ্ট করতে (মোটেও) ত্রুটি করে না। তারা (মনে-প্রাণে) এটাই কামনা করে যে, তোমরা (পার্থিব ও ধর্মীয় ব্যাপারে) বিপন্ন হও। (তোমাদের প্রতি শত্রুতায় তাদে বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ থেকে মুখ ঢেকে পর্দা করা ফরয হওয়ার দলীল:
(১২)
গাইরে মাহরাম বা পর পুরুষ থেকে হাত, পা ও চেহারাসহ সমস্ত শরীর আবৃত করা ফরয বিষয়ে আরো কতিপয় দলীল:
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عن حَضْرَتْ أَبِي بَكْرٍ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهم قَالَ: اَلْمَرْأَةُ كُلُّهَا عَوْرَةٌ حَتَّى ظُفُرِهَا-
অর্থ: হযরত আবূ বকর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে হারিছ ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, মহিলাদের সমস্ত শরীরটাই পর্দার অন্তর্ভুক্ত। এমনকি তাদের নখটিও পর্দার অন্তর্ভুক্ত।
(আল-মুগন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّهُ نَـهَي النِّسَاءَ عَنِ الْـخُرُوْجِ اِلَـى الْـمَسَاجِدِ فَشَكَوْنَ اِلٰى اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَقَالَتْ اُمُّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَائِشَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ لَوْ عَلِمَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا عَلِمَ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ مَا اَذِنَ لَكُمْ فِي الْـخُرُوْجِ.
অর্থ: হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে বাইরে বের হয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেন। অতঃপর মহিলা উনারা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার খিদম বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত ক্বওল শরীফ-
قَالَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عُثْمَانُ ذُو النُّوْرَيْنِ عَلَيْهِ السَّلَامُ مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَـمًا عَلـٰى قِرَاءَةِ مَوْلِدِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَّـمَا شَهِدَ غَزْوَةَ بَدْرٍ وَّحُنَيْن.
অর্থ: খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাহফিল উপলক্ষে অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল উপলক্ষে এক দিরহাম ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
মুড়িতে রয়েছে- ক্যালরি, কার্বোহাইড্রেটস, প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, পটাশিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, থিয়ামাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যা শরীরে বিভিন্ন উপকার করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন মুড়ি খাওয়া ভালো। নিয়মিত মুড়ি খেলে অ্যাসিডিটি কমে। পেটের সমস্যায় মুড়ি খেলে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়া যায়। মুড়ি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়। মুড়ি চিবিয়ে খেতে হয়। এজন্য নিয়মিত এ খাবার খেলে দাঁত ও মাড়ি ভালো থাকে। মুড়িতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে শর্করা, যা প্রতিদিনের কাজে শক্তির যোগান দেয়। হালকা ক্ষুধা লাগলে মুড়ি খেতে পারেন।
মুড়ি শুধু বাংলাদেশ বা ভারত নয় বাকি অংশ পড়ুন...












