SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হানাফী%' OR titleBn LIKE '%হানাফী%' OR descriptionEn LIKE '%হানাফী%' OR descriptionBn LIKE '%হানাফী%' OR slug LIKE '%হানাফী%' OR metaTag LIKE '%হানাফী%' OR metaDescription LIKE '%হানাফী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মুতাবিক
পবিত্র নামায আদায়ের সুন্নত তরীক্বা
যেকোনো নেক আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করা হোক না কেনো, তা সুন্নত মুতাবিকই করা উচিত এবং সুন্নত মুতাবিক করলেই সে আমল বা ইবাদত-বন্দেগীর পূর্ণ ছওয়াব লাভের আশা করা যায়। অন্যথায় সুন্নত পরিত্যাগ করে অথবা সম্মানিত সুন্নত উনার খিলাফ কোনো আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করলে ছওয়াবের পরিবর্তে পাপের ভাগী হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।
কারণ সম্মানিত দ্বীন ইসলামের মধ্যে এমন কোনো ইবাদত নেই, যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
মাছ (سَمَك) সামাক/ সামুদ্রিক মাছ (حُوْت) হূত:
মহান আল্লাহ পাক তিনি মাছ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَسْتَوِي الْبَحْرَانِ هٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَائِغٌ شَرَابُهٗ وَهٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ ۖ وَمِن كُلٍّ تَأْكُلُونَ لَحْمًا طَرِيًّا وَتَسْتَخْرِجُونَ حِلْيَةً تَلْبَسُونَهَا.
অর্থ: “দু’টি সমুদ্র সমান হয় না, একটি মিঠা ও তৃষ্ণা নিবারক এবং অপরটি লোনা। উভয়টি থেকেই তোমরা তাজা গোশ্ত (মাছ) আহার করো এবং পরিধানে ব্যবহার্য অলঙ্কার আহরণ করো।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ -১২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি মাছ সম্পর্কে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَهُوَ الَّذِي سَخَّرَ الْبَحْرَ لِتَأ বাকি অংশ পড়ুন...
ফিক্বহে হানাফীর মশহূর কিতাব ‘বাদায়িউছ ছনায়িয়ী’তে উল্লেখ রয়েছে-
وَاللَّعِبُ حَرَامٌ فِي الْأَصْلِ إلَّا أَنَّ اللَّعِبَ بِهَذِهِ الْأَشْيَاءِ صَارَ مُسْتَثْنًى مِن التَّحْرِيمِ شَرْعًا لِقَوْلِهِ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ { كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ وَقَوْسَهُ وَفَرَسَهُ}
অর্থ: মূলত সকল খেলাধুলাই হারাম। তবে শরীয়তগতভাবে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের সাথে লায়িব শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূলত খেলা নয় তা বৈধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দলীল হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْر বাকি অংশ পড়ুন...
“মুয়াত্তা ইমাম মালিক” কিতাবের ২৩ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ায় উল্লেখ আছে,
قوله صلى الله عليه وسلم فقولوا مثل ما يقول اى وجوبا عند حَضْرَتْ ابى حنيفة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وندبا عند الشافعى.
অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যেরূপ বলে তোমরাও অনুরূপ বল। অর্থাৎ এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভিত্তিতে আমাদের হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট মৌখিকভাবে আযানের জাওয়াব দেয়া ওয়াজিব। আর শাফিয়ী মাযহাবে মুস্তাহাব।
পবিত্র আযান উনার জা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হিজরী ১২৬৩ সনে সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম, পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার ২৮ তারিখ, ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) হুগলী জেলার ফুরফরা শরীফে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
পবিত্র নসব মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বংশধর এবং হযরত মাওলানা মনছুর বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ১৫তম নিম্নপুরুষ। সুবহানাল্লাহ!
হযরত মনছুর বাগদাদী রহমতুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
বিখ্যাত মুফাসসির হযরত শিহাবুদ্দীন মাহমূদ ইবনে আব্দুল্লাহ হুসাইনী আলূসী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وكونه صلّى اللّه عليه وسلّم رحمة للجميع باعتبار أنه عليه الصلاة والسلام واسطة الفيض الإلهي على الممكنات على حسب القوابل ولذا كان نوره صلّى اللّه عليه وسلّم أول المخلوقات ففي الخبر أول ما خلق اللّه تعالى نور نبيك يا حضرت جابر رضى الله تعالى عنه
অর্থ: আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবার জন্য রহমত মুবারক। এটা এই অর্থে যে, তিনি সম্ভাব্য সকল সৃষ্টির প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার ফয়েয বা অনুগ্রহ মুবারক পৌঁছানোর সম্মানিত ওয়াসীলাহ বা মাধ্যম, প্রত্যেক সৃষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়বে না, তার নামায হবে না। বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে কেউ কেউ বলে থাকে যে, ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। ইহা কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: (৪র্থ অংশ)
উছূল হলো: কোন হাদীছ শরীফ উনার হুকুম যদি সেই হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা নির্দিষ্ট করা না যায় তবে অন্য হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা হুকুম নির্দিষ্ট করতে হয়। আর যদি উক্ত হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনাকারী থেকে ব্যাখ্যা পাওয়া যায় তবে উক্ত ব্যাখ্যাকে গ্রহণ করতে হয়। হাদীছ শরীফ উনার উপর আমল করার উল্লেখিত দু’টি নিয়মের বাকি অংশ পড়ুন...












