SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হানাফী%' OR titleBn LIKE '%হানাফী%' OR descriptionEn LIKE '%হানাফী%' OR descriptionBn LIKE '%হানাফী%' OR slug LIKE '%হানাফী%' OR metaTag LIKE '%হানাফী%' OR metaDescription LIKE '%হানাফী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর-১৩
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَلَوْ آمَنَ أَهْلُ الْكِتَابِ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمْ مِنْهُمُ الْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ الْفَاسِقُونَ.
অর্থ: তোমরাই সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত। মানবজাতির মধ্য থেকে তোমাদেরকে মনোনীত করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের নির্দেশ দিবে আর অসৎ কাজ (শরীয়তের খিলাফ কাজ) থেকে নিষেধ করবে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনবে। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১০)
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৯১)
(كُنْتُمْ) يَا أُمَّة مُحَمَّد বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়বে না, তার নামায হবে না। বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে কেউ কেউ বলে থাকে যে, ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। ইহা কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা মূলত অন্যান্য মাযহাবের দলীল। অর্থাৎ অন্যান্য মাযহাবের ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। আর আমাদের হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া হচ্ছে ইমামের পিছনে মুক্তাদী শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা শরীফই নয়, মূলত কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা তাওবাহ শরীফ উনার ৩৬ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বিশ্বখ্যাত তাফসীর গ্রন্থসমূহে বিশেষ করে ‘আহকামুল কুরআন লিল জাছছাছ হানাফী মাতুরীদী’ নামক তাফসীরে লিখিত আছে, “পবিত্র হারাম মাসগুলোর এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যে, এতে ইবাদত-বন্দিগী করা হলে বাকি মাসগুলোতেও ইবাদত-বন্দিগী করার তাওফিক ও সাহস লাভ হয়। অনুরূপ কেউ এ মাসগুলোতে পাপ কার্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারলে বছরের বাকি মাসগুলোতেও পাপাচার থেকে দূরে থাকা সহজসাধ্য হয়। সুতরাং এ সুযোগের সদ্ব্যবহার থেকে বিরত থাকা অপূরণীয় ক্ষতির কারণ।”
পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খলীল বিন আহমদ বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, মানুষ ৪ প্রকার। যথা: (১) এমন মূর্খ লোক যে কিছুই জানে না, সে যে জানে না তাও বুঝে না। এমন লোক আহমক তথা গন্ড মূর্খ, তাই তার থেকে দূরে থাকবে। (২) এমন মূর্খ লোক, যে জানে যে সে মূর্খ, এমন লোক জাহিল, তাই তাকে ইলিম শিক্ষা দিবে। (৩) এমন জ্ঞানী লোক, যে জানে না যে সে জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি ঘুমন্ত, তাই তোমরা তাকে জাগিয়ে দাও। (৪) এমন জ্ঞানী লোক, যিনি জানেন যে তিনি জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি আলিম, তাই তোমরা উনাকে অনুসরণ করো।
অর্থাৎ যেই উলিল আমর উনার পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দলীল বেশি সেই উলিল আমর উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৭)
(ياأيها الذين امَنُواْ أَطِيعُواْ الله) أي في الفرائض (وَأَطِيعُواْ الرسول) أي في السنن. ويقال: أطيعوا الله فيما فرض، وأطيعوا الرسول فيما بيّن. ويقال أَطِيعُواْ الله بقول لا إله إلا الله، وأطيعوا الرسول بقول محمد رسول الله صلى الله عليه و سلم (وَأُوْلِى الامر مِنْكُمْ) يعني أطيعوا أولي الأمر منكم. قال الكلبي ومقاتل: يعني أمراء السرايا. وقال الضحاك: يعني الفقهاء والعلماء في الدين. ويقال: الخلفاء والأمراء ويجب طاعتهم ما لم يأمروا بالمعصية.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করো,) অর্থাৎ ফরজসমূহ পালন করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) অর্থাৎ সুন্নতসমূহ পালন করো। বলা হ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুসলমান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা ও হানাফী মাযহাবের অনুসারী। দেশের খ্যাতনামা আলেম ও ফকিহ দ্বারা রচিত ২০১০ সাল থেকে নতুন পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে বিগত ১৬ বছর পাঠদান চলে আসছে। ২০২৬ সালের জন্য পরিমার্জন করতে গিয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আকাইদ, ফিকহ্ ও আখলাকের ক্ষেত্রে জামাতি আকিদা সালাফিজমকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।
এর নেতৃত্বে ছিলো বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিয়া নুরুল হক। সে জামাতের রোকন। আরেকজন ছিলো কট্টর সালাফ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইলিম মুবারক নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা কি মানুষ রাখে?
৫) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরও বলেছেন, “আলিফ, লাম, ‘র’; এটি এমন এক কিতাব, যার আয়াতসমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত অতঃপর সবিস্তারে বর্ণিত এক মহাজ্ঞানী, সর্বজ্ঞ সত্তার পক্ষ হতে।” (পবিত্র সূরা হুদ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ০১)
৬) মহান আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ মুবারক করেন, বলুন! আমার পালনকর্তার কথা লেখার জন্যে যদি সমুদ্রের পানি কালি হয়, তবে আমার পালনকর্তার কথা, শেষ হওয়ার আগেই সে সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে। সাহায্যার্থে অনুরূপ আরেকটি সমুদ্র বাকি অংশ পড়ুন...
সাধারণভাবেই ইন্তেকাল প্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকেও কুরবানী করা জায়িয
পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ দ্বারা অনেক ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা দলীল গ্রহণ করেছেন।
১ম দলীল
যেমন, হযরত আমীনুদ্দীন ইবনে ফিরিশতা যিনি ইবনে মালাক কিরমানী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮৫৪ হিজরী) হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন-
يَدُلُّ عَلٰى اَنَّ التَّضْحِيَةَ تَجُوْزُ عَمَّنْ مَاتَ
“এই পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যারা ইন্তেকাল করেছেন উনাদের পক্ষ থেকে কুরবানী করা জায়িয।”
২য় দলীল
মিরআতুল মাফাতীহ কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
وَالْحَدِيْثُ يَدُلُّ عَلٰى اَنَّ التَّضْح বাকি অংশ পড়ুন...












