SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%-রব্বানী%' OR titleBn LIKE '%-রব্বানী%' OR descriptionEn LIKE '%-রব্বানী%' OR descriptionBn LIKE '%-রব্বানী%' OR slug LIKE '%-রব্বানী%' OR metaTag LIKE '%-রব্বানী%' OR metaDescription LIKE '%-রব্বানী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
“বাহ শিবির চমৎকার”
“সমকামীদের পাহাড়াদার”
শিবির, ডিপি সাদিক কায়িম জানেন নাকি
‘সমকামীদের নেতা আপনি।’
গতকাল এই ভয়বহ লজ্জাকর শ্লোগানে উত্তপ্ত এবং উত্তাল ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
পর্যবেক্ষকমহল মহল বলছেন, ঢাবিতে বাকি অংশ পড়ুন...
২৫। নামায-রোযা, ইবাদত-বন্দেগী, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ছোট-বড় সকল বিষয়ে স্বীয় কামিল শায়েখ উনার অনুসরণ-অনুকরণ করবে। উনার কাজ দেখে “ফিক্বাহ”-এর মাসয়ালা শিক্ষা করবে।” (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী)
কামিল শায়েখ উনার পরিপূর্ণ অনুসরণ-অনুকরণ করার অর্থই হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক ও উনার সম্মানিত হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাকীকী অনুসরণ-অনুকরণ করা। সুতরাং যে সালিক বা মুরীদ স্বীয় কামিল শায়েখ উনার যে পরিমাণ অনুসরণ-অনুকরণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যিনি যতো বেশি মুহব্বত মুবারক করেন, যিনি যতবেশি মুত্তাক্বি, পরেহেযগার, নিসবত-কুরবত ওয়ালা, আল্লাহ ওয়ালা তিনি, ততোবেশি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ-অনুকরণ করে থাকেন। অর্থাৎ বেশি বেশি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণের কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি অধিক ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা, ইজ্জত-সম্মান হাদিয়া করে থাকেন। এ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
قال بشر الحافى رحمة الله عليه رايت النبى صلى الله عليه وسلم فى الـمنام فقال لى يا بشر هل تدرى لـم رفعك الله تعالى من بين اقرانك قلت لا يا رسول الله صلى ال বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ২৮ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ঐ ব্যক্তিকে অনুসরণ করো বাকি অংশ পড়ুন...
وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الألْبَابِ
আর জ্ঞানী ছাড়া, যারা হাক্বীক্বী আলিম, হাক্কানী-রব্বনী উনারা ছাড়া এই বিষয়গুলো আসলে কেউ উপলদ্ধি করতে পারবে না। নাউযুবিল্লাহ! এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কিন্তু স্পষ্ট বলে দিয়েছেন। এখানে আর কোন চূ-চেরা, কীল-কালের কোন সুযোগ নেই। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ নাযিল করা হয়েছে, পবিত্র আয়াতে মুহকামাহ স্পষ্ট আদেশ-নির্দেশ মুবারক দেয়া হয়েছে। সাথে সাথে সেখানে বলা হচ্ছে, পবিত্র আয়াতে মুশাবাহা রয়ে গেছে।
এগুলি
وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللهُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে- হাশরের ময়দানে কিছু লোক উঠবে, যাদের জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ দিবেন তাদেরকে জাহান্নামে দেয়ার জন্য, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! তাদেরকে জাহান্নামে পৌঁছে দিন। তখন সেই লোকগুলো নানান চিন্তা-ফিকির করতে করতে ধীরে ধীরে জাহান্নামের দিকে যেতে থাকবে।
এমতাবস্থায় মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম উনাকে বলবেন, হে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম! আপনি যান, এ লোকগুলোকে জিজ্ঞাসা করুন, যে লোকগুলো এখন জাহান্নামে যাচ্ছে, তাদের সাথে কোন আলিম উনার সাথ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ” উনার মধ্যে সামর্থ্যবান বান্দা-বান্দীকে উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের লক্ষ্যে পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
‘রাষ্ট্র দ্বারা সমস্ত ধর্মের সমান সুরক্ষা’ স্বাধীন ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ কী তা বানান করতে বললে একজন ছাত্রকে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরু এভাবেই উত্তর দিয়েছিলো। ভারত প্রবক্তরা বলেছিলো ভারত একটি ধর্মনি বাকি অংশ পড়ুন...












