সম্পাদকীয়
পশ্চিমবঙ্গে কুভেন্দুর ক্ষমতাবলে শুধু কারচুপি আর কূট প্রক্রিয়ার অভিযোগই শেষ নয় বরং ধর্মনিরপেক্ষতা বিরোধী এবং মুসলিম নির্যাতন ও সম্পদ লুণ্ঠন তথা হিন্দুত্ববাদের উত্থান এবং মুসলমানদের ধর্মান্তকরণের দোহাই দিয়ে ভারতীয় সংবিধানকে পুরো বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হিন্দুত্ববাদীদের ভোটে ক্ষমতা পেয়েছে কুভেন্দু। এ নির্বাচন অবৈধ এবং এ ক্ষমতা অসংবিধানিক ব্যর্থ রাষ্ট্র হতে না চাইলে ভারতকে এ নির্বাচন বাতিল করে হিন্দুত্ববাদের উত্থান নির্মুল করতে হবে।
, ১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
‘রাষ্ট্র দ্বারা সমস্ত ধর্মের সমান সুরক্ষা’ স্বাধীন ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ কী তা বানান করতে বললে একজন ছাত্রকে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরু এভাবেই উত্তর দিয়েছিলো। ভারত প্রবক্তরা বলেছিলো ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এমন হবে যা “সমস্ত ধর্মকে রক্ষা করে, কিন্তু একটিকে অন্যের খরচে পক্ষপাতিত্ব করে না এবং নিজেই কোনো ধর্মকে রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে না”।
অথচ “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদলের পর যেভাবে মুসলিমদের বাড়ি-ঘর, দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ এবং নিরীহ মানুষের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা ভারতের কথিত সংবিধানে বর্ণিত ধর্মনিরপেক্ষতার চুড়ান্ত লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। নির্বাচনের ক্ষমতার হাতবদলকে কেন্দ্র করে একটি নির্দিষ্ট দ্বীনি সম্প্রদায়কে টার্গেট করে নির্যাতন চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
ইতোপূর্বে পুলিশ ওই অঞ্চলে সাধারণ মুসলমানদেরকে হেনস্তা করছে বলে একটি পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছিল। আইনজীবীদের বক্তব্য ছিল, সব স্তরের সাধারণ মানুষ নয়, বেছে বেছে মুসলমান সমাজের যুবকদের হেনস্তা করা হচ্ছিল। সেই আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে তাদের বক্তব্য জানাতে বলেছে।
হাইকোর্টের দুই বিচারকের বেঞ্চ এই বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকারকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলো। রাজ্য সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে না পারলে, প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
এটা ঠিক ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর যে সংবিধান গৃহীত হয় গণপরিষদে তাতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র এই শব্দ দুটি ছিল। জরুরি অবস্থার সময় ১৯৭৬ সালে ৪২তম সংবিধান সংশোধনের সময় শব্দ দু’টি যুক্ত হয়। এই যুক্তি খাড়া করেই হিন্দুত্ববাদীরা সুপ্রিম কোর্টে একাধিক আবেদন জানায়। সব আবেদন এক করে শুনানির পর রায় দেয় সর্বোচ্চ আদালত। তাতে পরিষ্কার করে দেওয়া হয় সংবিধানের ছত্রে ছত্রে ছড়িয়ে আছে ধর্মনিরপেক্ষতার সুর। ভারত রাষ্ট্রের কোনও ধর্ম নেই। সব ধর্মের মানুষের স্বাধীনভাবে ধর্মাচরণের সমানাধিকার রয়েছে।
এদিকে নির্বাচনত্তোর মমতা ক্ষমতা ছাড়তে চায়নি। তার বক্তব্য এ নির্বাচন সঠিক হয়নি। কুটকৌশলে মুসলমান নাগরিকত্ব বাতিল হয়েছে। বিভিন্ন ধরণের কারচুপি হয়েছে।
অভিজ্ঞমহল মনে করেন এ নির্বাচন সঠিক হয় নি কুভেন্দু পশ্চিমবঙ্গের বৈধ মুখ্যমন্ত্রী হয় নি। বা হতে পারে না। ভূয়া ভোটার তালিকা তৈরি মুসলমানদের নাগরিকত্ব হরণ ছাড়াও আরো যে মূল কারণ সেটা হলো সাংবিধানিক কারণ।
ভারতীয় সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা মানে হল- রাষ্ট্রের নিজস্ব কোনো ধর্ম থাকবে না এবং রাষ্ট্র সব ধর্মের প্রতি সম-শ্রদ্ধা ও নিরপেক্ষ আচরণ করবে।
কিন্তু কুভেন্দু নির্বাচনের আগে হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র গঠনের কথা বলে ধোঁকা দিয়েছে। মুসলমানদের সম্পদ, ঐতিহ্য লুন্ঠন এবং মুসলমানদের নির্যাতন করার কথা ও মুসলমানদের দ্বীন পরিবর্তনের কথা বলে উগ্রবাদী হিন্দুদের মাঝে কু জোয়ার তুলে ক্ষমতা দখল করেছে। কুভেন্দুর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। অসংবিধানিক পথে ক্ষমতায়ন, বৈধ হতে পারে না। এবং সংবিধান লঙ্ঘন করে ভারত বৈধ রাষ্ট্র থাকতে পারে না।
সরকার না শুনলে ভারতীয় হক্কানী-রব্বানী আলেমগণ জানিয়েছেন জিহাদই তখন হবে তাদের একমাত্র উপায়। বিষয়টির প্রতি নজর দেয়া জরুরী।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্র অর্থনীতির সোনালী সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
শিশুর দেহে এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্সের ভয়ানক উপস্থিতি
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শীতের সবজি, গ্রীষ্মের ফল, ফসল এখন বর্ষায় অকল্পনীয় বাম্পার ফলন হয়
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাধারণ প্রসব প্রক্রিয়ায় সরকারের শুভবুদ্ধি তখন শুদ্ধ হবে যখন সিজার সিন্ডিকেটকে সরকার শক্ত হাতে নির্মূল করতে পারবে
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৬০ হাজার কোটিতেও ঢুকছে বন্যার পানি বছরে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সাড়া দিতে হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চায়ের কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সমতলেও চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












