SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সৈনিক%' OR titleBn LIKE '%সৈনিক%' OR descriptionEn LIKE '%সৈনিক%' OR descriptionBn LIKE '%সৈনিক%' OR slug LIKE '%সৈনিক%' OR metaTag LIKE '%সৈনিক%' OR metaDescription LIKE '%সৈনিক%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ফানা-বাক্বার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে র্জারাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে র্জারাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি ‘আশারায়ে মুবাশ্শিরা’ উনাদের মধ্যে অন্যতম বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক। তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সূচনালগ্নেই সম্মানিত ঈমান মুবারক প্রকাশ করেছিলেন। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবূ উবাইদাহ্ ইবনে র্জারাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্মানিত শান মুবারক-এ ইরশাদ মু বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমান বিজয়ের বীরোচিত উপাখ্যান রচনা করে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সীমানা সারা পৃথিবীতেই বিস্তৃত করেন। বিশ্ববাসী মুসলমানদের তাক্বত, প্রতিপত্তি এবং ইনসাফ মুবারক সম্পর্কে অবগত হয়। দলে দলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করতে থাকেন।
বিশ্বব্যাপী সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার বিজিত অঞ্চলসমূহের গভর্নর এবং দায়িত্বশীলদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ডাক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তৎকালীন সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত সা‘দ ইবনে মু‘আয রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার দৃঢ়তাপূর্ণ জবাব মুবারক:
এরপর হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরামর্শ পেশ করার সময় হযরত সা‘দ ইবনে মু‘আয রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি হয়তো ভাবছেন যে, হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা যে চুক্তি করেছেন, তা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। না; মহান আল্লাহ উনার ক বাকি অংশ পড়ুন...
‘আবূ দাউদ শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, “মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রোকনা পাহলোয়ানকে কুস্তি মুবারকে ধরাশায়ী করেছিলেন।” সুবহানাল্লাহ!
(তবে তা অবশ্যই খেলা হিসেবে নয়; বরং রিসালাতের প্রমাণ ও মু’জিযা মুবারক হিসেবে তিনি রোকনা পাহলোয়ানের সাথে কুস্তি মুবারকে লড়েছেন এবং তাকে পরাস্ত করেছেন।)
উল্লেখ্য, পবিত্র হাদীছ শরীফ বা সম্মানিত শরীয়তে যেসব বিষয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, সে বিষয়গুলো কোনো প্রকার খেলার অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে তীর-ধনুক বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক-এ বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
এই জিহাদ মুবারকে সম্মানিত মুসলমান সৈন্য সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন এবং কাফিরদের সৈন্য সংখ্যা ছিলো ১০০০ জন। সম্মানিত মুসলমান উনাদের নিকট ছিলো ৩টি ঘোড়া, ৭০টি উট, ৬টি বর্ম এবং ৮টি তরবারি। আর মুশরিকদের সঙ্গে ছিলো ৩০০ ঘোড়া ও যুদ্ধ সম্ভারে বোঝাই সাতশত বা তার চাইতেও অধিক সংখ্যক উট। তাদের অশ্বারোহী প্রত্যেকটি সৈনিক ছিলো বর্মাচ্ছাদিত; এমনকি পদাতিক সৈন্যগণও বর্মধারী ছিলো। তাদের সঙ্গে আরো ছিলো বাদ্যযন্ত্রসহ জিহাদে উন্মাদনা সৃষ্টিকারী একদল গায়িকা বাকি অংশ পড়ুন...
প্যারিসের লাতিন কোয়ার্টার এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গ্র্যান্ড মসজিদ ২০২৬ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। একশ বছরের এ পথচলায় এটি শুধু একটি দ্বীনি স্থাপনা হিসেবে নয়, ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলমানদের অবদান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং সামাজিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) পর গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই যুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করেছিলেন বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলিম সৈনিকরা। উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা এবং ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এসব সৈন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “যার সাথে মহব্বত, পরকালে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” (সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৬১৬৯)
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে কোনো হারাম বা অন্যায় কাজ সমর্থন করার অর্থ হলো সেই পাপের অংশীদার হওয়া। ইসলামে কোনো অপরাধের প্রতি অন্তরের সন্তুষ্টি বা আসক্তিকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৩৪৫)
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যা বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশলে কেবল সৈন্য সংখ্যা দিয়ে যুদ্ধ জয় অসম্ভব, যদি না প্রতিটি সেনাকে প্রযুক্তিগতভাবে সুপার-সোলজারে' রূপান্তর করা যায়। যখন বাহিনীর আকার ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বহরের হয়, তখন তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা, কার্যক্ষমতা এবং যুদ্ধের স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য পার্সোনাল ট্যাকটিক্যাল ও সারভাইভাল লজিস্টিকসের প্রয়োজনীয়তা এক বিশাল লজিস্টিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়।
একটি বিশাল বাহিনীকে শতভাগ আধুনিকায়ন করতে কী বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তিগত লজিস্টিকস লাগবে এবং এই বিশাল সরবরাহের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ কেমন হওয়া উচি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
وَإِذَا رَجُلٌ مِنْ الْمُشْرِكِينَ جَامِعُ اللّأْمَةِ يَصِيحُ اسْتَوْسِقُوا كَمَا يُسْتَوْسَقُ جُرْبُ الْغَنَمِ. وَإِذَا رَجُلٌ مِنْ الْمُسْلِمِينَ عَلَيْهِ لَأْمَتُهُ فَمَشَيْت حَتّى كُنْت مِنْ وَرَائِهِ ثُمّ قُمْت أُقَدّرُ الْمُسْلِمَ وَالْكَافِرَ بِبَصَرِي، فَإِذَا الْكَافِرُ أَكْثَرُهُمَا عُدّةً وَأُهْبَةً فَلَمْ أَزَلْ أَنْظُرُهُمَا حَتّى الْتَقَيَا، فَضَرَبَ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ عَلَى حَبْلِ عَاتِقِهِ بِالسّيْفِ فَمَضَى السّيْفُ حَتّى بَلَغَ وَرِكَيْهِ وَتَفَرّقَ الْمُشْرِكُ فِرْقَتَيْنِ. وَكَشَفَ الْمُسْلِمُ عَنْ وَجْهِهِ فَقَالَ كَيْفَ تَرَى يَا حَضْرَتْ كَعْبُ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ؟ أَنَا حَضْرَتْ أَبُو دُجَانَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى বাকি অংশ পড়ুন...
সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কি কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমানদের অতীত শৌর্য, কি ন্যায়নিষ্ঠ ছিলেন মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে দেখতে পাবো অপরাজেয় সামরিক শক্তি, ইনসাফপূর্ণ হুকুমতব্যবস্থা, সর্বোচ্চ ইসলামী আদর্শ, ৬টি মৌলিক অধিকারের অপরিমেয় একচ্ছত্র ভিত্তিস্থাপন ইত্যাদি। তেমনি একজন মহান শাসক ছিলেন খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
আমিরুল মু’মিনী বাকি অংশ পড়ুন...
বিছাল শরীফ:
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আত-তারীখ” গ্রন্থে উল্লেখ করেন, আমার নিকট আল-উওয়াইসি বর্ণনা করেছেন যে, উনার নিকট হযরত মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেছেন; হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বয়স মুবারক ৮৭ বছরে পৌঁছেছিল। হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি ব্যতীত অন্যান্যদের মতে তিনি ৮৪ বছর বয়সে বিছাল শরীফ প্রাপ্ত হয়েছিলেন। হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রথম বর্ণনাকেই অধিকতর সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন। (ইছাবা)
হাজ্জাজের সময় আরাফাত হতে ফিরবার সময় হাজ্জাজের একজন সিপাহী তার বিষ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের জনসংখ্যার সূচক ৫১ কোটি ছুঁয়েছে, এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সমীকরণটি আমূল বদলে যেতে বাধ্য। এমন এক অতি-ঘনবসতিপূর্ণ ভূখ-ে সীমানা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ সদস্যের এক সুবিশাল সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য হয়ে উঠেছে। তবে একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে দাঁড়িয়ে এই বিশাল বাহিনীকে কেবল লোহা, বারুদ আর সাঁজোয়া যানের প্রাচীন কাঠামোতে বন্দি রাখলে তা হবে এক ঐতিহাসিক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আজকের যুদ্ধক্ষেত্র আর কেবল সীমান্তরেখায় সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্য, স্পর্শহী বাকি অংশ পড়ুন...












