পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, “হাশরের ময়দানে কিছু লোক উঠবে, যাদের জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নির্দেশ মুবারক করবেন, তাদেরকে জাহান্নামে পৌঁছে দিন। তখন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা সে সমস্ত লোকগুলোকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যেতে থাকবেন। তারাও ধীরে ধীরে জাহান্নামের দিকে যেতে থাকবে, নানান চিন্তা-ফিকির করতে করতে।
এমতাবস্থায় মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম উনাকে বললেন, হে জিবরীল আলাইহিস সালাম! আপনি যান লোকগুলিকে জিজ্ঞাসা করু বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর গোস্ত নিয়ে তথাকথিত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের
ভ্রান্ত বক্তব্য ও তার খ-ন
শুরুতেই বলা বাহুল্য যে, আমরা জানি- পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু কেউ যদি অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পান করে, তবে তার শারীরিক সমস্যা দেখা দিবে। একইভাবে লবণ হলো শিফাযুক্ত সুন্নতী খাবার, যা ছাড়া সকল খাবার-ই স্বাদহীন; কিন্তু এই লবণও যদি কেউ অধিক পরিমাণে খায় তবে তার রক্ত পানি হওয়ার উপক্রম হবে। সে রকমভাবেই, গরুর গোস্ত স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে তো একটু-আধটু অসুবিধা হবে। তার মানে এই নয় যে, গরুর গোস্তের মধ্যেই রোগ রয়েছে। অর্থাৎ চিকিৎসকরা যেটা বলে থাকে তা হয় তাদ বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর গোস্ত নিয়ে তথাকথিত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের
ভ্রান্ত বক্তব্য ও তার খ-ন
শুরুতেই বলা বাহুল্য যে, আমরা জানি- পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু কেউ যদি অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পান করে, তবে তার শারীরিক সমস্যা দেখা দিবে। একইভাবে লবণ হলো শিফাযুক্ত সুন্নতী খাবার, যা ছাড়া সকল খাবার-ই স্বাদহীন; কিন্তু এই লবণও যদি কেউ অধিক পরিমাণে খায় তবে তার রক্ত পানি হওয়ার উপক্রম হবে। সে রকমভাবেই, গরুর গোস্ত স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে তো একটু-আধটু অসুবিধা হবে। তার মানে এই নয় যে, গরুর গোস্তের মধ্যেই রোগ রয়েছে। অর্থাৎ চিকিৎসকরা যেটা বলে থাকে তা হয় তাদ বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ গ্রহণ করা ফরজ এটা মনে রাখবেন। কারণ ওস্তাদ ছাড়া আপনি কি করে শিক্ষা করবেন? বিনা ওস্তাদে কোনদিন শিক্ষা করা যায় না।
আপনি একটা সাধারণ জিনিসই ধরেন, যে কোন একটা মাইক যদি কেউ পরিচালনা করতে চায়, তাকেও শিখে নিতে হবে একজন লোকের কাছে। যে কোন জিনিস আপনি বলেন, দুনিয়ার যে কোন একটা জিনিস শিখতে চান, সেটা আপনাকে একজন ওস্তাদের কাছে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। বিনা ওস্তাদে আপনি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবেন না।
কাজেই ইলমে ফিকাহর জন্য হাজার হাজার মাদরাসা আছে, হাজার হাজার মক্তব আছে সেখানে আপনি ইলমে ফিকাহ শিক্ষা করবেন। হাজার হাজার ওস্তাদ রয়ে গেছে। তো ই বাকি অংশ পড়ুন...
১. উনার সম্মানার্থে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা মহান আল্লাহ পাক উনার দায়িমী শান মুবারক:
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যিনি খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِىْ شَأْنٍ
‘মহান আল্লাহ পাক তিনি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৪৪তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ৪র্থ বছর):
* এ বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই রবীউছ ছানী শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ্ শরীফ বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হন। সুবহানাল্লাহ!
* এ বৎসর প্রকাশ্যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দাওয়াত দেয়া শুরু করা হয়। সুবহানাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
৭০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুছাফা মুবারক نُوْرُ التَّبَارُكِ مُبَارَكٌ নূরুত্ তাবারুক মুবারক
৭১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুয়ানাকা মুবারক نُوْرُ النَّظَافَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নাযাফাত মুবারক
৭২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র স্পর্শ মুবারক نُوْرُ التَّبَرُّكِ مُبَارَكٌ নূরুত তার্বারুক মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও অর্থাৎ তোমরা ত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার জলিলুল কদর ও সম্মানিত রসূল হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম। মহান আল্লাহ পাক উনাকে সারা দুনিয়ার কর্তৃত্ব (শাসন ক্ষমতা) দিয়েছেন। তিনি সকল মাখলুকাতের ভাষা জানতেন। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার প্রধান ও সভাসদগণের বিশেষ ব্যক্তিত্বের নাম মুবারক ছিল আসিফ বিন বারখিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। যিনি সিদ্দীক তবকার ওলী আল্লাহ ছিলেন। উনার দ্বারা যে কারামত মুবারক প্রকাশ পেয়েছে তা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وقَالَ الَّذِي عِندَهُ عِلْمٌ مِّنَ الْكِتَابِ أَنَا বাকি অংশ পড়ুন...
সমাজে বহু লোক রয়েছে যারা অপরের শেকায়েত বা দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করে বেড়ানোকে নিজেদের পেশায় পরিণত করে থাকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত লোকেরা এই পেশায় লিপ্ত। এদের সম্মুখে রয়েছে একমাত্র দুনিয়ার স্বার্থ। পরকালের কিছুমাত্র চিন্তা থাকলেও তারা এ কাজ করতে পারতো না।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا تَلْمِزُوا اَنْفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوْا بِالْاَلْقَابِ ۖ بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوْقُ بَعْدَ الْاِيـْمَانِ ۚ وَمَن لَّـمْ يَتُبْ فَاُولٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُوْنَ ◌
অর্থ : তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
কোন মহান আযীমী নূরে বসুন্ধরা উজ্বালা
তিনি মোদের ছানীয়ে মুর্শিদ শায়েখি লালা
শাহেনশাহ শাহযাদা ক্বিবলা
আমাদের শাহযাদা ক্বিবলা
শাহেনশাহ শাহযাদা ক্বিবলা
ফিতনা ফাসাদ যুগে তিনি সত্য সঠিক ফায়ছালা
জাহেলিয়াত মিটিয়ে দেন মাশুকে মাওলা
বেলায়েতী তখতে আক্বা উচ্চে রাখেন সিলসিলা
পথহারা উম্মাহকে করেন পলকেই ইছলাহ
শাহী রোবে নাস্তানাবুদ তামাম ইবলিসী চেলা
মুবারক ফায়িজে পালায় মুছিবত বালা
অতি দয়ায় করেন ফখর আমাদের সোনার বাংলা
সুন্নীয়তের নিশান উড়ান সবচেয়ে পহেলা
-আবুল হুসাইন।
বাকি অংশ পড়ুন...












