বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ নাম শুনলে পৃথিবীবাসীর কাছে আর যেন কোন দলীলই প্রয়োজন হয় না। এখানে যা আছে চোখ বুজে মানুষ মেনেও নেয়। যেহেতু হাদীছ শরীফ উনার কিতাব সেহেতু মেনে নিবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আক্বীদার ক্ষেত্রে উছূল হচ্ছে যখন এমন কোন বর্ণনা পাওয়া যাবে, যা সম্মানিত আক্বীদা ও শান মান উনার খিলাফ তখন উক্ত বর্ণনা নিয়ে চিন্তা ফিকির করতেই হবে।
ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি হাদীছ শরীফ উনার প্রসিদ্ধ কিতাব আবু দাঊদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ উনার মধ্যে এমন রেওয়ায়েত আছে যেখানে উল্লেখ আছে- আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, আহলে বাইতে রসূলিল্লাহি ছল বাকি অংশ পড়ুন...
চতুর্থ সনদ:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
অতএব, উল্লেখিত সকল দলীল-আদিল্লাহ্র মাধ্যমে এ ফায়সালা-ই চূড়ান্ত হলো যে, গরুর গোস্তে রোগ আছে এমন বর্ণনাগুলো জাল, মিথ্যা ও বানোয়াট। যা মূলত রাবীদের বিভিন্ন ত্রুটি ও সমস্যার কারণে, ভুলক্রমে ولحومها داء এই মতনটা ঢুকে গেছে। দুধ সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তা ঠিক আছে। কিন্তু গোস্তে রোগ আছে এই কথাটা অশুদ্ধ, জাল, মিথ্যা ও বানোয়াট। আর এই মিথ্যা ও বানোয়াট হওয়ার কিছু কারণ নি¤েœ উল্লেখ করা হলো:
১ম কারণ: বর্ণনাটি সরাসরি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার খিলাফ। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে গরুর গ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ، وَالأُذُنَانِ زِنَاهُمَا الاسْتِمَاعُ، وَاللِّسَانُ زِناهُ الكَلاَمُ، وَاليَدُ زِنَاهَا البَطْشُ، وَالرِّجْلُ زِنَاهَا الخُطَا، والقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى، وَيُصَدِّقُ ذَلِكَ الفَرْجُ أَوْ يُكَذِّبُهُ
অর্থ: হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “চোখের ব্যভিচার হলো দৃষ্টি করা, কানের ব্যভিচার হলো শ্রবণ করা, মুখের ব্যভিচার হল বাকি অংশ পড়ুন...
এখন ফিকির করেন- উনি হালাল খাওয়ার জন্যে কত পরিশ্রম করেছেন। যেটা বলা হয় পুরুষের জন্যে কালেমা, নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাত এরপর মূল হলো হালাল উপার্জন করা। আর মেয়েদের জন্যে কালেমা শরীফ, নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত এরপর মূল হলো পর্দা করা। এ দু’টো জিনিসের তাকওয়ায় চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আবদুল কাদের জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা এবং সম্মানিত মাতা। সে ঘরে জন্মগ্রহণ করেছেন হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি।
এখন লোকেরা বলে থাকে, আওলাদরা নেককার পরহেযগার হয় না কেন? তাকওয়াধারী হয় না কেন? মুছল্লী বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কথা মুবারক বলার সময় নূর মুবারক বিচ্ছুরিত হওয়া:
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন,
كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَفْلَجَ الثَّنِيَّتَيْنِ اِذَا تَكَلَّمَ رُئِىَ كَالنُّوْرِ يَخْرُجُ مِنْ بَۢيْنِ ثَنَايَاهُ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনের দুই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল্লাহ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাঁত মুবারক) উনাদের মাঝে কিছুটা ফাঁকা ছিলেন। তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কথা মুবারক বলতেন, তখন দেখা যেত উনার দুই মহাসম্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭তম বৎসর মুবারক:
* এ বৎসরই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২০শে শাউওয়াল শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল খ্বামিসাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
* নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দায়িমী খিদমত মুবারক-এ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি মশগূল থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
৫৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইশারা মুবারক نُوْرُ الْاَمِيْنِ مُبَارَكٌ নূরুল আমীন মুবারক
৫৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চক্ষু মুবারক উনার পাতা বা পলক মুবারক نُوْرُ الْـمُبَشِّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুবাশ্শির মুবারক
৫৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোমর মুবারক نُوْرُ النِّظَامِ مُبَارَكٌ নূরুন নিযাম মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُه‘ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا اُولٰئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
অর্থ: ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত মসজিদসমূহে উনার যিকির মুবারক করতে, উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় বা বিরাণ করতে চেষ্টা করে। তাদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়ি বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের অন্তরে অনেক বদ স্বভাব থাকে। যা মানুষের অন্তর বা ক্বলবকে ধ্বংস করে এবং তার নেক আমল বরবাদ করে দেয়। নাউযুবিল্লাহ! এই বদ স্বভাব দূর করার জন্য হক্কানী রব্বানী আলিম, ওলীআল্লাহ উনাদের ছোহবত মুবারকে বেশি বেশি যেতে হয়, উনাদের দেয়া সবক, যিকির-ফিকির নিয়মিত আদায় করতে হয়, জান, মাল, সময় শ্রম দিয়ে উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দিতে হয় উনাদের সন্তুষ্টি মুতাবেক। তাহলে অবশ্যই বদ স্বভাব দূর হয়ে নেক স্বভাব লাভ করা যাবে। আল্লাহওয়ালা হওয়া সহজ ও সম্ভব হবে। সুবহানাল্লাহ!
মানুষের অন্তরের বদ স্বভাবের মধ্যে শেকায়েত বা অপরের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا لَا تَتَّخِذُوْا بِطَانَةً مِّنْ دُوْنِكُمْ لَا يَأْلُوْنَكُمْ خَبَالًا وَدُّوْا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ اَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُـخْفِيْ صُدُوْرُهُمْ اَكْبَرُ ۚ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْاٰيَاتِ ۖ اِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُوْنَ ◌
অর্থ : হে ঈমানদাররা! তোমরা ঈমানদার ব্যতীত অন্য কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করোনা। তারা তোমাদের ক্ষতি সাধনে কোন ত্রুটি করে না। তোমরা কষ্টে থাকো, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসূত বিদ্বেষ তাদের মুখেই প্রকাশ হয়ে পড়ে আর যা কিছু তাদের অন্তরে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। আমি তোমাদের জন্যে নি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি ক্বিয়ামতের দিন চার শ্রেণীর লোকদের সুপারিশ করবো-
এক. যাঁরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সম্মান মুবারক করবেন।
দুই. যাঁরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে, হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে আর্থিকভাবে সম্মানিত খিদমত মুবারকের আনজাম দিবেন।
তিন. যাঁরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরী বাকি অংশ পড়ুন...












