নিজস্ব সংবাদদাতা:
বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, এমন শিরোনামে খবর হরহামেশায় দেখা যায়। তবে, ঈদুল ফিতরের আগ মুহূর্তে ঢাকার বাতাসে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও ঈদের ছুটি দুই মিলিয়ে দূষণের শীর্ষ তালিকায় নেই বাংলাদেশের রাজধানীর নাম। তালিকার অনেক নীচের দিকে ঢাকার অবস্থান।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সকাল ৮টার দিকে আইকিউএয়ারের ওয়েবসাইট ঘেঁটে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আইকিউএয়ার মূলত বিভিন্ন শহরের বাতাসের মানের অবস্থা তুলে ধরে। বাতাসের ম বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে লেবাননজুড়ে লাশের মিছিল আর হাহাকার। ইসরায়েলি হামলায় ৬০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু আর সাড়ে ৭ লাখ মানুষের ঘরছাড়া হওয়ার এই দৃশ্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি গাজায় ব্যবহৃত সেই ভয়াবহ রণকৌশলেরই নতুন এক সংস্করণ। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের এই কৌশলের ছকটি বেশ পরিচিত- প্রথমে উচ্ছেদের হুমকি বা জীবনধারণের সব পথ বন্ধ করে মানুষকে বাস্তুচ্যুত করো, এরপর বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে তৈরি করো ‘বাফার জোন’, যাতে কেউ আর নিজ ভিটায় ফিরতে না পারে। সবশেষে, পুরো অঞ্চলকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন খ-ে ভাগ করে দেওয়া, যাতে স বাকি অংশ পড়ুন...
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা:
এবার বিনা নোটিশে আকস্মিক মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনে তিনি চিকিৎসক অনুপস্থিতি ও অব্যবস্থাপনার চিত্র প্রত্যক্ষ করেন।
গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। তার হঠাৎ হাসপাতালে উপস্থিতিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী প্রত্যক্ষ করেন, নির্ধারিত অফিস সময় পার হলেও কয়েকজন চিকিৎসক কর্মস্থলে নেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত ৩২ চিকিৎসকের মধ্যে ১২ জন বি বাকি অংশ পড়ুন...
রোযা রেখে ইফতার এবং সাহরির মাঝের সময়টি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কি খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে- এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কিনা। তাই পরিকল্পনা করে খাবার খেলে রোযা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।
অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খান। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তবে অবশ্যই ইফতার শুরু করা উচিত সুন্নতী খাবার খে বাকি অংশ পড়ুন...
চলছে পবিত্র রোযা। দিনের বেলা রোযা রাখার পর, ইফতারে শরীরে শক্তি ফেরানোর জন্য সঠিক পানীয় নির্বাচন করা খাবারের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এমন সময় ঠিক কোন কোন পানীয় পান করলে শরীরে এনার্জি বজায় থাকবে জেনে নিন।
পানি:
রোযা রাখার পর শরীরের হাইড্রেশন প্রয়োজন হয়। তবে একবারে খুব বেশি পানি পান করা ঠিক নয়। কারণ এ সময় পেট খালি থাকলে, অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এর পরিবর্তে ধীরে ধীরে পানি পান করুন। এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে পুনরায় হাইড্রেট করতে সহায়তা করে।
টক দই বা বাটারমিল্ক শরবত:
আরও একটি দুর্দান্ত পানীয় হলো টক দই শরবত বা বাটারমিল্ক। এই পানীয়গুলো বাকি অংশ পড়ুন...
নারীদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি সবচেয়ে সাধারণ পুষ্টিগত উদ্বেগের মধ্যে একটি, বিশেষ করে মাসিক, সন্তান জন্মদানের পর রক্তক্ষরণ এবং পুষ্টির ঘাটতির কারণে। প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণের মধ্যে সাধারণত ক্লান্তি, চুল পড়া, ফ্যাকাশে ত্বক এবং ঘন ঘন দুর্বলতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আয়রন সমৃদ্ধ লাল শাক স্বাস্থ্যকর আয়রনের মাত্রা অনেকটাই বাড়াতে পারে। এছাড়া লাল রঙের অন্যান্য শাক-সবজিও এই তালিকায় রয়েছে। জেনে নিন নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য লালশাক কেন জরুরি-
১. উদ্ভিদ-ভিত্তিক আয়রনের প্রাকৃতিক উৎস:
লালশাক নন-হিম আয়রনে সমৃদ্ধ, যা উদ্ভি বাকি অংশ পড়ুন...
বক চয় এমন একটি সবজি বা শাক যা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভীষণ জনপ্রিয়। এটিকে চাইনিজ বাঁধাকপিও বলা হয়। এটি শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় বিশেষত ভাজি, ভর্তা, কিংবা স্যুপ হিসেবে। বক চয় সহজলভ্য এবং রান্না করাও সহজ। এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী যেটি অনেকেই জানে না। তাই আজ আমরা জানবো বক চয়ের উপকারিতা-
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
বক চয় মূলতঃ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ, এতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সি বাকি অংশ পড়ুন...
হালিম এমন একটি খাবার যা বহু বছর ধরে ইফতারের সময় জনপ্রিয়। ইফতারে হালিম খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু ইফতারে হালিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত কি না সেটা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে।
হালিম ডাল, গম, গোশত, মসলা ও ঘি দিয়ে তৈরি হয়, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে এটি স্বাস্থ্যসম্মত কি না তা নির্ভর করে কিভাবে এটি তৈরি করা হয়েছে এবং কতটুকু খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। হালিম একটি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে যদি এটি ঘরে তৈরি হয় এবং তেলে-ঝালে ভারি না হয়।
এটি দ্রুত শক্তি পুনরুদ্ধার করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতারে এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা সহজপাচ্য, পুষ্টিকর এবং শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগাতে সক্ষম। এ ক্ষেত্রে দই-চিড়া হতে পারে একটি চমৎকার স্বাস্থ্যকর বিকল্প। এটি শুধু সুস্বাদু ও সহজপ্রস্তুত খাবারই নয়, বরং প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরপুর, যা শরীরের জন্য উপকারী। জেনে নিন দই চিড়ার উপকারিতা।
ইফতারে চিড়া দই খাওয়ার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। যারা স্বাস্থ্যকর এবং হালকা কিছু খেতে চান, তাদের জন্য এটি দারুণ খাবার।
চিড়া, যা শুকনো চাল থেকে তৈরি হয়, সহজে হজমযোগ্য এবং দ্রুত শক্তি সরবরাহ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, দই প্রাকৃতিকভাবে প্রোবায়োটিক, প্রোটিন ও ক্যা বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মাসে দিনে রোযা রেখে ইফতারের সময় সঠিক খাবার নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ ও সচল থাকার জন্য ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণ শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করে, রোযায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কম খাবার খাওয়া উচিত। তাই ইফতারের খাবার নির্বাচনে সচেতন হওয়া দরকার।
পর্যাপ্ত পানি ও স্বাস্থ্যকর পানীয়:
ইফতারের সময় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এছাড়া খেজুর ভেজানো পানি দ্রুত শক্তি যোগায় ও হজমে সহায়ক। ডাব বাকি অংশ পড়ুন...
সারা দিন পরিশ্রমের পর অনেকে বাড়ি ফিরে রাতে কোনোমতে খাওয়া-দাওয়া করেই ঘুমিয়ে পড়েন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভরপেট খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ার এই অভ্যাস একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, দুপুর হোক কিংবা রাত, ভরপেট খেয়ে বেশ কিছুক্ষণ সচল থাকা জরুরি। এ কারণে খাওয়ার পর অন্তত ১০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। খাওয়া-দাওয়ার পর সচল থাকলে শরীরও ভালো থাকে। হজমের সমস্যাও অনেক কমে যায়। ভরপেট খাওয়ার পর হাঁটার অভ্যাসে কী কী উপকার হয় তা জানানো হয়েছে, যেমন-
১. ভারী খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে বদহজমের আশঙ্কা থাকে। বরং যদি হাঁটা যায়, তা হলে হজমশক বাকি অংশ পড়ুন...
রসালো, মিষ্টি আর সুগন্ধি কমলা এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু বাজার ঘুরলে অনেক ক্রেতাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। চোখের সামনে চকচকে, গোলগাল কমলাটি কি আসলেই মিষ্টি কমলা, নাকি অন্য কিছু। বাজারে কমলার নামে বেশিরভাগ সময় বিক্রি হয় কেনু ও মান্ডারিন। দেখতে মিল থাকায় ক্রেতাদের কাছে পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে যায়। স্বাদ, খোসার ধরন, বীজের সংখ্যা ও গঠন-এই বিষয়গুলো না জানলে আসল কমলা আর কেনুর মধ্যে বোঝা মুশকিল।
দুটি ফল দেখতে প্রায় একই রকম হলেও স্বাদ, খোসার গঠন এবং উৎসের দিক থেকে এদের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।
কমলা ও কেনুর পার্থক্য:
বাকি অংশ পড়ুন...












